আপডেট
স্বাগতম! ইসলামিক সঠিক জ্ঞান নিয়ে ”ইসলামী জীবন” আপনার পাশে। নিয়মিত ভিজিট করুন, দেখুন বিষয়ভিত্তিক পোস্টগুলো আর শিখতে থাকুন... হোয়াটসেপ সার্ভিসে জয়েন হতে “Post” লিখে সেন্ড করুন এই “01511993330” হোয়াটসেপ নাম্বারে। আমাদের ওয়েবসাইট www.islamijibon.net । ধন্যবাদ!
বাংলা ভাষায় অলাভজনক বৃহত্তম ইসলামিক ওয়েবসাইট বানানোর প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে ইসলামী জীবন টিম। আসছে মোবাইল অ্যাপলিকেশন... সাইট www.islamijibon.net
ঈদ-কাযা-জানাযা-তারাবী-নফল ও অন্যান্য নামায লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ঈদ-কাযা-জানাযা-তারাবী-নফল ও অন্যান্য নামায লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

ইস্তিখারা কি ও ইস্তিখারার নামাযের পদ্ধতি

ইস্তেখারার শিক্ষা দিতেন

মদীনার তাজেদার, হুযুরে আনওয়ার صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم লোকদেরকে গণনার পরিবর্তে ইস্তেখারার শিক্ষা দিয়েছেন। সুতরাং হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ থেকে বণির্ত , রাসূলে আকরম, নূরে মুজাসসাম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কোরআনের সূরা শিক্ষা দেওয়ার ন্যায় আমাদেরকে যে কোন বিষয়ে ইস্তেখারা করার শিক্ষা দিতেন। (বুখারী, কিতাবুত তাহাজ্জুদ, বাবু মা’জা ফিত তাতউয়ি মাছনা মাছনা, ১/ ৩৯৩, হাদীস- ১১৬২)

প্রসিদ্ধ মুফাসসির, হাকীমুল উম্মত হযরত মুফতী আহমদ ইয়ার খান رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ হাদীস শরীফটির আলোকে লিখেন: ইস্তেখারা মানে হলো মঙ্গল কামনা করা বা কারো নিকট হতে ভাল পরামর্শ গ্রহণ করা। যেহেতু ইস্তেখারার নামাযে এবং দোয়ায় বান্দা যেনো স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার নিকট পরামর্শ চায় যে, অমুক কাজটি করবো কি করবো না! তাই একে ইস্তেখারা বলা হয়। (মিরাতুল মানাজীহ, ২/ ৩০১)

রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

জানাযা নামাযের পদ্ধতি ও গায়েবানা জানাযার বিধান (পর্ব ২)

জানাযার নামাযের পদ্ধতি (হানাফী) 

মুক্তাদী  এভাবে   নিয়্যত  করবে:    আমি   আল্লাহর  ওয়াস্তে  এই  ইমামের  পিছনে  এই  মৃত  ব্যক্তির  দোয়ার জন্য  এই  জানাযার  নামাযের  নিয়্যত    করছি।    (ফতোওয়ায়ে    তাতারখানিয়্যাহ,    ২য়  খন্ড,  ১৫৩  পৃষ্ঠা) এবার      মুক্তাদী  ও      ইমাম উভয়ে প্রথমে কান পর্যন্ত হাত উঠাবেন এবং اَللهُ اَكْبَرُ বলে দ্রুত নিয়মানুযায়ী নাভীর নিচে  হাত বেঁধে নিবেন এবং সানা পড়বেন। সানা পড়ার সময় وَ تَعَالٰى جَدُّكَ এরপর وَجَلَّ ثَنَاءُكَ وَ لَآ اِلٰهَ غَيْرُكَ ط পড়বেন। অতঃপর হাত উঠানো ব্যতীত   اَللهُ   اَكْبَرُ   বলবেন,   অতঃপর   দুরূদে  ইবরাহীম পড়বেন,    এরপর    হাত   না   উঠিয়ে আবার   اَللهُ   اَكْبَرُ    বলবেন    এবং   দোয়া   পাঠ করবেন   (ইমাম    সাহেব  তাকবীর   সমূহ    উচ্চ আওয়াজে  বলবেন    আর  মুক্তাদীগণ   নিম্নস্বরে। বাকী  দোয়া, যিকির  আযকার ইত্যাদি ইমাম ও মুক্তাদী সকলেই নিম্নস্বরে পাঠ করবেন।) দোয়া পাঠ  শেষে  পুনরায়  اَللهُ  اَكْبَرُ     বলবেন এবং  হাত     ছেড়ে    দিবেন,     অতঃপর     উভয়    দিকে সালাম            ফিরাবেন।সালামে            মৃত            ব্যক্তি ফেরেশতাগণ             এবং             নামাযে             উপস্থিত ব্যক্তিবর্গদের   নিয়্যত  করবেন।    ঐভাবে  যেমন অন্যান্য নামাযের   সালামে   নিয়্যত   করা    হয়,  এখানে  এতটুকু  কথা      বেশি  যে  মৃত  ব্যক্তিরও নিয়্যত  করবেন। (বাহারে  শরীয়াত,  ১ম  খন্ড,  ৮২৯, ৮৩৫ পৃষ্ঠা) 

বালিগ (প্রাপ্ত বয়স্ক)  পুরুষ  ও মহিলার জানাযার দোয়া


اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَ مَيِّتِنَا وَ  شَاهِدِنَا وَ غَآئِبِنَا وَ صَغِيْرِنَا  وَ  كَبِيْرِنَا   وَ  ذَكَرِنَا    وَ  اُنْثٰنَا  ط  اَللّٰهُمَّ  مَنْ  اَحْيَيْتَهٗ مِنَّا فَاَ حْيِهٖ عَلَى الْاِسْلَامِ وَ  مَنْ تَوَفَّيْتَهٗ  مِنَّا فَتَوَفَّهٗ عَلَى الْاِيْمَان

অনুবাদ: হে  আল্লাহ! ক্ষমা   করে দাও আমাদের প্রত্যেক       জীবিতকে      ও      আমাদের      প্রত্যেক  মৃতকে,     আমাদের     প্রত্যেক        উপস্থিতকে      ও প্রত্যেক অনুপস্থিতকে, আমাদের ছোটদেরকে ও আমাদের  বড়দেরকে,  আমাদের  পুরুষদেরকে  ও   আমাদের   নারীদেরকে।    হে   আল্লাহ!    তুমি  আমাদের   মধ্যে   যাকে    জীবিত   রাখবে    তাকে ইসলামের   উপর  জীবিত রাখো।আর আমাদের  মধ্যে   যাকে  মৃত্যু দান করবে, তাকে    ঈমানের উপর মৃত্যু দান করো। (আল মুসতাদরাক লিল  হাকিম, ১ম খন্ড, ৬৮৪ পৃষ্ঠা, হাদীস-১৩৬৬)

জানাযা নামাযের বিধান ও মাসআলা (পর্ব ১)

আল্লাহর ওলীর জানাযায় অংশগ্রহণ করার বরকত

এক ব্যক্তি হযরত সায়্যিদুনা সারী সাকতী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ এর জানাযার নামাযে অংশগ্রহণ করলেন। রাতে ঐ ব্যক্তির স্বপ্নে হযরত সায়্যিদুনা সারী সাকতী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ   এর যিয়ারত নসীব হলো। তখন তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: مَا فَعَلَ اللهُ بِكَ؟ অর্থাৎ-আল্লাহ্ তাআলা আপনার সাথে কিরূপ আচরণ করেছেন?

উত্তর দিলেন: আল্লাহ্ তাআলা আমাকে এবং আমার জানাযার নামাযে অংশগ্রহণকারী সবাইকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। ঐ ব্যক্তি আরয করলো: ইয়া সায়্যিদী! আমিওতো আপনার জানাযায় অংশগ্রহণ করে জানাযার নামায আদায় করেছিলাম। তখন তিনি رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ  একটি তালিকা বের করলেন কিন্তু এতে ঐ ব্যক্তির নাম অন্তর্ভূক্ত ছিলো না, যখন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখলেন তখন দেখা গেলো, তার নাম তালিকার পার্শ্বটিকাতে ছিলো। (তারিখে দামেশক লিইবনে আসাকির, ২০তম খন্ড, ১৯৮ পৃষ্ঠা) আল্লাহ্ তাআলার রহমত তাঁর উপর বর্ষিত হোক, আর তাঁর সদকায় আমাদের বিনা হিসেবে ক্ষমা হোক। 

  اٰمِين بِجا  هِ  النَّبِىِّ الْاَمين صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم 

صَلُّوا عَلَى الحَبِيب ! صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد
 

বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

নামাযের ফযিলত ও কাযা করার শাস্তি

মদীনার         তাজেদার,           মাহবুবে          গাফ্ফার, শাহানশাহে আবরার, হুযুর পুরনূর صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ   وَاٰلِہٖ  وَسَلَّم  নামাযের    পর  হামদ   ও  সানা অর্থাৎ   আল্লাহ্ তাআলার   প্রশংসা, গুণকীর্তন ও দরূদ     শরীফ       পাঠকারীকে      ইরশাদ     করেন: “দোয়া   করো    কবুল  করা  হবে,  প্রার্থনা  করো  প্রদান করা হবে।” (সুনানে    নাসাঈ,  ১ম   খন্ড, ১৮৯ পৃষ্ঠা) 

صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ تَعَالٰی عَلٰی مُحَمَّد

প্রিয়  ইসলামী  ভাইয়েরা!  কুরআন  ও  হাদীসের  মধ্যে    নামায  আদায়  করার     অগণীত  ফযীলত এবং   নামায  বর্জন      করার  কঠিন   শাস্তির  কথা বর্ণিত        রয়েছে।         যেমন-পারা          ২৮         ‘সূরা মুনাফিকুন’ এর আয়াত নং ৯ এর মধ্যে আল্লাহ্ তাআলা ইরশাদ করেন:
یٰۤاَیُّہَا   الَّذِیۡنَ    اٰمَنُوۡا   لَا   تُلۡہِکُمۡ   اَمۡوَالُکُمۡ    وَ    لَاۤ اَوۡلَادُکُمۡ عَنۡ ذِکۡرِ اللّٰہِ  ۚ   وَ مَنۡ یَّفۡعَلۡ ذٰلِکَ فَاُولٰٓئِکَ  ہُمُ الۡخٰسِرُوۡنَ ﴿۹﴾

কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: হে ঈমানদারগণ! তোমাদের         ধন         সম্পদ,         না           তোমাদের সন্তান-সন্ততি     কোন     কিছুই     যেন      তোমাদের  আল্লাহর   যিকির      (স্মরণ)    থেকে   উদাসীন   না  করে;এবং  যে   কেউ তেমন  করে তবে ঐ  সমস্ত লোক ক্ষতির মধ্যে রয়েছে।

রবিবার, ২৫ জুন, ২০১৭

ঈদের নামাযের পদ্ধতি

অন্তর জীবিত থাকবে

মদীনার   তাজেদার,   রাসূলদের   সরদার,   হুযুর  পুরনূর  صَلَّی   اللّٰہُ  تَعَالٰی  عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ  وَسَلَّم  ইরশাদ  করেন:   “যে         ব্যক্তি    দুই ঈদের        রাতে (অর্থাৎ-ঈদুল    ফিতর    ও    ঈদুল    আযহার   রাত দু’টিতে) সাওয়াব লাভের উদ্দেশ্যে জেগে থেকে ইবাদত করেছে,  তার  অন্তর  ঐ  দিন  মরবেনা,  যেদিন   মানুষের    অন্তর    মরে   যাবে।”      (ইবনে মাজাহ, ২য় খন্ড, ৩৬৫ পৃষ্ঠা হাদীস নং-১৭৮২, দারুল মারেফা বৈরুত)

জান্নাত ওয়াজীব হয়ে যায়

অন্য   এক   জায়গায়   হযরত   সায়্যিদুনা   মু‘আয  বিন    জাবাল   رَضِیَ   اللّٰہُ  تَعَالٰی  عَنْہُ  বলেন:  “যে ব্যক্তি পাঁচটি    রাতে জেগে  থাকে (অর্থাৎ-জেগে সারা রাত ইবাদতে  কাটায়) তার জন্য   জান্নাত  ওয়াজীব     হয়ে    যায়।   (সে  রাতগুলো  হলো, ) যিলহজ্জ শরীফের ৮,  ৯  ও ১০ তারিখের রাত, (তিন   রাততো  এভাবে  হলো)   আর ৪র্থ রাতটি হলো   ঈদুল   ফিতরের রাত   এবং     ৫ম   রাতটি হলো  শাবানের   ১৫  তারিখ  রাত   (অর্থাৎ-শবে  বরাত)  ।  (আত্তারগীব  ওয়াত্তারহীব,  ২য়  খন্ড, ৯৮ পৃষ্ঠা, হাদীস নং-২)

ঈদের   নামাযের   উদ্দেশ্যে    যাওয়ার    পূর্বেকার  সুন্নাত

হযরত  সায়্যিদুনা  বুরাইদা  رَضِیَ  اللّٰہُ  تَعَالٰی  عَنْہُ  থেকে  বর্ণিত;   নবীয়ে  রহমত,   শফীয়ে    উম্মত, তাজেদারে রিসালাত, হুযুর صَلَّی  اللّٰہُ  تَعَالٰی  عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ    وَسَلَّم    ঈদুল    ফিতরের    দিন    কিছু    খেয়ে  নামাযের উদ্দেশ্যে তাশরীফ নিয়ে যেতেন। আর ঈদুল আযহার দিন  নামায শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু   খেতেন   না।   (তিরমিযী,    ২য়   খন্ড,    ৭০ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৫৪২, দারুল ফিকর বৈরুত) বুখারী শরীফের বর্ণনায় হযরত  সায়্যিদুনা আনাস رَضِیَ اللّٰہُ تَعَالٰی عَنْہُ থেকে বর্ণিত; হুযুর صَلَّی  اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ  وَسَلَّم  ঈদুল  ফিতরের  দিন  কয়েকটি  খেজুর  না খেয়ে  (নামাযের উদ্দেশ্যে) তাশরীফ  নিয়ে     যেতেন     না।      আর খেজুরের        সংখ্যা বিজোড় হতো। (বুখারী শরীফ, ১ম খন্ড, ৩২৮ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৯৫৩)

পোস্ট শ্রেণি

অযু-গোসল-পবিত্রতা (12) আপডেট চলমান (25) আমাদের কথা ও অন্যান্য বিষয়াবলী (6) আমাদের প্রিয় নবী ﷺ (4) আরবি মাস ও ফযীলত (11) ইসলামী ইতিহাস ও শিক্ষনীয় ঘটনা (4) ইসলামী জীবন ও সুন্দর চরিত্র (4) ঈদ-কাযা-জানাযা-তারাবী-নফল ও অন্যান্য নামায (5) উত্তম আমল ও সাওয়াবের কাজ (4) কুরআন-তাফসীর ও হাদিস (16) কুরবানী (6) চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য কথন (14) জিকির-দোআ-দুরূদ ও ফযীলত (8) নবী-সাহাবী ও আওলিয়াদের জীবনী (8) নামায (17) পর্দা ও লজ্জাশীলতা (16) ফয়যানে জুমা (3) বদ আমল ও গুনাহের কাজ (2) মওত-কবর-হাশর ও আযাব (12) মাসআলা-মাসাইল ও প্রশ্নোত্তর (4) মাসাইল (30) যাকাত-ফিতরা ও সদক্বাহ'র বিধান (1) রোযা/রমযানের বিধান ও ফযীলত (9) সুন্নাত ও আদব/ মাদানী ফুল (38) হজ্ব-ওমরাহ ও যিয়ারতে মদিনা (27)

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন