আপডেট
স্বাগতম! ইসলামী জীবন ব্লগে নিয়মিত ভিজিট করুন আর শিখুন ইসলামীক জ্ঞান। শেয়ার করুন আপনার সোস্যাল সাইটে। প্রয়োজনে লাইভ চ্যাটের সহায়তা নিন। হোয়াটসঅ্যাপে ইসলামীক পোষ্ট পেতে +880 1946 13 28 62 নাম্বারে Post লিখে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দিন। ধন্যবাদ!
বাংলা ভাষায়, অলাভজনক, বৃহত্তম ইসলামীক ওয়েবসাইট বানানোর প্রত্যয়ে “ইসলামী জীবন“ কাজ করে যাচ্ছে। www.islamijibon.net

Monday, March 27, 2017

কথাবার্তা বলার ১২টি মাদানী ফুল (কথাবার্তা বলার নিয়মাবলী)

(১) মুচকি হেসে ও উৎফুল্লতার সাথে কথাবার্তা বলুন,

(২) মুসলমানের মন খুশি করার নিয়্যতে ছোটদের সাথে স্নেহের ভরা এবং বড়দের সাথে শ্রদ্ধার ভাব রাখুন إنشاء الله عزوجل সাওয়াব অর্জনের সাথে সাথে উভয়ের নিকট আপনি সম্মানিত হবেন, 

(৩) চিৎকার করে কথাবার্তা বলা যেমন আজকাল বন্ধু মহলে হয়ে থাকে এটা সুন্নাত নয়,

(৪) চাই একদিনের বাচ্চাও হোক না কেন ভাল ভাল নিয়্যতে তাদের সাথেও আপনি জনাব করে কথাবার্তা বলার অভ্যাস করুন আপনার চরিত্রও উত্তম হবে সাথে সাথে বাচ্চাও ভদ্রতা শিখবে, 

(৫) কথাবার্তা অবস্থায় পর্দার স্থানে (লজ্জাস্থানে) হাত লাগানো, থুতু ফেলতে থাকা, আঙ্গুলের মাধ্যমে শরীরের ময়লা পরিস্কার করা, অন্যজনের সামনে বারবার নাক স্পর্শ করা কিংবা নাকে বা কানে আঙ্গুল প্রবেশ করানো ভাল অভ্যাস নয়। এগুলোর মাধ্যমে অন্যান্যদের ঘৃণার সৃষ্টি হয়, 

মুসাফাহার ১৪টি মাদানী ফুল (মুসাফাহ করার নিয়মাবলী)

(১) দুজন মুসলমানের সাক্ষাতের সময় সালামের পর উভয় হাতে মুসাফাহা করা অর্থাৎ উভয় হাত মিলানো সুন্নাত। 

(২) বিদায়ের সময় সালাম করুন এবং হাতও মিলাতে পারবেন,

(৩) নবী করীম ইরশাদ করেন, যখন দুজন মুসলমান সাক্ষাত করে মুসাফাহা করে এবং একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করে তবে আল্লাহ তাআলা তাদের মাঝে ১০০টি রহমত অবতীর্ণ করেন তার মধ্যে ৯০টি রহমত একটু বেশী উৎফুল্ল ও ভালভাবে আপন ভাইয়ের কুশল জিজ্ঞাসাকারীর জন্য অবতীর্ণ হয়। (আল মুজামুল আওসাত, লিত তাবরানী, খন্ড-৫, পৃষ্ঠা-৩৮০, হাদীস নং-৭৬৭৬)

(৪) যখন দুইজন বন্ধু পরস্পরের সাথে মিলিত হয়ে মুসাফাহা করে এবং প্রিয় নবী এর উপর দুরূদ শরীফ পাঠ করে তবে তাদের পৃথক হওয়ার পূর্বেই তাদের আগের ও পরের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। (শুআইবুল ঈমান লিল বায়হাকী, হাদীস নং- ৮৯৪৪, খন্ড-৬,পৃষ্ঠা-৪৮১, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত) 

সালামের ১১টি মাদানী ফুল (সালামের নিয়মাবলী)

(১) কোন মুসলমানের সাথে সাক্ষাতের সময় সালাম করা সুন্নাত,

(২) মাকতাবাতুল মাদীনা থেকে প্রকাশিত বাহারে শরীয়তের ১৬ তম খন্ডের ১০২ পৃষ্ঠায় লিখিত অংশের সারমর্ম হচ্ছে : “সালাম করার সময় অন্তরে যেন এ নিয়্যত থাকে যে, আমি যাকে সালাম করছি তার সম্পদ ও মান সম্মান সবকিছু আমার হিফাযতে এবং আমি এসব কিছুর কোন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করাকে হারাম মনে করছি,

(৩) দিনে যতবার সাক্ষাত হয়, এক রুম থেকে অন্য রুমে বারবার আসা যাওয়াতে সেখানে উপস্থিত মুসলমানদেরকে সালাম করা সাওয়াবের কাজ,

(৪) আগে সালাম করা সুন্নাত,

(৫) প্রথমে সালামকারী আল্লাহ তাআলার নিকটবর্তী ও প্রিয়,

(৬) প্রথমে সালাম দানকারী ব্যক্তি অহংকার থেকে মুক্ত। যেমন আমাদের প্রিয় নবী ﷺ ইরশাদ করেন, সর্বপ্রথম সালামকারী অহংকারমুক্ত। (শুআইবুল ঈমান, খন্ড-৬, পৃষ্ঠা-৪৩৩)

Saturday, March 25, 2017

রুহানী ইলাজ পর্ব-৪

আমরা এখানে শেয়ার করব আপনাদের সাথে রুহানী চিকিতসা বিষয়ক ৪০ টি এমন কিছু যা দিয়ে আপনারা নিজেই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পাবেন إن شاء الله عزوجل

তো চলুন শুরু করা যাক। এখানে পোস্ট বড় হয়ে যাওয়ার ভয়ে ৪০ টি কে ১০ টি করে মোট চারটি ধারাবাহিকে বিভক্ত করে পোস্ট করা হবে। তাই ১০ টি পেয়ে ক্ষান্ত হবেন না, পূর্বের ও পরবর্তীগুলোও কালেকশন করুন, পড়ুন, আমল করুন।

(বি.দ্র: প্রতিটি ওয়াজিফার শুরু ও শেষে ১ বার করে দরূদ শরীফ পাঠ করে নিন। ফলাফল প্রকাশ না হওয়া অবস্থায় অভিযোগের পরিবর্তে নিজের অসতর্কতার কারণে দুর্ভাগ্য মনে করুন এবং আল্লাহ্ তাআলার প্রজ্ঞার প্রতি দৃষ্টি রাখুন। আরবী উচ্চারণ অবশ্যই শুদ্ধভাবে সঠিক মাখরাজ অনুযায়ী পড়তে হবে)

রুহানী ইলাজ ৩১-৪০ নং ( প্রয়োজনে রুহানী ইলাজ বইটি ডাউনলোড দিতে পারেন এখান থেকে)

রুহানী ইলাজ-৩১>>  বিপদ দূর করার উপায়

“يا قادر” ৪১ বার বিপদ এসে গেলে পাঠ করে নিন, إن شاء الله عزوجل বিপদ দূর হয়ে যাবে।

রুহানী ইলাজ পর্ব-৩

আমরা এখানে শেয়ার করব আপনাদের সাথে রুহানী চিকিতসা বিষয়ক ৪০ টি এমন কিছু যা দিয়ে আপনারা নিজেই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পাবেন إن شاء الله عزوجل
তো চলুন শুরু করা যাক। এখানে পোস্ট বড় হয়ে যাওয়ার ভয়ে ৪০ টি কে ১০ টি করে মোট চারটি ধারাবাহিকে বিভক্ত করে পোস্ট করা হবে। তাই ১০ টি পেয়ে ক্ষান্ত হবেন না, পূর্বের ও পরবর্তীগুলোও কালেকশন করুন, পড়ুন, আমল করুন।

(বি.দ্র: প্রতিটি ওয়াজিফার শুরু ও শেষে ১ বার করে দরূদ শরীফ পাঠ করে নিন। ফলাফল প্রকাশ না হওয়া অবস্থায় অভিযোগের পরিবর্তে নিজের অসতর্কতার কারণে দুর্ভাগ্য মনে করুন এবং আল্লাহ্ তাআলার প্রজ্ঞার প্রতি দৃষ্টি রাখুন। আরবী উচ্চারণ অবশ্যই শুদ্ধভাবে সঠিক মাখরাজ অনুযায়ী পড়তে হবে)

রুহানী ইলাজ ২১-৩০ নং ( প্রয়োজনে রুহানী ইলাজ বইটি ডাউনলোড দিতে পারেন এখান থেকে)

রুহানী ইলাজ-২১>> 

অবাধ্য সন্তান নেককার ও বাধ্যগত করার উপায়
“يا شهيد” ২১ বার। যে সকালে (সূর্য উঠার আগে আগে) অবাধ্য ছেলে-মেয়ের কপালে হাত রেখে আসমানের দিকে মুখ করে পাঠ করবে,إن شاء الله عزوجل তার ছেলে-মেয়ে নেক্কার ও বাধ্যগত হবে।

রুহানী ইলাজ পর্ব-২

আমরা এখানে শেয়ার করব আপনাদের সাথে রুহানী চিকিতসা বিষয়ক ৪০ টি এমন কিছু যা দিয়ে আপনারা নিজেই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পাবেন إن شاء الله عزوجل
তো চলুন শুরু করা যাক। এখানে পোস্ট বড় হয়ে যাওয়ার ভয়ে ৪০ টি কে ১০ টি করে মোট চারটি ধারাবাহিকে বিভক্ত করে পোস্ট করা হবে। তাই ১০ টি পেয়ে ক্ষান্ত হবেন না, পূর্বের ও পরবর্তীগুলোও কালেকশন করুন, পড়ুন, আমল করুন।

(বি.দ্র: প্রতিটি ওয়াজিফার শুরু ও শেষে ১ বার করে দরূদ শরীফ পাঠ করে নিন। ফলাফল প্রকাশ না হওয়া অবস্থায় অভিযোগের পরিবর্তে নিজের অসতর্কতার কারণে দুর্ভাগ্য মনে করুন এবং আল্লাহ্ তাআলার প্রজ্ঞার প্রতি দৃষ্টি রাখুন। আরবী উচ্চারণ অবশ্যই শুদ্ধভাবে সঠিক মাখরাজ অনুযায়ী পড়তে হবে)


রুহানী ইলাজ ১১-২০ নং ( প্রয়োজনে রুহানী ইলাজ বইটি ডাউনলোড দিতে পারেন এখান থেকে)


রুহানী ইলাজ-১১>>বিপদ দূর করার উপায়
يا قهار ১০০ বার। যদি কোন বিপদ আসে তবে পাঠ করুন।إن شاء الله عزوجل বিপদ দূর হয়ে যাবে।

Tuesday, March 21, 2017

ইসলামী জীবন লোগো

আমাদের ইসলামী জীবন ব্লগটির দক্ষ টিম গত কিছুদিন আগে নিচের লোগোটি ডিজাইন করে ফেসবুক পেইজ ও এই ব্লগ সাইটটির জন্য। লোগোটির ডান পাশে কুরআনের একটি আয়াতের অংশ আর বাম পাশে তার অর্থ দেয়া হয়েছে। যেহেতু পেজের নাম ইসলামী জীবন তাই এই আয়াতটি বেছে নেয়া হয়েছে। লোগোর পিছনে যে মিনার টি দেখা যাচ্ছে তা হচ্ছে মদিনা পাকের সবুজ গম্বুজের উপরের অংশের শুধুমাত্র বর্ডার টুকু।

Logo Of Islami Jibon Blog ইসলামী জীবন ব্লগ এর লোগে

যাই হোক, আমাদের সাথে থাকুন, সুন্দর পোস্ট করার প্রত্যয়ে আছি আমরা। ইসলামী বই থেকে টাইপ করে মান সম্মত পোস্ট করার কাজ অব্যাহত আছে। আর দশটি পেজ বা ব্লগের  মত কপি পেস্ট করে পোস্ট করা থেকে বিরত আছি আমরা। দোআ করবেন, আর পেজ ও ব্লগের পোস্টগুলো আপনাদের সোস্যাল সাইটে শেয়ার করবেন।


আমাদের সকল স্যোসাল সাইট

দাওয়াতে ইসলামীর সকল বাংলা ইসলামীক বইয়ের লিংক এক সাথে পেতে এখানে ক্লিক করুন

মাদানী চ্যানেল দেখতে থাকুন

আমাদের লজ্জাস্থান: আমাদের করণীয়

(পোষ্টটি যেনা, অবৈধ কাজ ও হস্ত মৈথুন, সমকামীতা সম্পর্কিত, যারা ইসলামী নিয়ম খুঁজছেন আশা করি তাদের জন্য খুব উপকারী।)

(পুরো পোষ্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, অবশ্যই পড়বেন শেয়ার করবেন।)
লজ্জাস্থানের হিফাযত বলতে বুঝায়, মানুষ এর অপব্যবহার ও অপপ্রয়োগ থেকে বেঁচে থাকা এবং স্বীয় শরীরের জৈবিক চাহিদা পূরণ তথা যৌন স্পৃহা মেটানোর জন্য সেসব পন্থা অবলম্বন করা যা শরীআত কর্তৃক অনুমোদিত ও স্বীকৃত। অনুপ্রেরণা স্বরূপ লজ্জাস্থান হিফাযত সম্পর্কীত ফযীলত লক্ষ্য করুন।
পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে
والذين هم لفروجهم حفظون. الا علي ازواجهم او ما ملكت ايمانهم فانهم غير ملومين. فمن ابتفي وراء ذلك فاولئك هم العدون.
কানযুল ঈমান (কৃত আলা হযরত মুফতী আহমদ রযা খাঁন رحمة الله عليه) হতে অনুবাদ:
“এবং যারা যৌনাঙ্গগুলোকে সংযত রাখে, নিজেদের পত্নীগণ অথবা তাদের ওই শরীআত সম্মত দাসীদের নিকট ব্যতীত যারা তাদের হাতের মালিকানাধীন। এতে তাদেরকে তিরস্কার করা হবে না, সুতরাং যারা এ দু’প্রকার ব্যতীত অন্য কিছু কামনা করে তারাই সীমা লঙ্ঘনকারী।” (পারা-১৮, সূরা আল মুমিন, আয়াত নং-৫-৭)

হস্তমৈথুন: এক অভিশাপ!

অনেকেই বলে থাকেন হস্তমৈথুন কোন ক্ষতিকারক না। তারা ডাহা মিথ্যা কথা বলে থাকে। যেমন- এক শিয়ালের লেজ কাটা যাওয়ার কারণে সে কৌশলে সব শিয়ালের লেজ কাটার ফন্দি আঁটে ঠিক তেমনি যারা নিজেদের অস্তিত্ব বিলীন করে ফেলেছে তারা চাচ্ছে যে এবার নেটে বা যে কোন উপায়ে আরো দশজনকে এই ফাঁদে আটকাই। যাই হোক এগুলো পশ্চিমা বা বিধর্মীদের এক কুট কৌশল। আজকাল অনেক ডাক্তারও পরামর্শ দিয়ে থাকে যে, হস্তমৈথুন ক্ষতিকর না। কেননা, যদি হস্তমৈথুন ছেড়ে দেয় তবে তাদের কাস্টমার অনেক কমে যাবে তাই তারা সুকৌশলে রোগীও বাড়াচ্ছে, অপরদিকে ব্যবসাও চাঙ্গা রাখছে। তাই নিজের অঙ্গ বিকল করার আগে নিজেই স্বিদ্ধান্ত নিন। পরে পস্তাবেন না।


হস্তমৈথুনের ক্ষতিকারক ২৬টি দিক

১। মন দুর্বল হয়ে পড়ে।
২। পাকস্থলী, ৩। যকৃত এবং ৪। হৃদপিন্ড নষ্ট হয়ে যায়।
৫। দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায়।

স্বপ্নদোষ কোন রোগ নয়!

স্বপ্নদোষ একটি প্রাকৃতিক উপায়। যা কস্মিন কালেও অসুস্থতা নয়। মানুষের বীর্য প্রতিনিয়ত উৎপাদন হতে থাকে। উৎপাদিত বীর্য একটি থলিতে জমা হয়। যখন থলি ভরে যায় তখনি তা বের হতে চায়। যৌন মিলন না করে থাকলে তা ঘুমের মধ্যে উত্তেজনায় বেরিয়ে আসে। যা পুরুষের যৌন কষ্ট থেকে বাঁচার একটি মাধ্যম বটে। স্বপ্নদোষ যদি রোগ হত, তা প্রত্যেক পুরুষের (খুব কম সংখ্যক বাদে) বালেগ হওয়ার পর হতে হত না । কারণ একটি রোগ সবার একই সময়ে হতে পারে না। যা স্বাভাবিক বিষয় তা-ই সবার মাঝে দেখা দেয়। যেমন দাঁড়ি মুছ গজানো নির্দিষ্ট বয়সের সাথে স্বাভাবিক তেমনি স্বপ্নদোষও নির্দিষ্ট বয়সের সাথে একটি স্বাভাবিক বিষয়। প্রস্রাব থলি ভরে গেলে যেমন প্রস্রাব করতে হয়, তেমনি বীর্য থলিও ভরে গেলে তা বের করার প্রয়োজন হয়। তাই ঘুমের মধ্যে তা বের হয়ে আসে।
যদিও বাংলায় একে স্বপ্নদোষ নাম দেয়া হয়েছে ইংরেজীতে কিন্তু কোন দোষ বিষয়ক শব্দ এতে নাই। ইংরেজী শব্দ- Wet Dream বা ভিজা স্বপ্ন।

হকার বা ভুয়া প্রতিষ্ঠান (এমনকি অনেক এমবিবিএস ডাক্তারও) যে লিফলেট বিলি করে তাতে লিখা থাকে স্বপ্নদোষ একটি রোগ বা মহা রোগ। আপনাকে রোগের ভয় দেখিয়ে পয়সা কামানো তাদের মুল উদ্দেশ্য। আপনি প্রতারিত হবেন যদি তাদের কথায় পা বাড়ান। আপনাকে পুরুষত্ব হীন করে বাড়ি পাঠাবে।

আল্লাহর অশেষ রহমত যে, উৎপাদিত অতিরিক্ত বীর্য স্বপ্নদোষ এর মাধ্যমে বের করে দেন। স্বপ্নদোষ না হলে পুরুষের কিছু সমস্যা হয়। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হত পুরুষ যৌনতায় পাগল হয়ে নিজের মা বোনও চিনত না। এছাড়াও হস্তমৈথুন করা, জিনা করা, লিঙ্গ ও অন্ডকোষ ব্যথা করা ও ফুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিত।

আসুন না, আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করি- যে তিনি আমাদের কষ্ট না দিয়ে স্বপ্নদোষ এর মত বিশেষ ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। الحمد لله

রুহানী ইলাজ পর্ব-১

আমরা এখানে শেয়ার করব আপনাদের সাথে রুহানী চিকিতসা বিষয়ক ৪০ টি এমন কিছু যা দিয়ে আপনারা নিজেই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পাবেন إن شاء الله عزوجل
তো চলুন শুরু করা যাক। এখানে পোস্ট বড় হয়ে যাওয়ার ভয়ে ৪০ টি কে ১০ টি করে মোট চারটি ধারাবাহিকে বিভক্ত করে পোস্ট করা হয়েছে। তাই ১০ টি পেয়ে ক্ষান্ত হবেন না, পরবর্তীগুলোও কালেকশন করুন, পড়ুন, আমল করুন।

(বি.দ্র: প্রতিটি ওয়াজিফার শুরু ও শেষে ১ বার করে দরূদ শরীফ পাঠ করে নিন। ফলাফল প্রকাশ না হওয়া অবস্থায় অভিযোগের পরিবর্তে নিজের অসতর্কতার কারণে দুর্ভাগ্য মনে করুন এবং আল্লাহ্ তাআলার প্রজ্ঞার প্রতি দৃষ্টি রাখুন। আরবী উচ্চারণ অবশ্যই শুদ্ধভাবে সঠিক মাখরাজ অনুযায়ী পড়তে হবে)


রুহানী ইলাজ ১-১০ নং ( প্রয়োজনে রুহানী ইলাজ বইটি ডাউনলোড দিতে পারেন এখান থেকে)



রুহানী ইলাজ-১ >> শয়তানের ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায়

যে প্রত্যহ নামাযের পর “هُوَ اللهُ الرَحِيم” ৭ বার পাঠ করবে, إن شاء الله عزوجل শয়তানের ক্ষতি হতে বেঁচে থাকবে এবং তার ঈমানের সাথে মৃত্যু নছীব হবে।

পোস্ট শ্রেণি

অন্যান্য (15) অযু-গোসল-পবিত্রতা (14) আকিকা (1) আমাদের কথা (1) আযান (3) আযাব (4) ইতিকাফ (1) ইফতারী (1) ইবাদত (14) ইসলামী ইতিহাস (8) ঈদের নামায (1) ওমরা (27) কবর যিয়ারত (8) কাযা নামায (3) কারবালা (7) কালিমা (1) কুরবানী (6) কুসংস্কার (3) খেজুর (1) চিকিৎসা (12) জানাযা নামায (3) তওবা (4) তারাবীহ (3) দিদারে ‍মুস্তফা (1) দুরূদ শরীফের ফযিলত (8) নামায (24) নিয়ত (2) পর্দা ও পর্দার বিধান (15) পিতা-মাতা হক্ব (1) প্রতিযোগিতা (2) প্রশ্নোত্তর (16) ফয়যানে জুমা (3) ফযিলত (11) বদ আমল (5) বিদআত (4) ভালবাসা (1) মওত-কবর-হাশর (7) মদিনা (2) মনীষীদের জীবনী (7) মা (1) মাদানী ফুল (28) মাসাইল (88) মিলাদুন্নবী (2) মিসওয়াক (1) মুহাররম (2) যাকাত-ফিতরা (1) রজব (3) রমযান (13) রুহানী ইলাজ (4) রোজা (17) লাইলাতুল ক্বদর (1) শাওয়াল (1) শাবান (3) শিক্ষনীয় ঘটনা (2) শিশু (3) সদক্বাহ (1) সাহরী (1) সিরাতুন্নবী (2) সুন্নাত ও আদব (26) স্বাস্থ্য কথন (10) হজ্ব (27) হাদিস (1)

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন