আপডেট
স্বাগতম! ইসলামিক সঠিক জ্ঞান নিয়ে ”ইসলামী জীবন” আপনার পাশে। নিয়মিত ভিজিট করুন, দেখুন বিষয়ভিত্তিক পোস্টগুলো আর শিখতে থাকুন... হোয়াটসেপ সার্ভিসে জয়েন হতে “Post” লিখে সেন্ড করুন এই “01511993330” হোয়াটসেপ নাম্বারে। আমাদের ওয়েবসাইট www.islamijibon.net । ধন্যবাদ!
বাংলা ভাষায় অলাভজনক বৃহত্তম ইসলামিক ওয়েবসাইট বানানোর প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে ইসলামী জীবন টিম। আসছে মোবাইল অ্যাপলিকেশন... সাইট www.islamijibon.net

বুধবার, ২৭ মে, ২০২০

অবৈধ প্রেম-ভালবাসা সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন:- যদি কেউ অনিচ্ছাকৃত ভাবে কারো প্রেমে আসক্ত হয়ে যায় এবং শরীয়াত বিরোধী কোন আচরণ না করে। তবে কি সে গুনাহগার হবে? 
উত্তর:- জ্বী, না। কেননা, এতে তার কোন ক্ষমতা ছিলো না। 

প্রশ্ন:- তাহলে এখন প্রেম রোগীর কি করা উচিত? 
উত্তর:- ধৈর্য ধারণ করে সাওয়াব অর্জন করা উচিত। 

প্রশ্ন:- কি অপরূপ! প্রেমের মাধ্যমে সাওয়াবও অর্জন করা যায়? 
উত্তর:- কেন নয়! এ কথাটা স্মরণ রাখবেন যে, না চাওয়া সত্ত্বেও যদি প্রেম হয়ে যায়, সেই অবস্থায়ও সাওয়াব অর্জন করার জন্য শরীয়াতের আনুগত্য আবশ্যক। উদাহরস্বরূপ; যদি কোন পুরুষের দৃষ্টি হঠাৎ কোন পর-নারীর উপর পড়ে যায় এবং তৎক্ষনাৎ দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয়া সত্ত্বেও তার (সেই নারীর) চেহারা তার মনে গেঁথে যায়।

শুক্রবার, ২২ মে, ২০২০

রাগ দমন করার পদ্ধতি ও ফযীলত (দ্বিতীয় অংশ)

প্রথম অংশ

হাদীসে পাকে রয়েছে, “যে ব্যক্তি স্বীয় রাগকে দমন করবে। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা সে ব্যক্তি থেকে  তার আযাব কে থামিয়ে দিবেন।” (শুয়ুবুল ঈমান, খন্ড-৬ষ্ঠ, পৃষ্ঠা-৩১৫, হাদীস-৩১১)

জবাব দানে শয়তানের আগমন

প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! কেউ যদি আমাদের উত্তেজিত করতে চায় অথবা ভালমন্দ বলে এমতাবস্থায় চুপ থাকার মধ্যে আমাদের জন্য নিরাপত্তা রয়েছে। যদি শয়তান আপনাকে লাখো কু-মন্ত্রণা দেয় যে, তুমিও তাকে জবাব দাও, না হলে মানুষ তোমাকে কাপুরুষ বলবে। মিয়া! ভদ্রতার যুগ এখন নেই। এভাবে নিশ্চুপ থাকলে তো মানুষ তোমাকে বাঁচতে দিবেনা। আমি একটি হাদিস শরীফ বর্ণনা করছি, তা আপনারা মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করুন, তার পর আপনাদের ধারণা হবে যে, কেউ মন্দ বলার সময় চুপ থাকা ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার রহমতের কত নিকটে চলে যায়।

হায়জ ও নেফাস সম্পর্কে আটটি মাদানী ফুল

﴾১﴿ ইসলামী বোনেরা হায়জ ও নেফাস কালে দরসও দিতে পারবেন, বয়ানও করতে পারবেন। ইসলামী কিতাব স্পর্শ করাতেও কোন বাধাঁ নেই। তবে কুরআন শরীফে হাত, আঙ্গুলের মাথা কিংবা শরীরের কোন অংশ লাগানো নিষেধ ও হারাম। তাছাড়া কোন কাগজে বা চিরকুটে যদি কুরআন শরীফের আয়াত লিখিত থাকে এবং অন্য কিছু লেখাও পাশাপাশি না থাকে, তা হলে সেই ধরণের কাগজের সামনে-পিছনে কোণায় বা কোন অংশেই স্পর্শ করার অনুমতি নেই।

﴾২﴿ হায়েজ ও নেফাস অবস্থায় পবিত্র কুরআন কিংবা পবিত্র কুরআনের কোন আয়াত পাঠ করা ও স্পর্শ করা উভয়টি হারাম। পবিত্র কুরআনের বাংলা, ইংরেজী, ফার্সী, উর্দু কিংবা যে কোন ভাষায় অনুদিত অংশ পাঠ করা ও স্পর্শ করাও স্বয়ং কুরআন পাঠ করা ও স্পর্শ করারই সমতুল্য। (বাহারে শরীয়াত, ২য় খন্ড, ৪৯, ১০১ পৃষ্ঠা)

গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়ে মাদানী ফুল

মুসলমানদের কল্যাণ কামনায় এবং উপকার সাধনের নিয়্যতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ৮০টি মাদানী ফুল পেশ করছি। নিজেকে অপব্যয় ও সম্পদ নষ্ট করা থেকে বাঁচাবার জন্য ভাল ভাল নিয়্যত নিয়ে পাঠ করতঃ এগুলো মেনে চলুন। তাহলে আখিরাতের অসংখ্য কল্যাণ লাভ করতে পারবেন। আর বিদ্যুৎ বাঁচানোর মাধ্যমে আপনার বিদ্যুৎ বিলও (BILL) কম আসবে।

আলোর সরঞ্জাম-এর ২৮টি মাদানী ফুল

বিদ্যুৎ কম খরচে এনার্জি সেভার বাল্ব 

۞আলোর জন্য কম বিদ্যুৎ ব্যয় করে এমনসব সরঞ্জামই ব্যবহার করবেন। ১০০ ওয়াট বাল্বের স্থলে ২০ ওয়াটের এনার্জি সেভার (Energy Saver) বাল্ব ৮০% বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারে। বরং যদি LED লাইট ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাহলে তা বিদ্যুৎ আরও কম খরচ করবে।

বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাদানী ফুল 
 ۞বৈদ্যুতিক বাতি – সংখ্যা - ওয়াট - ইউনিট - সাশ্রয়
বাল্ব                                 ৪ -    ৪০০    ৪২         ---
টিউব লাইট                     ৪  -  ১৬০     ১৮         ৫৭%
এনার্জি সেভার                ৪   -  ৮০       ৯           ৮০% 

খুবানির (Apricot) ১৪টি মাদানী ফুল ও ফালসা (Palsa)

খুবানি (Apricot)

অভিজ্ঞ ডাক্তারদের ভাষ্য মতে, খুবানি কাঁচা হোক কিংবা পাকা ফল, মানুষের শরীরের জন্য খুবই উপকারী ফল। এ জাতীয় ফল চোখ ও নাভী জ্বর ও ক্যান্সারের (Cancer) মতো রোগের ক্ষেত্রে খুবই উপকার দেয়। এর ফলে ভিটামিন (Vitamins), পটাসিয়াম, ভিটা-কারোটিন (Beta-carotene) অধিক পরিমাণে বিদ্যমান। 

খুবানির (Apricot) ১৪টি মাদানী ফুল 

১। খুবানি শরীরে শক্তি যোগায়।
২। কোন কোন চিকিৎসকের মতে, খুবানি খেলে বয়স বৃদ্ধি পায়।
৩। খুবানি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৪। খুবানি খাবারকে তাড়াতাড়ি হজম করে।
৫। খুবানি ঢেকুর প্রতিরোধ করে।
৬। খুবানি যকৃতের কঠোরতা দূর করে।
৭। খুবানি পাকস্থলী ও অশ্বরোগের জন্য উপকারী।

তরমুজের ২৫টি মাদানী ফুল

১। আমার আক্বা আ’লা হযরত মাওলানা শাহ্ ইমাম আহমদ রযা খাঁন رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বর্ণনা করেন: খাবারের পূর্বে তরমুজ খেলে পেটকে ভালোভাবে পরিষ্কার করে দেয় এবং রোগকে সমূলে ধ্বংস করে দেয়। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ৫ম খন্ড, ৪৪২ পৃষ্ঠা) ❃ গোল মরিচ, কালো জিরা, লবণ একত্রে পিষে একটি বোতলে সংরক্ষণ করুন, তরমুজের উপর ছিটিয়ে সেবন করলে তরমুজের স্বাদ অনেক বেড়ে যায়।  اِنْ شَاءَ الله عَزَّوَجَلّ হজমের ক্ষেত্রে ও উত্তম ঔষধ হিসাবে কাজ দিবে, আর ক্ষুধাও বৃদ্ধি পাবে। 
২। তরমুজ মিষ্টি কিনা চিনার উপায়: তরমুজ এর পুরো সিলকা কিংবা ধারা সমূহে কিংবা সিলকায় গোলাকার দাগ থাকে তবে এটির সবুজ রং যত গাঢ় হবে, اِنْ شَاءَ الله عَزَّوَجَل ততই লাল ও মিষ্টি হবে। তরমুজের উপর হালকাভাবে হাত মারতেই যদি মাঝারী ধরণের আওয়াজ আসে, এটি  উন্নত ও পরিপক্ক হওয়ারই আলামত।

আমের ২৫টি মাদানী ফুল

ফলের রাজা (আম)

গ্রীষ্মকালের ফল আম হলো; আল্লাহ্ তাআলার পক্ষ থেকে খুবই প্রিয় নেয়ামত। এর অনেক উপকারিতা রয়েছে।
১। আম নতুন রক্ত তৈরী করে, আম অন্ত্রকে শক্তিশালী করে, পাকস্থলী, কিডনী, মূত্রথলী, হৃদপিন্ডে শক্তি যোগায়।
২। আম খাওয়ার কারণে গ্যাস জনিত (Acidity) রোগের ক্ষেত্রে উপকার সাধিত হয়। তবে কার্বাইড (Carbide) নামক কেমিক্যাল দ্বারা পাকানো আম এ রোগকে আরো বাড়িয়ে দেয়।
৩। যার ঘুম আসে না, সে যদি একটি আম খেয়ে এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ পান করে, اِنْ شَاءَ الله عَزَّوَجَلّ তার ঘুম এসে যাবে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২০

রমযানুল মুবারকের ১৩টি মাদানী ফুল

(এই সকল মাদানী ফুল তফসীরে নঈমী ২য় খন্ড থেকে নেয়া হয়েছে)

১. কা’বা শরীফ মুসলমানদেরকে তার নিকট ডেকে রহমত প্রদান করে, কিন্তু এটা (মাহে রমযান) এসে রহমত বন্টন করে। এ বিষয়টা এমন যেন সেটা (কা’বা) একটা কূপ, আর এটা (রমযান শরীফ) হচ্ছে সমুদ্র। অথবা ওটা (অর্থাৎ কা’বা) হচ্ছে সমুদ্র আর এটা (অর্থাৎ রমযান) হচ্ছে বৃষ্টি।

২. প্রতিটি মাসে বিশেষ বিশেষ কিছু দিন-তারিখ রয়েছে। আর তারিখগুলোর মধ্যেও বিশেষ মুহুর্তে ই’বাদত-বন্দেগী সম্পন্ন করা হয়। যেমন-ঈদুল আযহার কয়েকটা (বিশেষ) তারিখে হজ্জ, মুহররমের দশম দিন উত্তম, কিন্তু রমযান মাসে প্রতিদিনে ও প্রতিটি মুহুর্তে ইবাদত হয়। রোযা ইবাদত, ইফতার ইবাদত, ইফতারের পর তারাবীর জন্য অপেক্ষা করা ইবাদত, তারাবীহ পড়ে সাহারীর জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে ঘুমানো ইবাদত, তারপর সাহারী খাওয়াও ইবাদত। মোটকথা, প্রতিটি মুহুর্তে আল্লাহ তাআলার শান ও মহা বদান্যতাই নজরে পড়ে।

বুধবার, ২০ মে, ২০২০

কবর যিয়ারতের ১৬টি মাদানী ফুল (সুন্নাত ও আদব)

১। নবী করীম, রউফুর রহীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন: “আমি তোমাদেরকে (প্রথমে) কবর যিয়ারত করা থেকে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা কবর যিয়ারত করো কেননা, সেটা দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তির কারণ, আর আখিরাতকে স্মরণ করিয়ে দেয়।” (ইবনে মাযাহ্, ২য় খন্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ১৫৭১)।
২। মুসলমানের কবর জেয়ারত সুন্নাত এবং আওলিয়ায়ে কিরাম, শোহাদায়ে ইজাম رَحِمَهُمُ اللهُ السَّلَام এর দরবারের হাজেরী মহান সৌভাগ্য, তাদের জন্য ইছালে সাওয়াব করা মুস্তাহাব এবং সাওয়াবের কাজ। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ৯ম খন্ড, ৫৩২ পৃষ্ঠা)।
৩। (অলী-আল্লাহর মাজার শরীফ) বা কোন মুসলমানের কবর যিয়ারতের জন্য যেতে চাইলে মুস্তাহাব হচ্ছে, প্রথমে নিজের ঘরে (মাকরূহ ওয়াক্ত না হলে) দুই রাকাত নফল নামায আদায় করা, প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পরে একবার আয়াতুল কুরসী ও তিনবার সূরা ইখলাস পড়ে এ নামাযের সাওয়াব সাহিবে কবরকে পৌছিয়ে দেয়া। আল্লাহ্ তাআলা সেই মৃত ব্যক্তির কবরে নূর সৃষ্টি করবে এবং এ (সাওয়াব প্রেরণকারী) ব্যক্তিকে অনেক বেশী সাওয়াব প্রদান করবেন। (ফতোওয়ায়ে আলমগীরি, ৫ম খন্ড, ৩৫০ পৃষ্ঠা)।
৪। মাজার শরীফ বা কবর যিয়ারতের জন্য যাওয়ার সময় রাস্তায় অনর্থক কথায় মশগুল হবেন না। (প্রাগুক্ত) ৫। কবরকে চুম্বন করবেন না এবং কবরে হাতও লাগাবেন না। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া হতে সংগৃহীত, ৯ম খন্ড, ৫২২ ও ৫২৬ পৃষ্ঠা) বরং কবর থেকে কিছু দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াবেন।
৬। কবরে সিজদায়ে তাজিমী করা হারাম এবং ইবাদতের নিয়্যতে করা কুফরী। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া হতে সংগৃহীত, ২২তম খন্ড, ৪২৩ পৃষ্ঠা)।
৭। কবরস্থানের মধ্যে ঐ সাধারণ রাস্তা দিয়ে যাবেন, যেখানে পূর্বে কখনও মুসলমানদের কবর ছিল না, যে রাস্তা নতুন তৈরী করেছে সেটার উপর দিয়ে যাবেন না। “রদ্দুল মুহতারে” বর্ণিত রয়েছে: (কবরস্থানের মধ্যে কবর বিলীন করে) যে নতুন রাস্তা তৈরী করা হয়েছে সেটার উপর চলাচল করা হারাম। (রদ্দুল মুহতার, ১ম খন্ড, ৬১২ পৃষ্ঠা) বরং নতুন রাস্তায় কেবল ধারনার মাধ্যমে সেটার উপর চলাচল করা নাজায়িয ও গুনাহ। (দুররে মুখতার, ৩য় খন্ড, ১৮৩ পৃষ্ঠা)।
৮। কিছু অলীর মাজারে দেখা গিয়েছে যে, যিয়ারতকারীর সুবিধার জন্য মুসলমানদের কবরকে ভেঙ্গে বিলীন করে সমতল করে দেওয়া হয়েছে, এই রকম জায়গায় ঘুমানো, হাটা-চলা, দাঁড়ানো, তিলাওয়াত ও যিকির করার জন্য বসা হারাম, দূর থেকেই ফাতিহা পড়ে নিন।
৯। কবর যিয়ারত মৃত ব্যক্তির চেহারার সামনে দাঁড়িয়ে করা, আর কবরবাসীর পায়ের দিক থেকে যাবেন যেন তাঁর দৃষ্টির সামনে থাকেন, মাথার দিক থেকে আসবেন না, কারণ তাঁকে মাথা তুলে দেখতে হবে। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ৯ম খন্ড, ৫৩২ পৃষ্ঠা)।
১০। কবরস্থানে এভাবে দাঁড়ান যেন কিবলার দিকে পিঠ এবং কবরবাসীর চেহারার দিকে মূখমন্ডল হয়, এরপর বলুন:
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا اَهْلَ الْقُبُرِ يَغْفِرُ اللهُ لَنَا وَلَكُمْ وَاَنْتُمْ لَنَا سَلَفٌ وَّنَحْنُ بِالْاَثَر 
অনুবাদ: হে কবরবাসী! তোমার উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আল্লাহ্ তাআলা আমাদের ও তোমাদের ক্ষমা করুক, তোমরা আমাদের পূর্বে চলে এসেছ, আর আমরা তোমাদের পরে আগমনকারী। (ফতোওয়ায়ে আলমগীরি, ৫ম খন্ড, ৩৫০ পৃষ্ঠা)
১১। যে কবরস্থানে প্রবেশ করে এটা বলবে:
اَللهُمَّ رَبَّ الْاجْسَادِ الْبَالِيَةِ وَالْعِظَامِ النَّخِرَةِ الَّتِىْ خَرَجَتْ مِنَ الدُّنْيَا وَهِىَ بِكَ مُؤْمِنَةٌ اَدْخِلْ عَلَيْهَا رَوْحََا مِّنْ عِنْدِكَ وَسَلَامََا مِّنِّىْ
অনুবাদ: হে আল্লাহ! (হে) গলে যাওয়া শরীর ও পচনযুক্ত হাঁড়ের রব! যে দুনিয়া থেকে ঈমান সহকারে বিদায় নিয়েছে তুমি তার উপর আপন রহমত এবং আমার সালাম পৌছিয়ে দাও। তবে হযরত সায়্যিদুনা আদম عَلٰی نَبِیِّنَاوَعَلَیْہِ الصَّلوٰۃُ وَالسَّلام থেকে নিয়ে ঐ সময় পযন্ত যত মু’মিন মারা গিয়েছে সবাই তার (অর্থাৎ দোয়া পাঠকারীর) মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবে। (মুসান্নফে ইবনে আবি শায়বা, ১০ম খন্ড, ১৫ পৃষ্ঠা)
১২। নবীয়ে রহমত, শফিয়ে উম্মত, মালিকে জান্নাত, কাসিমে নেয়ামত, হুযুর পুরনূর صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন: “যে ব্যক্তি কবরস্থানে প্রবেশ করলো অতঃপর সে সূরা ফাতিহা, সূরা ইখলাস এবং সূরা তাকাসূর পড়ল তারপর এ দোয়া করলো; হে আল্লাহ! আমি যা কিছু কোরআন থেকে পড়েছি এগুলোর সাওয়াব এ কবরস্থানের মু’মিন নর-নারীকে পৌঁছিয়ে দাও। তবে সে সমস্ত মু’মিন কিয়ামতের দিন তার (অর্থাৎ ইছালে সাওয়াবকারীর) জন্য সুপারিশকারী হবে।” (শরহুস সুদুর, ৩১১ পৃষ্ঠা)।
১৩। হাদীস শরীফে রয়েছে: যে এগার বার সূরা ইখলাস পড়ে এর সাওয়াব মৃত ব্যক্তিকে পৌছাবে, তবে মৃত ব্যক্তির সমসংখ্যক পরিমান সাওয়াব সে (অর্থাৎ ইছালে সাওয়াব কারী) লাভ করবে। (দুররে মুখতার, ৩য় খন্ড, ১৮৩ পৃষ্ঠা)।
১৪। কবরের উপর আগর বাতি জ্বালানো যাবে না। কেননা, এটা বে-আদবী ও মন্দ কাজ (এবং এতে মৃত ব্যক্তির কষ্ট হয়) হ্যাঁ! যদি (উপস্থিত লোকদেরকে) সুগন্ধ (পৌঁছানোর) জন্য (জ্বালাতে চায় তবে) কবরের পাশে খালি জায়গা থাকলে সেখানে জ্বালাবে, কেননা, সুগন্ধি পৌঁছানো উত্তম কাজ। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া থেকে সংক্ষেপিত, ৯ম খন্ড, ৪৮২, ৫২৫ পৃষ্ঠা)।
১৫। আ’লা হযরত رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ অন্য জায়গায় বলেন: “সহীহ মুসলিম শরীফ”এ হযরত আমর বিন আস رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ থেকে বর্ণিত; তিনি ওফাতের সময় নিজের সন্তান কে বলেছেন: যখন আমি মারা যাব তখন আমার সাথে না কোন বিলাপ কারী যাবে, না আগুন যাবে। (সহীহ মুসলিম, ৭৫ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ১৯২)।
১৬। কবরের উপর চেরাগ বা মোমবাতি প্রভৃতি রাখবেন না। কারণ এটা আগুন, আর কবরের উপর আগুন রাখলে মৃত ব্যক্তির কষ্ট হয়, হ্যাঁ! রাতে পথচারীর জন্য বাতি জ্বালানো উদ্দেশ্য হয়, তবে কবরের এক পার্শ্বে খালি জায়গার উপর মোমবাতি বা চেরাগ রাখতে পারেন।

     صَلُّوا عَلَى الحَبِيب ! صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد

মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০

আংটি সম্পর্কিত ১৯টি মাদানী ফুল (সুন্নাত ও আদব)

১। পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি পরিধান করা হারাম। সুলতানে দো জাহান, রহমতে আ’লামিন صَلَّی اللّٰهُ تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم স্বণের্র আংটি পরিধান করা থেকে নিষেধ করেছেন। (বুখারী, ৪র্থ খন্ড, ৬৭ পৃষ্ঠা, হাদীস: ৫৮৬৩)
২। (অপ্রাপ্তবয়ষ্ক) ছেলেকে স্বর্ণ-রৌপ্যের অলংকার পরানো হারাম। যে ব্যক্তি পরাবে সে গুনাহ্গার হবে। অনুরূপ ছেলের হাতে পায়ে অহেতুক মেহেদী দেওয়াও নাজায়েয। মহিলারা নিজেরা তাদের হাতে-পায়ে মেহেদী লাগাতে পারবে। কিন্তু ছেলেকে লাগালে গুনাহ্গার হবে। (বাহারে শরীয়াত, ৩য় খন্ড, ৪২৮ পৃষ্ঠা। দুররে মুখতার ও রদ্দুল মুহতার, ৯ম খন্ড, ৫৯৮ পৃষ্ঠা) ছোট মেয়ের হাতে পায়ে মেহেদী দেওয়াতে কোন বাধা নাই।
৩। লোহার আংটি জাহান্নামীদেরই অলংকার। (তিরমিযী, ৩য় খন্ড, ৩০৫ পৃষ্ঠা, হাদীস: ১৭৯২)।
৪। পুরুষের জন্য সেরূপ আংটিই জায়েয যেগুলো (লেডিস ষ্টাইলের নয়) জেন্টস ষ্টাইলের। অর্থাৎ তা হবে কেবল এক পাথর বিশিষ্ট। আর যদি তাতে একের অধিক (কয়েকটি) পাথর থাকে, তাহলে তা রূপার হয়ে থাকলেও পুরুষদের জন্য নাজায়েয। (রদ্দুল মুহতার, ৯ম খন্ড, ৫৯৭ পৃষ্ঠা)।

পাগড়ী বাঁধার ২৫টি মাদানী ফুল (সুন্নাত ও আদব)

নবীয়ে রহমত, শফিয়ে উম্মত, তাজেদারে রিসালাত, হুযুর পুরনূর صَلَّی اللّٰهُ تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর ৬টি বাণী:
১। “পাগড়ী সহকারে দুই রাকাত নামায পাগড়ী বিহীন সত্তর (৭০) রাকাত (নামাযের) চেয়ে উত্তম।” (আল ফিরদৌস বিমাসুরীল খাত্তাব, ২য় খন্ড, ২৬৫ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৩২৩৩, দারুল কুতুবুল ইলমিয়্যাহ্, বৈরুত)
২। “আমাদের এবং মুশরিকদের মধ্যে পার্থক্য হলো টুপির উপর পাগড়ী (পরিধান করা)। মুসলমান নিজের মাথায় প্রতিটি প্যাঁচ দেওয়াতে কিয়ামতের দিন তাঁর জন্য একটি করে নূর দান করা হবে।” (আল জামেউস সগীর লিস সুয়ুতী, ৩৫৩ পৃষ্ঠা, হাদীস - ৫৭২৫)
৩। “নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ তাআলা ও তাঁর ফেরেশতাগণ জুমার দিন পাগড়ী পরিধানকারীর উপর দরূদ প্রেরণ করেন।” (আল ফিরদৌস বিমাসুরিল খাত্তাব, ১ম খন্ড, ১৪৭ পৃষ্ঠা, হাদীস৫২৯)
৪। “পাগড়ী সহকারে নামায আদায় করা দশ হাজার নেকীর সমপরিমাণ।” (প্রাগুক্ত, ২য় খন্ড, ৪০৬ পৃষ্ঠা, হাদীস - ৩৮০৫। ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ৬ষ্ঠ খন্ড, ২২০ পৃষ্ঠা)

পোশাকের ১৪টি মাদানী ফুল (সুন্নাত ও আদব)

প্রথমে তিনটি হাদীস লক্ষ্য করুন:
১। “জ্বীনের দৃষ্টি ও মানুষের লজ্জাস্থানের মাঝখানে পর্দা হচ্ছে, যখন কেউ কাপড় খুলে তবে যেন বিসমিল্লাহ পাঠ করে নেয়।” (আল মুজামুল আওসাত, ২য় খন্ড, ৫৯ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ২৫০৪) প্রসিদ্ধ মুফাস্সীর, হাকিমুল উম্মত হযরত মুফতী আহমদ ইয়ার খাঁন নঈমী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বলেন: যেরূপ দেয়াল ও পর্দা মানুষের দৃষ্টির আড়াল হয়ে থাকে, অনুরূপভাবে আল্লাহ্ তাআলার যিকির জ্বীনদের দৃষ্টি থেকে আড়াল হবে, যার কারণে জ্বিন সেটাকে (অর্থাৎ- লজ্জাস্থান) দেখতে পাবে না। (মিরাত, ১ম খন্ড, ২৬৮ পৃষ্ঠা)
২। “যে ব্যক্তি কাপড় পরিধানের সময় এ দোয়া পাঠ করবে:
اَلْحَمْدُ لِلهِ الَّذِىْ كَسَانِىْ هٰذَا وَرَزَقَنِيْهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّيْ وَلَا قُوَّةٍ
(অনুবাদ: 'সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ তাআলার জন্য, যিনি আমাকে কাপড় পরিধান করিয়েছেন, আর আমার শক্তি ও সামর্থ্য ব্যতীত আমাকে দান করেছেন।) তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী গুনাহ ক্ষমা হয়ে যাবে।” (শুআবুল ঈমান, ৫ম খন্ড, ১৮১ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ৬২৮৫)

বাবরী চুল রাখা এবং মাথার চুলের ২২টি মাদানী ফুল (সুন্নাত ও আদব)

১। হুযুরে আকরাম, নূরে মুজাস্সম صَلَّی اللّٰهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর চুল মোবারক (চুলের গোছা) কখনো কান মোবারকের অর্ধেক পর্যন্ত, কখনো কান মোবারকের লতি পর্যন্ত এবং কখনো চুল মোবারক বেড়ে যেত তখন সেগুলো কাধ মোবারক দু’টিকে স্পর্শ করতো। (আশশামায়িলুল মুহাম্মদীয়া লিত তিরমিযী, ১৮, ৩৫, ৩৪ পৃষ্ঠা)
২। আমাদের উচিত সময়ে সময়ে তিনটি সুন্নাত আদায় করা, অর্থাৎ কখনো অর্ধ কান পর্যন্ত, আর কখনো সম্পূর্ণ কান পর্যন্ত, কোন সময় কাধ বরাবর চুল রাখা।
৩। কাধ পর্যন্ত বাবরী চুল লম্বা করার এ সুন্নাত নিজের উপর একটু কষ্টকর হয়ে থাকে, কিন্তু জীবনের কমপক্ষে একবার হলেও এ সুন্নাত আদায় করা উচিত। অবশ্য এটা খেয়াল রাখা উচিত যে, চুল যেন কাধের নিচে না আসে, পানিতে ভাল ভাবে ভিজার পর বাবরী চুলের লম্বার পরিমাণ লক্ষ্য করা যায়। তাই যে দিনগুলোতে চুল বাড়াবেন ঐ দিনগুলোতে গোসলের পর আঁচড়ানোর সময় ভাল ভাবে লক্ষ্য করবেন চুল কাধ অতিক্রম করেছে কিনা।

সোমবার, ১৮ মে, ২০২০

পানি পান করার ১২টি মাদানী ফুল (সুন্নাত ও আদব)

১। রাসূলুল্লাহ صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর দুইটি আলীশান ফরমান: “উটের ন্যায় এক নিঃশ্বাসে (পানি) পান করো না। বরং দুই বা তিন (নিঃশ্বাসে) পান করো। আর পান করার পূর্বে بِسْمِ الله  বলে পান  করো এবং পান করার পর اَلْحَمْدُ لله  বলো।” (সুনানে তিরমিযী, ৩য় খন্ড, ৩৫২ পৃষ্ঠা, হাদীস নং-১৮৯২)
২। নবীয়ে আকরাম صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم পাত্রের ভিতর শ্বাস ফেলতে কিংবা তাতে ফুঁক দিতে নিষেধ করেছেন। (সুনানে আবু দাউদ, ৩য় খন্ড, ৪৭৪ পৃষ্ঠা, হাদীস নং৩৭২৮)।  প্রখ্যাত মুফাস্সীর, হাকিমুল উম্মত, হযরত মুফতী আহমদ ইয়ার খাঁন  رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ আলোচ্য হাদীসের ব্যাখ্যায় লিখেছেন: “পাত্রের ভিতর শ্বাস ফেলা জীব জন্তুদের কাজ। তাছাড়া নিঃশ্বাস কখনো বিষাক্ত হয়ে থাকে। তাই নিতান্তই যদি শ্বাস ফেলতে হয়, তবে পাত্র থেকে মুখ পৃথক করে শ্বাস ফেলবে অর্থাৎ শ্বাস ফেলার সময় মুখ থেকে পানির পাত্রটি সরিয়ে নিতে হবে। গরম দুধ বা চা ফুঁক দিয়ে ঠান্ডা করবেন না। বরং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, ঠান্ডা হওয়ার পরই পান করুন। (মিরআত, ৬ষ্ঠ খন্ড, ৭৭ পৃষ্ঠা) তবে দরূদ শরীফ ইত্যাদি পাঠ  করে শিফার নিয়্যতে পানিতে ফুঁক দিলে তাতে কোন অসুবিধা নেই।”
৩। পান করার পূর্বে بِسْمِ الله পাঠ করে নিন।
৪। চুমুক দিয়ে ছোট ছোট ঢোঁকে পান করুন। বড় বড় ঢোঁকে পান করলে যকৃতের (Liver) রোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
৫। পানি তিন নিঃশ্বাসে পান করুন।
৬। বসে এবং ডান হাতে পানি পান করুন।
৭। বদনা (লোটা) ইত্যাদি দ্বারা অযু করা হলে সেটার অবশিষ্ট পানি পান করা ৭০টি রোগ থেকে শিফা স্বরূপ। কেননা, সেটা পবিত্র জমজমের পানির সাদৃশ্য রাখে। এই দুই প্রকার (অর্থাৎ অযুর অবশিষ্ট পানি এবং যমযমের পানি) ব্যতীত অন্য যে কোন পানি দাঁড়িয়ে পান করা মাকরূহ। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়্যাহ, ৪র্থ খন্ড, ৫৭৫ পৃষ্ঠ-, খন্ড-২১, পৃষ্ঠা-৬৬৯) এ দু’ধরণের পানি কিবলামূখী হয়ে দাঁড়িয়ে পান করবেন। 
৮। পান করার পূর্বে দেখে নিন পাত্রে ক্ষতিকর জিনিস ইত্যাদি আছে কিনা (ইত্তেহাফুস সাদাত লিয যুবাইদী, ৫ম খন্ড, ৫৯৪ পৃষ্ঠা)। 
৯। পানীয় বস্তু পান করার পর اَلْحَمْدُ لله বলবেন। 
১০। হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত সায়্যিদুনা ইমাম মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ গাযালী  رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বলেন: بِسْمِ الله পাঠ  করে পান করা শুরু করবেন, ১ম নিঃশ্বাসের পর اَلْحَمْدُ لِلهِ! দ্বিতীয় নি:শ্বাসের পর اَلحَمدُ لِلهِ رَبِّ العلَمِين এবং   তৃতীয় নিঃশ্বাসের পর اَلحَمدُ لِلهِ رَبِّ العلَمِين الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ পাঠ করবেন। (ইহ্ইয়াউল উলূম, ২য় খন্ড, ৮ পৃষ্ঠা)। 
১১। গ্লাসে  অবশিষ্ট মুসলমানের পরিস্কার পরিচ্ছন্ন উচ্ছিষ্ট পানি ব্যবহারের উপযোগী হওয়া সত্ত্বেও তা অযথা ফেলে দিবেন না। 
১২। বর্ণিত রয়েছে: سُوْرُ الْمُؤْمِنِ شِفَاءٌ অর্থাৎ মুসলমানের উচ্ছিষ্টে শিফা রয়েছে। (আল ফতোয়াল ফিকহিয়্যাতুল কুবরা লি ইবনে হাজর আল হায়তামী, ৪র্থ খন্ড, ১১৭ পৃষ্ঠা। কাশফুল খিফা, ১ম খন্ড, ৩৮৪ পৃষ্ঠা) পানি পান করার কিছুক্ষণ পর খালি গ্লাসের প্রতি দৃষ্টিপাত করলে, গ্লাসের উপর থেকে বেয়ে কয়েক ফোঁটা পানি গ্লাসের তলায় জমা হয়ে যায়। তাও পান করে নিবেন। 

রবিবার, ১৭ মে, ২০২০

দুধ পানকারী মাদানী মুন্না (২)

প্রিয় মাদানী মুন্না এবং মাদানী মুন্নীরা! (পূর্বের পোস্টে) ৬টি মু’জিযা পড়ার পর এখন আসুন! আরও  ঘটনা শুনি:

(৭) আমার হাত পাত্রে ঘুরাঘুরি করতো

হযরত ওমর বিন আবি সালামা رضى الله عنه বলেন: আমি বাল্যকালে রাসূলে আকরাম, নূরে মুজাস্সাম, হুযুর পুরনূর صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর লালন-পালনে (তত্বাবধানে) ছিলাম। (খাবারের সময়) আমার হাত পাত্রে ঘুরাঘুরি করতো (অর্থাৎ চতুর্দিক থেকে খাবার খেতাম।) রাসূলুল্লাহ্ صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আমাকে ইরশাদ করলেন: “হে বৎস! بِسْمِ الله পড়ো, ডান হাতে নিজের সামনে থেকে খাও। ” এর পর থেকে আমি সেভাবে (অর্থাৎ হুযুর صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর কথা মতো) খেয়ে থাকি। (বুখারী, ৩য় খন্ড, ৫২১ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ৫৩৭৬)

দুধ পানকারী মাদানী মুন্না (শিশু)

{নবী করীম صَلَّی اللّٰهُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর ৬ টি মু'যিজা}

(১) দুগ্ধপোষ্য মাদানী মুন্না  কথা বললো!

রাসূলে পাক صَلَّی اللّٰهُ تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم মক্কা শরীফের একটি ঘরে উপস্থিত ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি হুযুর পুরনূর صَلَّی اللّٰهُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর খেদমতে এক মুন্নাকে (Infant) কাপড়ে জড়ায়ে নিয়ে আসলো। যে সেদিনেই জন্মগ্রহণ করেছিলো। হুযুর পুরনূর صَلَّی اللّٰهُ تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সে মুন্নাকে জিজ্ঞাসা করলেন: আমি কে? সে বললো: “আপনি আল্লাহর রাসূল।” রাসূলে পাক, হুযুর পুরনূর صَلَّی اللّٰهُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করলেন: “তুমি সত্য বলেছ, আল্লাহ্ তাআলা তোমাকে বরকত দান করুক।” (মা’রিফাতুচ্ছাহাবা, ৪র্থ খন্ড, ৩১৪, ৬৩৯৫ পৃষ্ঠা)

প্রিয় মাদানী মুন্না এবং মাদানী মুন্নীরা! আল্লাহ্ তাআলা আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللّٰهُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে এমন মর্যাদা দান করেছেন যে, দুগ্ধপোষ্য মাদানী মুন্নাও রহমতে আলম, হুযুর পুরনূর  صَلَّی اللّٰهُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہ وَسَلَّم  কে রাসূল হওয়ার স্বাক্ষী দিলো। আসুন! আল্লাহ্ তাআলার প্রিয় রাসূল صَلَّی اللّٰهُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর আরো মু’জিযা শুনি:

শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০

বসন্তমেলা ও ঘুড়ি উড়ানো


যখনই শীত বিদায় নেয় এবং ফেব্রুয়ারীতে বসন্ত কালের আগমন ঘটে তখন বাংলাদেশে (মূল ঘটনা পাকিস্তানের) অনেক ছোট-বড় শহরে ‘বসন্ত’ নামে নাচ-গানের আসরের ব্যবস্থা করা হয়। মদ ইত্যাদি পান করা হয়, আর ঘুড়ি ওড়ানোর মেলা সাজানো হয়। যেটাতে আমাদের অসংখ্য মুসলমান ভাইয়েরা নফস ও শয়তানের প্ররোচনায় এসে বেপরোয়া ভাবে গুনাহ করে থাকে এবং কোটি কোটি টাকা বাতাসে উড়িয়ে দেয়। সাধারণত এই ধারাবাহিকতা মার্চের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

বসন্ত মেলা এক রাসূল বিদ্বেষীর স্মৃতিচারণ!

আমার সহজ সরল ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা কি জানেন? ‘বসন্ত মেলার’ শুরু কেন ও কিভাবে হয়েছে? মনযোগ সহকারে শুনুন; এটি এক রাসূল বিদ্বেষীর স্মৃতিচারণ। জী হ্যাঁ! ভারত বিভাজনের অনেক দিন পূর্বে সিয়ালকোটের এক অমুসলিম আমাদের প্রিয় আক্বা, মক্কী মাদানী মুস্তফা صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এবং তাঁর শাহজাদী সায়্যিদাতুনা বিবি ফাতেমা رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا এর মহান শানে আল্লাহর পানাহ! বেয়াদবী করে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২০

নূর নবী ﷺ (মুজিযা)

মাদানী মুন্নী (ছোট বাচ্চা) যখন কূপে থুথু ফেলল…

হযরত সায়্যিদুনা মুহাম্মদ বিন সোলায়মান জাযুলী رحمة الله عليه বলেন: আমি সফরে ছিলাম। এক স্থানে আসার পর নামাযের সময় হয়ে গেল। সেখানে একটি কূপ ছিল, কিন্তু বালতি আর রশি ছিল না। আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম। তখন একটি ঘরের উপর হতে এক মাদানী মুন্নী আমাকে আড়াল হতে দেখছিল, আর জিজ্ঞাসা করল: আপনি কি খুঁজছেন? আমি বললাম: কন্যা, রশি আর বালতি। সে জিজ্ঞাসা করল: আপনার নাম? বললাম: মুহাম্মদ বিন সোলায়মান জাযুলী। মাদানী মুন্নীটি আশ্চার্যান্বিত হয়ে বলল: আচ্ছা! আপনিই সেই ব্যক্তি, যার প্রসিদ্ধির ডঙ্কা চারিদিকে বাজছে। অথচ আপনার অবস্থা এই যে, কূপ থেকে পানিও নিতে পারছেন না। এ কথা বলেই সে কূপে থুথু ফেলল। মুহুর্তের মধ্যে পানি উপরের দিকে উঠে গেল।

বুধবার, ১৩ মে, ২০২০

সূরা আল নাশরাহ (বঙ্গানুবাদ সহ)

بسم اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ 
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

اَلَمۡ نَشۡرَحۡ  لَکَ صَدۡرَکَ ۙ﴿۱﴾  
94:1 আমি কি আপনার বক্ষ প্রশস্ত করি নি?

وَ وَضَعۡنَا عَنۡکَ وِزۡرَکَ ۙ﴿۲﴾ 
94:2 এবং  আপনার উপর থেকে আপনার  ওই  বোঝা নামিয়ে নিয়েছি,

الَّذِیۡۤ  اَنۡقَضَ ظَہۡرَکَ ۙ﴿۳﴾ 
94:3 যা আপনার পৃষ্ঠ ভেঙ্গেছিলো,

وَ رَفَعۡنَا لَکَ ذِکۡرَکَ ؕ﴿۴﴾ 
94:4    এবং    আমি   আপনার   জন্য   আপনার   স্মরণকে সম্মুন্নত করেছি।

সোমবার, ১১ মে, ২০২০

সূরা আল আসর (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

وَ الۡعَصۡرِ ۙ﴿۱﴾ 
103:1 ওই মাহবূবের যুগের শপথ,

اِنَّ  الۡاِنۡسَانَ لَفِیۡ خُسۡرٍ ۙ﴿۲﴾ 
103:2 নিশ্চয় মানুষ অবশ্য ক্ষতির মধ্যে রয়েছে,

اِلَّا  الَّذِیۡنَ  اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَ تَوَاصَوۡا بِالۡحَقِّ ۬ۙ  وَ تَوَاصَوۡا بِالصَّبۡرِ ﴿۳﴾ 
103:3     কিন্তু     (তারা     নয়)    যারা     ঈমান    এনেছে    ও সৎকাজ   করেছে   এবং   একে   অপরকে   সত্যের   জন্য  জোর       দিয়েছে      আর      একে     অপরকে      ধৈর্যধারণের উপদেশ দিয়েছে।

সূরা আল ক্বদর (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

اِنَّاۤ  اَنۡزَلۡنٰہُ  فِیۡ  لَیۡلَۃِ  الۡقَدۡرِ ۚ﴿ۖ۱﴾ 
97:1    নিশ্চয়    আমি    সেটা      ক্বদরের     রাতে    অবতীর্ণ   করেছি;

وَ مَاۤ  اَدۡرٰىکَ مَا لَیۡلَۃُ  الۡقَدۡرِ ؕ﴿۲﴾ 
97:2 এবং আপনি কি জানেন ক্বদর রাত্রি কি?

لَیۡلَۃُ  الۡقَدۡرِ ۬ۙ خَیۡرٌ  مِّنۡ  اَلۡفِ شَہۡرٍ ؕ﴿ؔ۳﴾
97:3 ক্বদরের রাত হাজার মাস থেকে উত্তম।

تَنَزَّلُ الۡمَلٰٓئِکَۃُ وَ الرُّوۡحُ  فِیۡہَا بِاِذۡنِ رَبِّہِمۡ ۚ مِنۡ  کُلِّ  اَمۡرٍ ۙ﴿ۛ۴﴾ 
97:4   এতে ফিরিশ্‌তাগণ   ও  জিবরাঈল  অবতীর্ণ হয়ে থাকে স্বীয় রবের আদেশে প্রত্যেক কাজের জন্য।

সূরা আল তীন (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

وَ التِّیْنِ وَ الزَّیْتُوْنِۙ(۱)
95:1 ডুমুরের শপথ ও যায়তূনের, 

وَ طُوْرِ سِیْنِیْنَۙ(۲)
95:2 এবং সিনাই পর্বতের, 

وَ هٰذَا الْبَلَدِ الْاَمِیْنِۙ(۳)
95:3 এবং এ নিরাপদ শহরের- 

لَقَدْ خَلَقْنَا الْاِنْسَانَ فِیْۤ اَحْسَنِ تَقْوِیْمٍ٘(۴)
95:4  নিশ্চয়   আমি   মানুষকে  উৎকৃষ্ট  আকৃতিতে  সৃষ্টি  করেছি। 

সূরা আল নাস (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

قُلْ          اَعُوْذُ   بِرَبِّ   النَّاسِۙ(۱)
114:1   আপনি  বলুন,  ‘আমি   তারই  আশ্রয়ে  এসেছি, যিনি সকল মানুষের রব, 

مَلِكِ  النَّاسِۙ(۲)
114:2 সকল মানুষের বাদশাহ্‌, 

اِلٰهِ    النَّاسِۙ(۳)
114:3 সকল লোকের মা’বূদ- 

مِنْ    شَرِّ الْوَسْوَاسِ       ﳔ الْخَنَّاسِﭪ(۴)
114:4   তারই  অনিষ্ট  থেকে, যে  অন্তরে কু-মন্ত্রণা দেয় এবং আত্নগোপন করে, 

সূরা আল ফালাক (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ  الْفَلَقِۙ(۱)
113:1 আপনি বলুন, ‘আমি তারঁই আশ্রয় নিচ্ছি, যিনি প্রভাতের সৃষ্টিকর্তা। 

مِنْ شَرِّ  مَا  خَلَقَۙ(۲)
113:2 তাঁর সৃষ্টিকুলের অনিষ্ট থেকে, 

وَ مِنْ  شَرِّ   غَاسِقٍ  اِذَا وَقَبَۙ(۳)
113:3  এবং অন্ধকারাচ্ছন্নকারীর অনিষ্ট  থেকে,  যখন   সেটা অস্তমিত হয়, 

وَ مِنْ  شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الْعُقَدِۙ(۴)
113:4    এবং    ওই    সব    নারীর    অনিষ্ট    থেকে,    যারা  গ্রন্থিসমূহে ফুঁৎকার দেয়, 

সূরা আল ইখলাস (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

قُلْ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌۚ(۱)
112:1 আপনি বলুন, ‘তিনি আল্লাহ্‌ তিনি এক, 

اَللهُ الصَّمَدُۚ(۲)
112:2 আল্লাহ্‌ পরমুখাপেক্ষী নন; 

لَمۡ  یَلِدۡ ۬ۙ  وَ  لَمۡ  یُوۡلَدۡ ۙ(۴) 
112:3   না   তাঁর    কোন   সন্তান   আছে     এবং   না   তিনি কারো থেকে জন্মগ্রহণ করেছেন, 

وَ لَمْ یَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ۠(۴) 
112:4 এবং না আছে কেউ তাঁর সমকক্ষ হবার’। 

সূরা আল লাহাব (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

تَبَّتْ     یَدَاۤ  اَبِیْ  لَهَبٍ وَّ   تَبَّؕ(۱)
111:1 ধ্বংস হয়ে যাক আবূ লাহাবের দু’হাত এবং সে ধ্বংস হয়েই গেছে। 

مَاۤ اَغْنٰى  عَنْهُ    مَالُهٗ    وَ    مَا  كَسَبَؕ(۲)
111:2   তার   কোন কাজে  আসে  নি তার  সম্পদ এবং না যা সে উপার্জন করেছে। 

سَیَصْلٰى   نَارًا ذَاتَ لَهَبٍۚۖ(۳)
111:3 এখন ধ্বসে যাচ্ছে লেলিহান আগুনে-সে 

وَّ امْرَاَتُهٗؕ-حَمَّالَةَ الْحَطَبِۚ(۴)
111:4      এবং      তার      স্ত্রী,      লাকড়ির      বোঝা      মাথায় বহনকারিনী, 

সূরা আল নাসর (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

اِذَا جَآءَ نَصْرُ  اللّٰهِ وَ الْفَتْحُۙ(۱)
110:1 যখন আল্লাহ্‌র সাহায্য ও বিজয় আসবে, 

وَ رَاَیْتَ النَّاسَ یَدْخُلُوْنَ فِیْ دِیْنِ اللّٰهِ  اَفْوَاجًاۙ(۲)
110:2     এবং     আপনি     লোকদেরকে      দেখবেন     যে,  আল্লাহ্‌র দ্বীনে দলে দলে প্রবেশ করছে; 

فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَ اسْتَغْفِرْهُﳳ-اِنَّهٗ كَانَ تَوَّابًا۠(۳) 
110:3 তখন   আপন রবের  প্রশংসাকারী অবস্থায় তার পবিত্রতা   বর্ণনা   করুন   এবং   তার   থেকে   ক্ষমা   চান।  নিশ্চয় তিনি অত্যন্ত তাওবা কবূলকারী। 

সূরা আল কাফিরূন (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।
قُلْ یٰۤاَیُّهَا الْكٰفِرُوْنَۙ(۱)
109:1 আপনি বলুন, ‘হে কাফিরগণ! 

لَاۤ اَعْبُدُ  مَا تَعْبُدُوْنَۙ(۲)
109:2  আমি  ইবাদত  করি  না   যার   তোমরা  ইবাদত  করো, 

وَ لَاۤ اَنْتُمْ عٰبِدُوْنَ مَاۤ  اَعْبُدُۚ(۳)
109:3  এবং  না  তোমরা  ইবাদত  করো  যাঁর  ইবাদত  আমি করি, 

وَ لَاۤ اَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدْتُّمْۙ(۴)
109:4   এবং  না  আমি  ইবাদত  করবো  যাঁর    ইবাদত  তোমরা করছো। 

সূরা আল কাওছার (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

اِنَّاۤ اَعْطَیْنٰكَ الْكَوْثَرَؕ(۱)
108:1   হে  মাহবূব!  নিশ্চয়   আমি    আপনাকে  অসংখ্য গুণাবলী দান করেছি; 

فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَ انْحَرْؕ(۲)
108:2  সুতরাং   আপনি   আপনার   রবের   জন্য   নামায পড়ুন এবং ক্বোরবানী করুন । 

اِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْاَبْتَرُ۠(۳) 
108:3 নিশ্চয়   যে আপনার শত্রু, সে-ই সকল  কল্যাণ  থেকে বঞ্চিত।

সূরা আল মাঊন (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

اَرَءَیْتَ الَّذِیْ یُكَذِّبُ بِالدِّیْنِؕ(۱)
107:1 আচ্ছা, দেখুন তো! যে দ্বীনকে অস্বীকার করে,

فَذٰلِكَ الَّذِیْ یَدُعُّ الْیَتِیْمَۙ(۲)
107:2   সুতরাং   সে   হচ্ছে   ওই   ব্যক্তি,   যে   এতিমকে  ধাক্কা দেয়। 

وَ  لَا  یَحُضُّ عَلٰى  طَعَامِ الْمِسْكِیْنِؕ(۳)
107:3    এবং    মিসকীনকে    আহার    দেওয়ার      প্রেরণা প্রদান করে না। 
فَوَیْلٌ لِّلْمُصَلِّیْنَۙ(۴)
107:4 সুতরাং ওই নামাযীদের জন্য দুর্ভোগ রয়েছে;

সূরা কুরাইশ (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।
لِاِیْلٰفِ      قُرَیْشٍۙ(۱)
106:1    এ    জন্য    যে,    ক্বোরাঈশকে    আকর্ষণ    প্রদান  করেছেন

اٖلٰفِهِمْ رِحْلَةَ  الشِّتَآءِ وَ الصَّیْفِۚ(۲)
106:2 তাদের শীতকাল ও গ্রীষ্মকাল উভয়ের সফরের মধ্যে আকর্ষণ প্রদান করেছেন। 

فَلْیَعْبُدُوْا رَبَّ هٰذَا الْبَیْتِۙ(۳)
106:3 তাই তাদের উচিত যেন তারা এ ঘরের ইবাদত করে,

সূরা আল ফীল (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

اَلَمْ تَرَ   كَیْفَ   فَعَلَ رَبُّكَ  بِاَصْحٰبِ  الْفِیْلِؕ(۱)
105:1 হে মাহবূব! আপনি কি দেখেন নি আপনার রব ওই হস্তী আরোহী বাহিনীর কি অবস্থা করেছেন? 

اَلَمْ یَجْعَلْ  كَیْدَهُمْ  فِیْ        تَضْلِیْلٍۙ(۲)
105:2    তাদের     চক্রান্তগুলোকে     কি    ধ্বংসের     মধ্যে  নিক্ষেপ করেন নি? 

وَّ اَرْسَلَ عَلَیْهِمْ طَیْرًا  اَبَابِیْلَۙ(۳)
105:3    এবং  তাদের   উপর  পাখির    ঝাঁকসমূহ  প্রেরণ করেছেন; 

تَرْمِیْهِمْ بِحِجَارَةٍ  مِّنْ سِجِّیْلٍ(۴)
105:4        যেগুলো        তাদেরকে        কঙ্কর-পাথর        দিয়ে  মারছিলো।

সূরা আল ফাতিহা (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

اَلْحَمْدُ لِله     رَبِّ الْعٰلَمِیْنَۙ(۱)
1:1 সমস্ত  প্রশংসা  আল্লাহর  প্রতি, যিনি  মালিক  সমস্ত  জগদ্বাসীর;

الرَّحْمٰنِ  الرَّحِیْمِۙ(۲)
1:2 পরম দয়ালু, করুণাময়;

مٰلِكِ  یَوْمِ  الدِّیْنِؕ(۳)
1:3 প্রতিদান দিবসের মালিক।

اِیَّاكَ نَعْبُدُ   وَ اِیَّاكَ نَسْتَعِیْنُؕ(۴)
1:4     আমরা     তোমারই    ইবাদত     করি     এবং তোমারই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি!

রবিবার, ১০ মে, ২০২০

গরম থেকে বেঁচে থাকার মাদানী ফুল

গ্রীষ্মকাল একটি নেয়ামত

اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ عَزَّوَجَلّ! গ্রীষ্মকালও আল্লাহ্ তাআলার পক্ষ থেকে নেয়ামত স্বরূপ আর এর মধ্যে অসংখ্য হিকমত রয়েছে। গরমের তীব্রতা যখন বেড়ে যায়, তখন ধৈর্য ধারণ করা উচিত। ঠান্ডা ও গরমকে মন্দ বলা বড়ই দোষনীয় ব্যাপার। গরমের মৌসুমের ব্যাপারে অভিযোগকারী বস্তুত গরম সৃষ্টিকারীর প্রতি অভিযোগ করছে আর যেন বলছে, দেখো! আল্লাহ্ তাআলা গরমের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন!

আগুন দেখে অজ্ঞান হয়ে গেলো! (ঘটনা)

মু’মিন বান্দাকে গরমের তীব্রতা থেকে শিক্ষা গ্রহন করা উচিত। দুনিয়াবী গরমের মাধ্যমে কিয়ামতের দিনের গরমের তীব্রতা এবং জাহান্নামের বিভীষিকাময় আগুনের কথা স্মরণ করা উচিত। আজকে যখন দুনিয়ার সামান্য এই গরম সহ্য করা যাচ্ছে না, তবে কাল কিয়ামতের দিনের বিভীষিকাময় গরম ও আগুনের তাপ কিভাবে সহ্য করতে পারবে!

শনিবার, ৯ মে, ২০২০

মিস্ওয়াকের ২০টি মাদানী ফুল


প্রথমে দু’টি হাদীস শরীফ লক্ষ্য করুন:
১। মিস্ওয়াক করে দুই রাকাত নামায আদায় করা মিস্ওয়াক ছাড়া ৭০রাকাতের চেয়ে উত্তম। (আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, ১ম খন্ড, ১০২ পৃষ্ঠা, হাদীস- ১৮)।
২। মিস্ওয়াকের ব্যবহার নিজের জন্য আবশ্যক করে নাও কেননা, তাতে মুখের পরিচ্ছন্নতা এবং আল্লাহ্ তাআলার সন্তুষ্টির মাধ্যম রয়েছে। (মুসনাদে ইমাম আহমদ বিন হাম্বল, ২য় খন্ড, ৪৩৮ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৫৮৬৯)।
৩। দা’ওয়াতে ইসলামীর প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান মাকতাবাতুল মদীনা থেকে প্রকাশিত উর্দূ কিতাব “বাহারে শরীয়াত” প্রথম খন্ডের ২৮৮পৃষ্ঠায় সদরুশ শরীয়া, বদরুত তরীকা, হযরত আল্লামা মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ আমজাদ আলী আযমী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ লিখেন: মাশায়েখে কেরাম বলেন: “যে ব্যক্তি মিস্ওয়াকে অভ্যস্থ হয়, মৃত্যুর সময় তার কলেমা পড়া নসীব হয় এবং যে আফিম (এক প্রকার নেশার বস্তু) খায়, মৃত্যুর সময় তার কলেমা নসীব হবে না।”

ক্ষমা ও মার্জনার ফযীলত


মাদানী আকা  এর ক্ষমা প্রদর্শনের অনুপম দৃষ্টান্ত

হযরত  সায়্যিদুনা  আনাসرَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ  থেকে  বর্ণিত,  তিনি বলেন: একদা আমি নবী করীম, রউফুর রহীম  صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সাথে কোথাও যাচ্ছিলাম,আর তিনি  صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم   একটি নজরানি চাদর পরিধান করেছিলেন যার আঁচল মোটা অমসৃন ছিল হঠাৎ এক বেদুঈন (অর্থাৎ  আরবের  গ্রাম্য লোক)  তাঁর صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّ  চাদর মোবারক ধরে এমন জোরে টান দিল যার ফলে রাসুলে করীম صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর গর্দান মোবারকে চাদরের আঁচলের আঁচড় পড়ে গিয়েছিল সে বেদুঈন বলল: আল্লাহ্ তাআলার যে সম্পদ আপনার নিকট আছে, আপনি আদেশ দিন যাতে তা থেকে কিছু  আমিও  পাই  রহমতে  আলম  صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم  তার  দিকে ফিরলেন এবং মুচকি হাসলেন অতঃপর তাকে কিছু মাল দেয়ার জন্য আদেশ দিলেন (সহীহ বুখারী, ২য় খন্ড, ৩৫৯ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ৩১৪৯)

ফয়যানে লাইলাতুল ক্বদর (পর্ব-২)

এক হাজার শাহজাদা

সূরা ক্বদরের অন্য এক শানে নুযুল হচ্ছে, প্রসিদ্ধ তাবেঈ হযরত সায়্যিদুনা কাবুল আহবার رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বনী ইস্রাঈলে এক সৎচরিত্রবান বাদশাহ ছিলেন। আল্লাহ ওই যুগের নবী عَلَيْهِ السَّلَام এর প্রতি ওহী প্রেরণ করেন, অমুককে বলো, তার কি ইচ্ছা তা পেশ করতে। যখন তিনি সংবাদ পেলেন, তখন আরয করলেন, হে আমার মালিক! আমার আকাঙ্খা হচ্ছে, আমি আমার সমস্ত সম্পদ, সন্তান ও প্রাণ দিয়ে জিহাদ করবো। আল্লাহ তাআলা তাকে এক হাজার পুত্র সন্তান দান করলেন। সে তার একেকজন শাহজাদাকে তার সম্পদ সহকারে যুদ্ধযাত্রার জন্য প্রস্তুত করলেন। তারপর তাদেরকে আল্লাহ তাআলার রাস্তায় মুজাহিদ বানিয়ে প্রেরণ করতেন। সে এক মাস জিহাদ করতো এবং শহীদ হয়ে যেতো।

বুধবার, ৬ মে, ২০২০

মিসওয়াকের ফযীলত ও মিসওয়াক করার পদ্ধতি


কখন মিসওয়াকের সাওয়াব পাওয়া যাবে না!

প্রত্যেক আমল তার নিয়্যতের উপর নির্ভরশীল: ভাল নিয়্যত না হলে তার সাওয়াব পাওয়া যায় না। সুতরাং মিসওয়াক করার সময় এরূপ নিয়্যত করে নিন: “সুন্নাতের সাওয়াব অর্জনের জন্য মিসওয়াক করবো এবং এর দ্বারা যিকির ও দরূদ এবং কোরআন তিলাওয়াত করার জন্য মুখ পরিষ্কার করবো।”

মিসওয়াক সম্পর্কিত ১০টি হাদীস শরীফ

১: মিস্ওয়াক সহকারে দুই রাকাত নামায আদায় করা মিস্ওয়াক ছাড়া ৭০ রাকাতের চেয়ে উত্তম। (আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, ১/১০২, হাদীস- ১৮)

রবিবার, ৩ মে, ২০২০

রাগের চিকিৎসা :রাগ দমন করার ফযীলত (প্রথম অংশ)


শয়তানের তিনটি ফাঁদ

হযরত সায়্যিদুনা ফকীহ আবুল লাইছ সমরকন্দী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ “তাম্বীহুল গাফেলীন” নামক কিতাবে বর্ণনা করেন, হযরত সায়্যিদুনা ওয়াহাব বিন মুনাব্বিহ رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বলেন, একদা বনী ঈসরাইলের একজন বুযুর্গ কোথাও তাশরীফ নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে একটি স্থানে হঠাৎ পাথরের একটি বিশাল খন্ড উপরের দিক হতে মাথার নিকটে এসে পৌঁছল। তৎক্ষণাৎ তিনি আল্লাহ তাআলার যিকির আরম্ভ করে দিলেন। ফলে পাথরের খন্ডটি দূরে সরে গেল। অতঃপর ভয়ানক বাঘ ও হিংস্র জন্তু সমূহ প্রকাশ হতে লাগল।কিন্তু বুযুর্গ ব্যক্তিটি رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ ভীত না হয়ে আল্লাহ তা’আলার যিকিরে রত রইলেন। যখন ঐ বুযুর্গ নামাযে মশগুল হয়ে গেলেন তখন একটি সাপ এসে পায়ের সাথে জড়িয়ে গেল। এমনকি সাপটি পায়ের দিক হতে পেচাতে পেচাতে মাথা পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছল। যখন ঐ বুযুর্গ رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ সিজদা করার ইচ্ছা করতেন তখন ঐ সাপ চেহারার সাথে পেচিয়ে যেত। সিজদার জন্য মাথা ঝুঁকাতেই সে সাপ সিজদার জায়গায় (ঐ বুযুর্গকে) ভক্ষণ করার জন্য মুখ খুলে দিত। কিন্তু এতদসত্ত্বেও ঐ বুযুর্গ সে সাপকে সরিয়ে দিয়ে সিজদা করতে সফল হয়ে যেতেন। যখন নামায শেষ হল শয়তান প্রকাশ্যভাবে সামনে এসে উপস্থিত হল এবং বলতে লাগল, এই সমস্ত কাজগুলো আমিই করেছিলাম। আপনি খুবই সাহসী। আমি আপনার আচরণে খুবই প্রভাবিত হয়েছি। সুতরাং আমি এটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আপনাকে আর কখনো ধোঁকা দেব না। দয়া করে আপনি আমার সাথে বন্ধুত্ব করে নিন। ঐ বনী ইসরাঈলী বুযুর্গ শয়তানের এ আক্রমনকেও প্রতিহত করলেন এবং বললেন, তুই আমাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছিলি কিন্তু اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ عَزَّوَجَلّ আমি ভয় পায়নি। আর আমি কখনো তোর সাথে বন্ধুত্ব করবো না। শয়তান বলল, ঠিক আছে। অন্তত আপনি এটা জেনে নিন, আপনার ইন্তিকালের পর আপনার পরিবার বর্গের অবস্থা কেমন হবে? ঐ বুযুর্গ رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বললেন: তোর থেকে জানার আমার কোনো প্রয়োজন নেই, শয়তান বলল, তাহলে এটা জেনে নিন, আমি লোকদের কিভাবে ধোকা দিয়ে থাকি। তিনি বললেন, হ্যাঁ এটা বলে দাও। শয়তান বলল,আমার তিন ধরনের ফাঁদ আছে।

পোস্ট শ্রেণি

অযু-গোসল-পবিত্রতা (12) আপডেট চলমান (25) আমাদের কথা ও অন্যান্য বিষয়াবলী (6) আমাদের প্রিয় নবী ﷺ (4) আরবি মাস ও ফযীলত (11) ইসলামী ইতিহাস ও শিক্ষনীয় ঘটনা (4) ইসলামী জীবন ও সুন্দর চরিত্র (4) ঈদ-কাযা-জানাযা-তারাবী-নফল ও অন্যান্য নামায (5) উত্তম আমল ও সাওয়াবের কাজ (4) কুরআন-তাফসীর ও হাদিস (16) কুরবানী (6) চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য কথন (14) জিকির-দোআ-দুরূদ ও ফযীলত (8) নবী-সাহাবী ও আওলিয়াদের জীবনী (8) নামায (17) পর্দা ও লজ্জাশীলতা (16) ফয়যানে জুমা (3) বদ আমল ও গুনাহের কাজ (2) মওত-কবর-হাশর ও আযাব (12) মাসআলা-মাসাইল ও প্রশ্নোত্তর (4) মাসাইল (30) যাকাত-ফিতরা ও সদক্বাহ'র বিধান (1) রোযা/রমযানের বিধান ও ফযীলত (9) সুন্নাত ও আদব/ মাদানী ফুল (38) হজ্ব-ওমরাহ ও যিয়ারতে মদিনা (27)

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন