আপডেট
স্বাগতম! ইসলামী জীবন ব্লগে নিয়মিত ভিজিট করুন আর শিখুন ইসলামীক জ্ঞান। শেয়ার করুন আপনার সোস্যাল সাইটে। প্রয়োজনে লাইভ চ্যাটের সহায়তা নিন। হোয়াটসঅ্যাপে ইসলামীক পোষ্ট পেতে +880 1946 13 28 62 নাম্বারে Post লিখে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দিন। ধন্যবাদ!
বাংলা ভাষায়, অলাভজনক, বৃহত্তম ইসলামীক ওয়েবসাইট বানানোর প্রত্যয়ে “ইসলামী জীবন“ কাজ করে যাচ্ছে। www.islamijibon.net
Showing posts with label অযু-গোসল-পবিত্রতা. Show all posts
Showing posts with label অযু-গোসল-পবিত্রতা. Show all posts

Saturday, September 15, 2018

প্রশ্নোত্তর (বয়ান করা, ওয়াজ নসীহত করা ও মহিলাদের ব্যক্তিগত বিষয়ে)

আলেম নন এমন কারো পক্ষে বয়ান করা হারাম

প্রশ্ন: কোন ইসলামী বোন যদি আলিমা না হয়ে থাকেন, তিনি কি ইসলামী বোনদের সুন্নাতে ভরা ইজতিমায় বয়ান করতে পারবেন?
উত্তর: যিনি যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন না, তিনি যেন দ্বীনি বয়ান না দেন। কেননা, আমার আক্বা আ’লা হযরত رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ ফতোওয়ায়ে রযবীয়ার ২৩তম খন্ডের ৩৭৮ পৃষ্ঠায় লিখেছেন: ওয়াজ বলুন আর যে কোন ধরনের কথাবার্তাই বলুন- এতে সব চেয়ে প্রথম কথা হল আল্লাহ্ তাআলা ও তাঁর রাসুল صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم وَ عَزَّوَجَلّ এর অনুমতি। যে ব্যক্তি যথেষ্ট জ্ঞানের মালিক নন, তার পক্ষে ওয়াজ করা হারাম। সেই ব্যক্তির ওয়াজ শোনাও জায়েয নেই। কেউ যদি مَعَاذَ الله عَزَّوَجَل বদ-মাযহাবী হয়ে থাকে, তাহলে সে তো শয়তানেরই প্রতিনিধি। তার কথা শোনা তো জঘন্য ধরনের হারাম। (মসজিদে বয়ান দেবার ক্ষেত্রে তাকে বাধাঁ প্রদান করতে হবে)। আবার কারো বয়ান দ্বারা যদি ফিতনা সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাহলে তাকেও ইমাম সাহেব সহ মসজিদের উপস্থিত লোকজন বাধাঁ দেবার হক রাখেন। আর যদি বিশুদ্ধ আকীদাসম্পন্ন পরিপূর্ণ সুন্নী আলেমে দ্বীন ওয়াজ করে থাকেন, তাহলে তাঁকে বাধাঁ দেবার অধিকার কেউ রাখে না। যেমন: মহান আল্লাহ তাআলা দ্বিতীয় পারার সূরা বাকারায় ১১৪ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেছেন:

وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّن مَّنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَن يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُہٗ

কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: কোন্ ব্যক্তি তার চেয়ে অধিক অত্যাচারী যে আল্লাহর মসজিদ সমূহে তাঁর নাম নেওয়ায় বাধাঁ প্রদান করে। (পারা: ২, সূরা: আল বাকারা, আয়াত: ১১৪) (ফতোওয়ায়ে রজবীয়া, ২৩তম খন্ড, ৩৭৮ পৃষ্ঠা)

Sunday, July 30, 2017

তায়াম্মুমের বর্ণনা

তায়াম্মুমের    ফরয    সমূহ

তায়াম্মুমের    ফরয  তিনটি       যথা:     
(১)    নিয়্যত    করা,    
(২)     সমস্ত মুখমন্ডল মাসেহ করা, 
(৩) কনুইসহ উভয় হাত মাসেহ    করা।    (বাহারে    শরীয়াত,    ১ম    খন্ড,  ৩৫৩-৩৫৫ পৃষ্ঠা)

তায়াম্মুমের ১০টি সুন্নাত

(১) بِسْمِ الله পাঠ করা, 
(২) উভয় হাত মাটিতে  মারা, 
(৩) উভয় হাত মাটিতে মারার পর প্রথমে উভয় হাত   সামনের দিকে নিয়ে পরে  পিছনের  দিকে ফিরিয়ে  আনা। 
(৪)  মাটিতে   হাত  মারার সময় আঙ্গুল সমূহ   ফাঁক  রাখা,  
(৫)  উভয় হাত মাটি থেকে   উঠানোর পর   ঝেড়ে ফেলা অর্থাৎ এক  হাতের   বৃদ্ধাঙ্গুলির   গোঁড়া  অপর হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলির       গোঁড়ার         সাথে        আঘাত       করে ধুলা-বালি  ঝেড়ে  ফেলা।  তবে  আঘাত  করার  সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন তালির আওয়াজ না  হয়,   
(৬)  প্রথমে    মুখমন্ডল    তারপর   উভয় হাত মাসেহ করা, 
(৭) মুখমন্ডল মাসেহ   করার সাথে    সাথেই     হাত    মাসেহ     করা,    মাঝখানে বিরতি গ্রহণ না করা, 
(৮) প্রথমে ডান হাত তার পর   বাম হাত মাসেহ করা,  
(৯)  দাঁড়ি  খিলাল করা,

Saturday, July 29, 2017

পবিত্রতা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ মাসাইল

কোরআন  শরীফ  পড়া  বা   স্পর্শ   করার  দশটি আদব

পবিত্রতা বিষয়ক আরো পড়ুন প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব
(১) যার উপর গোসল ফরয তার জন্য মসজিদে প্রবেশ করা, তাওয়াফ করা,   কোরআন    শরীফ স্পর্শ করা,  কোরআন শরীফ স্পর্শ না করে এর কোন   আয়াত  বা  সূরা  মুখস্থ   পড়া,  কোরআন শরীফের কোন আয়াত লিখা, আয়াতের তাবিজ লিখা (এটা ঐ অবস্থায় হারাম যখন কাগজ স্পর্শ করা  পাওয়া যাবে।    যাতে  আয়াতে   কোরআন  আছে  আর    যদি   কাগজ    স্পর্শ   না  করে  লিখে তাহলে     জায়েয) (অপ্রকাশিত      ফতোওয়ায়ে আহলে সুন্নাত)  এমন তাবিজ স্পর্শ  করা, এমন আংটি    স্পর্শ      করা     বা পরিধান     করা    যাতে কোরআন        শরীফের           আয়াত        বা        হুরুফে  মুকাত্তিয়াত  লিখিত  আছে সম্পূর্ণরূপে   হারাম।  (বাহারে  শরীয়াত, ১ম খন্ড, ৩২৬ পৃষ্ঠা) (মোম দ্বারা      জামানো,     প্ল্যাস্টিক      দ্বারা মোড়ানো   কাপড় বা চামড়াতে সেলাই করা তাবিজ স্পর্শ করলে বা গাঁয়ে দিলে কোন অসুবিধা নেই।)
 (২)  যদি কোরআন শরীফ জুজদানের (গিলাফ) মধ্যে    থাকে,   তাহলে    অযু   বা   গোসল    বিহীন অবস্থায় জুজদান   স্পর্শ    করলে  কোন  অসুবিধা নেই। (বাহারে শরীয়াত, ১ম খন্ড, ৩২৬   পৃষ্ঠা)

(৩) অনুরূপভাবে  অযু বা গোসলবিহীন অবস্থায় এমন কাপড় বা রুমাল দ্বারাও কোরআন শরীফ স্পর্শ   করা    জায়েয   যা   নিজের   বা     কোরআন শরীফের অধীনে নয়। (বাহারে শরীয়াত, ১ম খন্ড, ৩২৬   পৃষ্ঠা)

অযু ও বিজ্ঞান (পর্ব-৭)

অযুর রহস্য শুনার কারণে ইসলাম গ্রহণ

এক  ব্যক্তির  বর্ণনা:  “আমি  বেলজিয়ামে  কোন  এক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অমুসলিম শিক্ষার্থীকে ইসলামের     দাওয়াত দিলাম।       সে       জিজ্ঞাসা করলো:   “অযুর মধ্যে   কি কি বৈজ্ঞানিক রহস্য  আছে?” আমি নির্বাক হয়ে যাই। তাকে একজন আলিমের নিকট নিয়ে গেলাম কিন্তু তাঁর কাছেও এর  কোন জ্ঞান  ছিল  না।  অবশেষে  বিজ্ঞানের  জ্ঞান    রাখেন    এমন এক   ব্যক্তি    তাকে   অযুর যথেষ্ট সৌন্দর্য বর্ণনা করলো কিন্তু গর্দান মাসেহ করার     রহস্য   বর্ণনা   করতে    তিনিও অপারগ হলেন।  এরপর  সে  অমুসলীম  (বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী) চলে যায়। কিছু  দিন পর  এসে বলল, “আমাদের      প্রফেসর লেকচারের মাঝখানে  বলেছেন, “যদি  গর্দানের পৃষ্ঠদেশে  ও  দু’পার্শ্বে  দৈনিক কয়েক ফোটা  পানি  লাগিয়ে    দেয়া হয়  তাহলে    মেরুদন্ডের    হাড়  ও দূষিত     মজ্জার  সংক্রমণ  থেকে সৃষ্ট ব্যাধি সমূহ  থেকে  নিরাপদ থাকা যায়।”    এটা     শুনে অযুর    মধ্যে    গর্দান মাসেহ্   করার   রহস্য  আমার  বুঝে  এসে   যায়। অতএব  আমি মুসলমান  হতে  চাই    এবং  শেষ পর্যন্ত বাস্তবেই সে মুসলমান হয়ে গেলো।

صَلُّوْا عَلَی  الْحَبِیْب!          صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلٰی مُحَمَّد

পশ্চিম জার্মানীর সেমিনার

Monday, July 17, 2017

গোসল বিষয়ক মাসআলা মাসাইল-২

কখন গোসল করা সুন্নাত

গোসল বিষয়ক আরো পড়ুন প্রথম পর্ব তৃতীয় পর্ব
জুমার দিন, ঈদুল ফিতরের দিন, ঈদুল আযহার দিন, ৯ই জিলহজ্জ আরাফার দিন এবং  ইহরাম  বাধার সময় গোসল করা সুন্নাত। (ফতোওয়ায়ে আলমগিরী, ১ম খন্ড, ১৬ পৃষ্ঠা)

কখন গোসল করা মুস্তাহাব

(১)          আরাফায়          অবস্থানের          জন্য,          
(২)  মুযদালিফায়      অবস্থানের      জন্য,      
(৩)      হেরম  শরীফে  প্রবেশ  করার    জন্য,    
(৪)  নবী  করীম, রউফুর   রহীম,   রাসূলে   আমীন   صَلَّی   اللّٰہُ   تَعَالٰی  عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর রওজা মোবারক যিয়ারতের জন্য,  
(৫)  তাওয়াফ  করার  জন্য, 
(৬)  মিনাতে প্রবেশ     করার   জন্য,  
 (৭)   (১০,   ১১    ও   ১২ই জিলহজ্জ)    জমরাতে   কংকর    নিক্ষেপের   জন্য, 
(৮)    কদরের রাতে, 
(৯) বরাতের  রাতে, 
(১০) আরাফার    রাতে,    
(১১)  মীলাদ       শরীফের মাহফিলে অংশগ্রহণ করার জন্য, 
(১২) অন্যান্য মাহফিলে   অংশগ্রহণ   করার   জন্য,   
  (১৩)   মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেয়ার পর,

গোসলের পদ্ধতি- পর্ব ১

অনুপম শাস্তি

গোসল বিষয়ক আরো পড়ুন দ্বিতীয় পর্ব তৃতীয় পর্ব
হযরত  সায়্যিদুনা  জুনাইদ  বাগদাদী  رَحْمَۃُ  اللّٰہِ  تَعَالٰی  عَلَیْہِ  বলেন:  ইবনুল  কুরাইবী  رَحْمَۃُ  اللّٰہِ   تَعَالٰی     عَلَیْہِ     বর্ণনা করেন;     একবার     আমার  স্বপ্নদোষ হলো, আমি তখন গোসল করার ইচ্ছা পোষণ  করলাম।   প্রচন্ড শীতের  রাত   ছিলো।   তাই    আমার   নফস    আমাকে   পরামর্শ   দিলো:  “এখনও  রাতের  অনেকাংশ  বাকী আছে,  এত  তাড়াতাড়ি     করার     কী     প্রয়োজন?    সকালে প্রশান্ত মনে গোসল করে নিতে পারবে।”
আমি     তাড়াতাড়ি     আমার     নফসকে     একটি অনুপম শাস্তি দেয়ার শপথ করলাম।  তা  হলো: আমি প্রচন্ড শীতের মধ্যেই কাপড় সহ গোসল করব     এবং    গোসল    করার    পর    কাপড়     না নিংড়িয়ে ভিজা কাপড়েই থাকব এবং শরীরেই সে   ভিজা   কাপড়   শুকাব,   বাস্তবে   আমি   তাই  করলাম। যে দুষ্ট নফস আল্লাহ্ তাআলার কাজে অলসতা করার জন্য প্ররোচনা দিয়ে থাকে তার এরূপ        শাস্তিই        হয়ে        থাকে। (কিমিআয়ে  সাআদাত, ২য় খন্ড, ৮৯২ পৃষ্ঠা)

আল্লাহ তাআলার রহমত তাঁর উপর বর্ষিত হোক এবং তাঁর সদকায়  আমাদের ক্ষমা হোক। 
اٰمِين بِجا   هِ  النَّبِىِّ   الْاَمين     صَلَّی   اللہُ   تَعَالٰی  عَلَیْہِ   وَاٰلِہٖ وَسَلَّم  
প্রিয়   ইসলামী   ভাইয়েরা!    আপনারা    দেখলেন  তো! আমাদের পূর্ববর্তী বুযুর্গরা তাঁদের নফসের ধোঁকাবাজীকে দমন করার জন্য কত বড় বড় কষ্ট  সহ্য  করেছিলেন।  বর্ণিত  ঘটনা  থেকে  সে  সকল ইসলামী    ভাইদের     শিক্ষা    গ্রহণ     করা   উচিত,      যারা     রাতে      স্বপ্নদোষ      হওয়ার     পর পরকালের ভয়ানক লজ্জাকে ভুলে গিয়ে শুধুমাত্র পরিবারের    সদস্যদের     লজ্জায়     বা    অলসতার কারণে    গোসল   থেকে বিরত   থেকে   ফযরের নামাযের জামাআত নষ্ট করে। এমনকি আল্লাহর পানাহ! নামায পর্যন্তও কাযা করে ফেলে। যখন কোন      কারণে       গোসল      ফরয     হবে     তখনই আমাদের    গোসল   করে   নেয়া   উচিত। হাদীস শরীফে      বর্ণিত   আছে:   “ফিরিশতারা   সে   ঘরে প্রবেশ করে  না, যে ঘরে  ছবি,  কুকুর ও  জুনুবী ব্যক্তি (অর্থাৎ এমন ব্যক্তি যার উপর স্ত্রী সহবাস বা  স্বপ্নদোষ  বা  যৌন    উত্তেজনাবশত  বীর্যপাত হওয়ার কারণে গোসল ফরয হয়েছে)   রয়েছে। (সুনানে   আবু     দাউদ,   ১ম    খন্ড,   ১০৯   পৃষ্ঠা,  হাদীস-২২৭)

Friday, July 7, 2017

অপচয় থেকে বাঁচার ১৪টি মাদানী ফুল

(১)      আজ    পর্যন্ত    যতধরণের     অবৈধ     অপচয় করেছেন তা থেকে তাওবা করে ভবিষ্যতে আর কখনও কোন ধরণের অপচয় না করার প্রতিজ্ঞা করে নিন।
(২)  অযু   গোসলও যাতে সুন্নাত মোতাবেক হয় এবং পানিও  যাতে  কম খরচ হয় সেরূপ  নিয়ম  নীতি গড়ে   তোলার চিন্তাভাবনা    করুন   এবং কিয়ামতের   দিন   প্রতিটি     অণু   ও    বিন্দুরই   যে  হিসাব    নিকাশ হবে    তা    ভয়    করুন।    আল্লাহ্  তাআলা পারা ৩০  সূরা যিলযালের ৭  ও  ৮  নং আয়াতের মধ্যে ইরশাদ করেন:


فَمَنۡ یَّعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّۃٍ خَیۡرًا یَّرَہٗ  ؕ(7) وَ مَنۡ یَّعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّۃٍ شَرًّا یَّرَہٗ (8)

কানযুল   ঈমান থেকে অনুবাদ:  সুতরাং  যে অনু পরিমাণ  সৎকাজ  করবে  সে  তা  দেখতে  পাবে  এবং যে    অনু  পরিমাণ   মন্দ    কাজ  করবে,  সে তাও দেখতে পাবে।

অযু গোসলে পানির অপচয় (পর্ব-৬)

অযুতে পানির অপচয়



আজকাল    অযু    করার   সময়   অধিকাংশ   লোক বিনা প্রয়োজনে পানির নল ছেড়ে দিয়ে নির্বিঘ্নে পানি প্রবাহিত  করতে থাকে।  এমন   কি   কেউ কেউ  অযুখানাতে  আসার  সাথে  সাথেই  প্রথমে  পানির নল খুলে  দিয়ে    তারপর জামার   আস্তিন গুটাতে    থাকে।  ফলে   দীর্ঘক্ষণ  আল্লাহ্র  পানাহ! পানির    অপচয় হতে     থাকে।     অনুরূপ      মাথা মাসেহ   করার      সময়ও অনেকেই   পানির    নল খোলা       রেখে     মাথা মাসেহ     করতে     থাকে। আমাদের  সকলকে আল্লাহ্কে ভয়  করে পানির অপচয়  থেকে    বিরত থাকা উচিত। কিয়ামতের দিন প্রতিটি অণূ ও বিন্দুরই হিসাব নিকাশ হবে। অপচয়ের    নিন্দায় বর্ণিত     চারটি হাদীস   শ্রবণ করুন এবং আল্লাহর ভয়ে কেঁপে উঠুন।
অযু-গোসলে পানির অপচয়

(১) প্রবাহিত নদীতেও পানির অপচয়

একদা  আল্লাহর প্রিয়  রাসূল, রাসূলে মকবুল, মা আমেনার বাগানের সুরভিত ফুল, হুযুর صَلَّی   اللهُ  تَعَالٰی عَلَیۡہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم হযরত সায়্যিদুনা সা’দ رَضِیَ اللہُ تَعَالٰی  عَنۡہُ  এর  নিকট  গমন  করলেন, তখন   তিনি অযু করছিলেন।   অযুতে   পানির অপচয়   হতে  দেখে  রাসূলুল্লাহ্ صَلَّی اللهُ تَعَالٰی  عَلَیۡہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাকে ইরশাদ করলেন: “পানির অপচয় করছ কেন?” উত্তরে     তিনি    বললেন:    অযুতেও     কি    পানির  অপচয়  আছে? রাসূলুল্লাহ্  صَلَّی   اللهُ   تَعَالٰی  عَلَیۡہِ   وَاٰلِہٖ وَسَلَّم   ইরশাদ করলেন:  “হ্যাঁ  আছে।  এমন   কি তুমি প্রবাহিত  নদীতে   অযু করলেও।” (সুনানে  ইবনে  মাযাহ,    ১ম  খন্ড,   ২৫৪   পৃষ্ঠা,  হাদীস-  ৪২৫)

Wednesday, June 14, 2017

মিসওয়াক বিষয়ক মাদানী ফুল

❁ দু’টি ফরমানে মুস্তফা صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم:
১। মিসওয়াক করে দুই রাকাত নামায আদায় করা মিসওয়াক  ছাড়া  ৭০  রাকাতের  চেয়ে  উত্তম।  (আত-তারগীব ওয়াত  তারহীব, ১মখন্ড, ১০২   পৃষ্ঠা, হাদীস-১৮)
২। মিসওয়াকের ব্যবহার নিজের জন্য    আবশ্যক    করে     নাও।     কেননা,     তাতে মুখের       পরিচ্ছন্নতা এবং      আল্লাহ্     তাআলার সন্তুষ্টির মাধ্যম রয়েছে। (মুসনাদে ইমাম আহমদ বিন    হাম্বল,    ২য়   খন্ড,    ৪৩৮    পৃষ্ঠা, হাদীস- ৫৮৬৯)
মিসওয়াক
❁ হযরত সায়্যিদুনা  ইবনে  আব্বাস  رَضِیَ اللہُ   تَعَالٰی   عَنۡہُ বলেন:  মিসওয়াকে দশটি  গুণাগুণ রয়েছে:    মুখ পরিষ্কার   করে,   মাড়ি    মজবুত করে,  দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়,  কফ দূর  করে, মুখের দূর্গন্ধ     দূর     করে, সুন্নাতের  অনুসরণ       হয়, ফিরিশতারা   খুশি   হয়,   আল্লাহ   তাআলা   সন্তুষ্ট  হন,   নেকী   বৃদ্ধি   করে, পাকস্থলী   ঠিক রাখে।  (জামউল    জাওয়ামি’    লিস   সুয়ুতী,    ৫ম   খন্ড,  ২৪৯      পৃষ্ঠা,      হাদীস-      ১৪৮৬৭)     
❁      হযরত  সায়্যিদুনা    ইমাম    শাফেয়ী    رَحْمَۃُ      اللّٰہِ    تَعَالٰی    عَلَیْہِ বলেন:  চারটি জিনিস জ্ঞান  বৃদ্ধি  করে: অনর্থক কথাবার্তা    থেকে    বিরত    থাকা,    মিস্ওয়াকের  ব্যবহার,     নেককার     লোকদের    সংস্পর্শ    এবং নিজের  জ্ঞানের  উপর   আমল   করা।   (হায়াতুল হায়ওয়ান   লিদ্দামীরী,   ২য়     খন্ড,  ১৬৬   পৃষ্ঠা) 

Tuesday, June 13, 2017

অযু সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ মাসাইল (পর্ব-৫)

অযুর মধ্যে সন্দেহ আসার ৫টি বিধান

❁ অযুকালীন সময়ে যদি কোন অঙ্গ ধৌত করা না   করার ক্ষেত্রে সন্দেহ  জাগে এবং   এ সন্দেহ জীবনে প্রথম বারের মত ঘটে থাকে, তাহলে সে অঙ্গ ধুয়ে নিন।  আর   যদি  এরূপ  সন্দেহ প্রায়ই ঘটে থাকে, তাহলে তার প্রতি  ভ্রুক্ষেপ করবেন  না।  অনুরূপ অযুর পরেও  যদি কোন অঙ্গ ধৌত করা  না   করার ক্ষেত্রে   সন্দেহ   সৃষ্টি   হয়,  তার প্রতি কোন দৃষ্টি দিবেন   না।   (বাহারে শরীয়াত, ১ম    খন্ড,  ৩১০    পৃষ্ঠা) 
❁আপনি  অযু  অবস্থায় ছিলেন,    কিন্তু এখন   আপনার অযু আছে কিনা, তাতে          আপনার          সন্দেহ সৃষ্টি            হলো। এমতাবস্থায়ও আপনার অযু বহাল থাকবে নতুন ভাবে  আপনাকে  অযু করতে   হবে না। কেননা, সন্দেহের    কারণে  অযু  ভঙ্গ  হয়  না।    (বাহারে শরীয়াত, ১ম    খন্ড,  ৩১১    পৃষ্ঠা) 
❁   প্ররোচনার   কারণে  অযু  ভেঙ্গে গেছে মনে করে  পুনরায়  অযু   করা   সাবধানতা অবলম্বন      করা      নয়  বরং      তা      শয়তানেরই  অনুকরণ মাত্র। (বাহারে শরীয়াত, ১ম    খন্ড,  ৩১১    পৃষ্ঠা) 
❁নিশ্চিতভাবে আপনি ততক্ষণ   পর্যন্ত   অযু   অবস্থায়   থাকবেন   যতক্ষণ  পর্যন্ত অযু ভঙ্গ হওয়ার উপর শপথ   করে  বলার মত আপনার প্রবল ধারণা না জন্মে।
❁আপনার স্মরণ   আছে  যে,  আপনার  একটি  অঙ্গ   অধৌত রয়ে  গেছে।    তবে  কোন      অঙ্গটি  অধৌত রয়ে গেছে  তা আপনি  নিশ্চিতভাবে   বলতে পারছেন না,   এমতাবস্থায়   আপনি   বাম   পা     ধুয়ে   নিন। (দুররে মুখতার, ১ম খন্ড, ৩১০ পৃষ্ঠা) 
অযুর মাসাইল

তন্দ্রা দ্বারা অযু ভঙ্গ হওয়া ও না হওয়ার বর্ণনা

তন্দ্রা   দ্বারা   অযু   ভঙ্গ   হওয়ার   দু’টি   শর্ত:   
(১)  তন্দ্রার সময় উভয় নিতম্ব    ভালভাবে সংযুক্ত না থাকা।   
(২)     অচেতন   অবস্থায়     তন্দ্রার    ক্ষেত্রে কোন   প্রতিবন্ধকতা  না  হওয়া।   দুটি    শর্ত  এক সাথে পাওয়া গেলে অর্থাৎ    তন্দ্রার সময়    উভয় নিতম্ব     ভালভাবে     সংযুক্ত     না     থাকলে     এবং  অচেতন   অবস্থায় তন্দ্রার   দ্বারা   অযু   ভঙ্গ   হয়ে  যাবে।   আর   একটি    শর্ত   পাওয়া     গেলে   এবং অপরটি  পাওয়া  না  গেলে তন্দ্রা  দ্বারা  অযু  ভঙ্গ  হবে না।

Sunday, June 11, 2017

অযু: অযু ভঙ্গ হওয়া ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন মাসাইল- (পর্ব ৪)

ক্ষত    ইত্যাদি   থেকে     রক্ত     বের   হওয়ার    ৫টি হুকুম



❁    রক্ত,  পুঁজ   বা  হলুদ    রঙের  পানি   শরীরের কোন স্থান থেকে বের হয়ে এমন স্থানে গড়িয়ে পড়ল বা গড়িয়ে পড়ার শক্তি ছিলো যা ধৌত করা অযু বা গোসলের মধ্যে ফরয। তাহলে অযু ভঙ্গ  হয়ে  যাবে। (বাহারে   শরীয়াত,   ১ম  খন্ড, ৩০৪ পৃষ্ঠা) 
❁  রক্ত যদি দেখা  যায় বা বের হয় কিন্তু গড়িয়ে পড়েনি,  যেমন- সূঁচের   মাথা   বা ছুরির     ধারালো     প্রান্ত  ইত্যাদি      বিদ্ধ    হওয়ার কারণে  রক্ত  বের  হয়  বা    দেখা গেলো    অথবা দাঁত খিলাল  করলো  বা   মিসওয়াক  করলো  বা আঙ্গুল   দ্বারা   দাঁত   মাজলো     অথবা   দাঁত দ্বারা কোন   জিনিস   যেমন-আপেল   ইত্যাদি কামড়  দিলো    এবং   এতে    রক্তের   চিহ্ন   দেখা   গেলো অথবা নাকের ছিদ্রে  আঙ্গুল প্রবেশ  করাল  এবং এতে রক্তের  লালচে   রং  দেখা গেলো  কিন্তু তা  প্রবাহিত হওয়ার মত ছিলো না তাহলে অযু ভঙ্গ হবে না।   (বাহারে   শরীয়াত,   ১ম  খন্ড, ৩০৪ পৃষ্ঠা)  
❁    যদি   রক্ত    বের   হয়ে প্রবাহিত হয় কিন্তু  প্রবাহিত  হয়ে এমন স্থানে না পৌঁছে  যা  ধৌত  করা  অযু  বা গোসলের  মধ্যে  ফরয, যেমন-চোখে   দানা  ছিলো তা ফেঁটে বের না হয়ে ভিতরেই রয়ে  গেলো।   অথবা  রক্ত  বা   পুঁজ বের না হয়ে কানের ভিতরেই   রয়ে গেলো অযু      ভঙ্গ    হবে     না।   (প্রাগুক্ত,   ২৭   পৃষ্ঠা)   
❁ ক্ষতস্থান খুবই বড়  এবং এতে  আর্দ্রতাও  দেখা যাচ্ছে, কিন্তু আর্দ্রতা যতক্ষণ পর্যন্ত প্রবাহিত হবে না   অযু   ভঙ্গ   হবে   না।  (বাহারে   শরীয়াত,   ১ম  খন্ড, ৩০৪ পৃষ্ঠা)

অযুর ফরয, সুন্নাত, মুস্তাহাব, মাকরূহ ও অন্যান্য- (পর্ব-৩)

অযুর ফরয ৪টি 

❁ মুখমন্ডল  ধৌত  করা।                                                        
❁  কনুই সহ দু’হাত ধৌত   করা।  
❁    মাথার   এক  চতুর্থাংশ  মাসেহ্ করা।    
 ❁    টাখনু সহ    দুই    পা    ধৌত    করা। (ফতোওয়ায়ে     আলমগিরী,  ১ম খন্ড, ৩, ৪, ৫ পৃষ্ঠা।   বাহারে  শরীয়াত,  ১ম খন্ড, ২৮৮ পৃষ্ঠা)
অযুর ফরয, সুন্নাত, মুস্তাহাব, মাকরূহ

ধৌত করার সংজ্ঞা


কোন অঙ্গকে ধৌত করার অর্থ হচ্ছে, ঐ অঙ্গের প্রতিটি অংশে কমপক্ষে  দু ফোঁটা পানি প্রবাহিত করা। শুধুমাত্র  ভিজে  যাওয়া, পানিকে    তেলের মত     মালিশ    করা     অথবা    এক    ফোঁটা     পানি প্রবাহিত করাকে “ধৌত করা”  বলা   যাবে    না, আর   না   এইভাবে   অযু   গোসল   আদায়   হবে।  (ফতোওয়ায়ে  রযবীয়া  (সংকলিত) ,  ১ম  খন্ড, ২১৮ পৃষ্ঠা। বাহারে শরীয়াত,    ১ম   খন্ড, ২৮৮ পৃষ্ঠা)

অযুর পদ্ধতি ও দোআ (পর্ব-২)

অযুর সময় কা’বা শরীফের  দিকে মুখ করে উঁচু জায়গায় বসা মুস্তাহাব। অযুর জন্য নিয়্যত করা সুন্নাত।  নিয়্যত  না   করলেও    অযু  হয়ে   যাবে,   কিন্তু       সাওয়াব    পাবে    না।    অন্তরের     ইচ্ছাকে “নিয়্যত” বলে।    অন্তরে    নিয়্যত   করার   সাথে সাথে মুখে উচ্চারণ করাও  উত্তম। মুখে এভাবে নিয়্যত করুন যে, আমি আল্লাহ্ তাআলার নির্দেশ পালনার্থে     পবিত্রতা    অর্জন     করার    জন্য    অযু করছি।  بِسْمِ  الله  পড়ে নিন”।      এটাও  সুন্নাত। বরং  بِسْمِ   اللهِ   وَالْحَمْدُ   لِلّٰه  বলে  নিন।  এর  কারণে আপনি  যতক্ষণ   অযু অবস্থায় থাকবেন   ততক্ষণ ফিরিস্তাগণ       আপনার       জন্য       নেকী       লিখতে  থাকবেন।   (আল    মু’জামুস   সগীর  লিত তাবারানী, ১ম খন্ড, ৭৩ পৃষ্ঠা, হাদীস-১৮৬)
এখন   উভয়   হাত   কব্জি    পর্যন্ত   তিনবার    করে  ধৌত    করুন।     (পানির    নল    বন্ধ   করে)   উভয় হাতের আঙ্গুলগুলোও      খিলাল      করে      নিন।  কমপক্ষে     তিনবার    করে   ডানে   বামে,   উপরে নিচে     দাঁতগুলো  “মিসওয়াক   করুন।   প্রত্যেক বারে  মিসওয়াক   ধুয়ে  নিন।  হুজ্জাতুল   ইসলাম ইমাম      মুহাম্মদ     বিন মুহাম্মদ      বিন     মুহাম্মদ গাযালী  رَحۡمَۃُ   اللّٰہ    ِتَعَالٰی   عَلَیہِ     বলেন:   মিসওয়াক করার   সময়   নামাযে   ক্বিরাত পাঠ   ও  আল্লাহর যিকিরের  জন্য  মুখ   পবিত্র  করার   নিয়্যত  করা  উচিত।”   (ইহ্ইয়াউল   উলুম,   ১ম   খন্ড,   ১৮২  পৃষ্ঠা) 

Saturday, June 10, 2017

অযু: ফযিলত, পদ্ধতি, দোআ ও মাদানী ফুল- (পর্ব-১)

হযরত    ওসমান      গণি    رَضِیَ    اللّٰہُ    تَعَالٰی    عَنْہُ     এর  নবী-প্রেম

একদা  হযরত  সায়্যিদুনা  ওসমান  গণি  رَضِیَ  اللّٰہُ  تَعَالٰی   عَنْہُ  এক জায়গায়  পৌঁছে অযুর জন্য    পানি চাইলেন       এবং     অযু করলেন     আর     আপনা আপনিই  মুচকি হাসলেন। তারপর  সঙ্গীদেরকে  বললেন:   “আপনারা   কি   জানেন!   আমি   কেন মুচকি হাসলাম?” অতঃপর তিনি নিজেই নিজের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বললেন: “একদা হুযুর পুরনূর صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیۡہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এই জায়গায় অযু  করেছিলেন এবং অযু  শেষ করে তিনি        মুচকি      হেসেছিলেন      এবং      সাহাবায়ে কিরামদের      عَلَیۡہِمُ     الرِّضۡوَان     উদ্দেশ্যে ইরশাদ  করেন:      “তোমরা      কি       জান,      আমি        কেন  হেসেছি?”     তদুত্তরে সাহাবায়ে    কেরাম    عَلَیۡہِمُ  الرِّضۡوَان   আরয     করলেন:   “আল্লাহ্   তাআলা   ও তাঁর রাসূল صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیۡہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ই এ বিষয়ে ভাল জানেন।”   প্রিয়  মুস্তফা  صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیۡہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم    ইরশাদ  করেন:  “যখন  মানুষ  অযু     করে তখন      হাত ধোয়ার     সময়        হাতের     গুনাহ্, মুখমন্ডল    ধোয়ার    সময়    মুখমন্ডলের    গুনাহ্,  মাথা মাসেহ্ করার সময় মাথার গুনাহ্, আর পা ধোয়ার   সময়   পায়ের  গুনাহ  সমূহ্   ঝরে  যায়।  (মুসনাদে ইমাম   আহমদ  বিন  হাম্বল, খন্ড ১ম, পৃষ্ঠা ১৩০, হাদীস নং-৪১৫)

صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ تَعَالٰی عَلٰی مُحَمَّد

পোস্ট শ্রেণি

অন্যান্য (15) অযু-গোসল-পবিত্রতা (14) আকিকা (1) আমাদের কথা (1) আযান (3) আযাব (4) ইতিকাফ (1) ইফতারী (1) ইবাদত (14) ইসলামী ইতিহাস (8) ঈদের নামায (1) ওমরা (27) কবর যিয়ারত (8) কাযা নামায (3) কারবালা (7) কালিমা (1) কুরবানী (6) কুসংস্কার (3) খেজুর (1) চিকিৎসা (12) জানাযা নামায (3) তওবা (4) তারাবীহ (3) দিদারে ‍মুস্তফা (1) দুরূদ শরীফের ফযিলত (8) নামায (24) নিয়ত (2) পর্দা ও পর্দার বিধান (15) পিতা-মাতা হক্ব (1) প্রতিযোগিতা (2) প্রশ্নোত্তর (16) ফয়যানে জুমা (3) ফযিলত (11) বদ আমল (5) বিদআত (4) ভালবাসা (1) মওত-কবর-হাশর (7) মদিনা (2) মনীষীদের জীবনী (7) মা (1) মাদানী ফুল (28) মাসাইল (88) মিলাদুন্নবী (2) মিসওয়াক (1) মুহাররম (2) যাকাত-ফিতরা (1) রজব (3) রমযান (13) রুহানী ইলাজ (4) রোজা (17) লাইলাতুল ক্বদর (1) শাওয়াল (1) শাবান (3) শিক্ষনীয় ঘটনা (2) শিশু (3) সদক্বাহ (1) সাহরী (1) সিরাতুন্নবী (2) সুন্নাত ও আদব (26) স্বাস্থ্য কথন (10) হজ্ব (27) হাদিস (1)

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন