আপডেট
স্বাগতম! ইসলামিক সঠিক জ্ঞান নিয়ে ”ইসলামী জীবন” আপনার পাশে। নিয়মিত ভিজিট করুন, দেখুন বিষয়ভিত্তিক পোস্টগুলো আর শিখতে থাকুন... হোয়াটসেপ সার্ভিসে জয়েন হতে “Post” লিখে সেন্ড করুন এই “01511993330” হোয়াটসেপ নাম্বারে। আমাদের ওয়েবসাইট www.islamijibon.net । ধন্যবাদ!
বাংলা ভাষায় অলাভজনক বৃহত্তম ইসলামিক ওয়েবসাইট বানানোর প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে ইসলামী জীবন টিম। আসছে মোবাইল অ্যাপলিকেশন... সাইট www.islamijibon.net

সোমবার, ১১ মে, ২০২০

সূরা আল ফাতিহা (বঙ্গানুবাদ সহ)

بِسۡمِ اللهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
আল্লাহ্‌র     নামে     আরম্ভ,     যিনি     পরম      দয়ালু,   করুণাময়।

اَلْحَمْدُ لِله     رَبِّ الْعٰلَمِیْنَۙ(۱)
1:1 সমস্ত  প্রশংসা  আল্লাহর  প্রতি, যিনি  মালিক  সমস্ত  জগদ্বাসীর;

الرَّحْمٰنِ  الرَّحِیْمِۙ(۲)
1:2 পরম দয়ালু, করুণাময়;

مٰلِكِ  یَوْمِ  الدِّیْنِؕ(۳)
1:3 প্রতিদান দিবসের মালিক।

اِیَّاكَ نَعْبُدُ   وَ اِیَّاكَ نَسْتَعِیْنُؕ(۴)
1:4     আমরা     তোমারই    ইবাদত     করি     এবং তোমারই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি!

রবিবার, ১০ মে, ২০২০

গরম থেকে বেঁচে থাকার মাদানী ফুল

গ্রীষ্মকাল একটি নেয়ামত

اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ عَزَّوَجَلّ! গ্রীষ্মকালও আল্লাহ্ তাআলার পক্ষ থেকে নেয়ামত স্বরূপ আর এর মধ্যে অসংখ্য হিকমত রয়েছে। গরমের তীব্রতা যখন বেড়ে যায়, তখন ধৈর্য ধারণ করা উচিত। ঠান্ডা ও গরমকে মন্দ বলা বড়ই দোষনীয় ব্যাপার। গরমের মৌসুমের ব্যাপারে অভিযোগকারী বস্তুত গরম সৃষ্টিকারীর প্রতি অভিযোগ করছে আর যেন বলছে, দেখো! আল্লাহ্ তাআলা গরমের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন!

আগুন দেখে অজ্ঞান হয়ে গেলো! (ঘটনা)

মু’মিন বান্দাকে গরমের তীব্রতা থেকে শিক্ষা গ্রহন করা উচিত। দুনিয়াবী গরমের মাধ্যমে কিয়ামতের দিনের গরমের তীব্রতা এবং জাহান্নামের বিভীষিকাময় আগুনের কথা স্মরণ করা উচিত। আজকে যখন দুনিয়ার সামান্য এই গরম সহ্য করা যাচ্ছে না, তবে কাল কিয়ামতের দিনের বিভীষিকাময় গরম ও আগুনের তাপ কিভাবে সহ্য করতে পারবে!

শনিবার, ৯ মে, ২০২০

মিস্ওয়াকের ২০টি মাদানী ফুল


প্রথমে দু’টি হাদীস শরীফ লক্ষ্য করুন:
১। মিস্ওয়াক করে দুই রাকাত নামায আদায় করা মিস্ওয়াক ছাড়া ৭০রাকাতের চেয়ে উত্তম। (আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, ১ম খন্ড, ১০২ পৃষ্ঠা, হাদীস- ১৮)।
২। মিস্ওয়াকের ব্যবহার নিজের জন্য আবশ্যক করে নাও কেননা, তাতে মুখের পরিচ্ছন্নতা এবং আল্লাহ্ তাআলার সন্তুষ্টির মাধ্যম রয়েছে। (মুসনাদে ইমাম আহমদ বিন হাম্বল, ২য় খন্ড, ৪৩৮ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৫৮৬৯)।
৩। দা’ওয়াতে ইসলামীর প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান মাকতাবাতুল মদীনা থেকে প্রকাশিত উর্দূ কিতাব “বাহারে শরীয়াত” প্রথম খন্ডের ২৮৮পৃষ্ঠায় সদরুশ শরীয়া, বদরুত তরীকা, হযরত আল্লামা মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ আমজাদ আলী আযমী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ লিখেন: মাশায়েখে কেরাম বলেন: “যে ব্যক্তি মিস্ওয়াকে অভ্যস্থ হয়, মৃত্যুর সময় তার কলেমা পড়া নসীব হয় এবং যে আফিম (এক প্রকার নেশার বস্তু) খায়, মৃত্যুর সময় তার কলেমা নসীব হবে না।”

ক্ষমা ও মার্জনার ফযীলত


মাদানী আকা  এর ক্ষমা প্রদর্শনের অনুপম দৃষ্টান্ত

হযরত  সায়্যিদুনা  আনাসرَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ  থেকে  বর্ণিত,  তিনি বলেন: একদা আমি নবী করীম, রউফুর রহীম  صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সাথে কোথাও যাচ্ছিলাম,আর তিনি  صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم   একটি নজরানি চাদর পরিধান করেছিলেন যার আঁচল মোটা অমসৃন ছিল হঠাৎ এক বেদুঈন (অর্থাৎ  আরবের  গ্রাম্য লোক)  তাঁর صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّ  চাদর মোবারক ধরে এমন জোরে টান দিল যার ফলে রাসুলে করীম صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর গর্দান মোবারকে চাদরের আঁচলের আঁচড় পড়ে গিয়েছিল সে বেদুঈন বলল: আল্লাহ্ তাআলার যে সম্পদ আপনার নিকট আছে, আপনি আদেশ দিন যাতে তা থেকে কিছু  আমিও  পাই  রহমতে  আলম  صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم  তার  দিকে ফিরলেন এবং মুচকি হাসলেন অতঃপর তাকে কিছু মাল দেয়ার জন্য আদেশ দিলেন (সহীহ বুখারী, ২য় খন্ড, ৩৫৯ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ৩১৪৯)

ফয়যানে লাইলাতুল ক্বদর (পর্ব-২)

এক হাজার শাহজাদা

সূরা ক্বদরের অন্য এক শানে নুযুল হচ্ছে, প্রসিদ্ধ তাবেঈ হযরত সায়্যিদুনা কাবুল আহবার رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বনী ইস্রাঈলে এক সৎচরিত্রবান বাদশাহ ছিলেন। আল্লাহ ওই যুগের নবী عَلَيْهِ السَّلَام এর প্রতি ওহী প্রেরণ করেন, অমুককে বলো, তার কি ইচ্ছা তা পেশ করতে। যখন তিনি সংবাদ পেলেন, তখন আরয করলেন, হে আমার মালিক! আমার আকাঙ্খা হচ্ছে, আমি আমার সমস্ত সম্পদ, সন্তান ও প্রাণ দিয়ে জিহাদ করবো। আল্লাহ তাআলা তাকে এক হাজার পুত্র সন্তান দান করলেন। সে তার একেকজন শাহজাদাকে তার সম্পদ সহকারে যুদ্ধযাত্রার জন্য প্রস্তুত করলেন। তারপর তাদেরকে আল্লাহ তাআলার রাস্তায় মুজাহিদ বানিয়ে প্রেরণ করতেন। সে এক মাস জিহাদ করতো এবং শহীদ হয়ে যেতো।

বুধবার, ৬ মে, ২০২০

মিসওয়াকের ফযীলত ও মিসওয়াক করার পদ্ধতি


কখন মিসওয়াকের সাওয়াব পাওয়া যাবে না!

প্রত্যেক আমল তার নিয়্যতের উপর নির্ভরশীল: ভাল নিয়্যত না হলে তার সাওয়াব পাওয়া যায় না। সুতরাং মিসওয়াক করার সময় এরূপ নিয়্যত করে নিন: “সুন্নাতের সাওয়াব অর্জনের জন্য মিসওয়াক করবো এবং এর দ্বারা যিকির ও দরূদ এবং কোরআন তিলাওয়াত করার জন্য মুখ পরিষ্কার করবো।”

মিসওয়াক সম্পর্কিত ১০টি হাদীস শরীফ

১: মিস্ওয়াক সহকারে দুই রাকাত নামায আদায় করা মিস্ওয়াক ছাড়া ৭০ রাকাতের চেয়ে উত্তম। (আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, ১/১০২, হাদীস- ১৮)

রবিবার, ৩ মে, ২০২০

রাগের চিকিৎসা :রাগ দমন করার ফযীলত (প্রথম অংশ)


শয়তানের তিনটি ফাঁদ

হযরত সায়্যিদুনা ফকীহ আবুল লাইছ সমরকন্দী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ “তাম্বীহুল গাফেলীন” নামক কিতাবে বর্ণনা করেন, হযরত সায়্যিদুনা ওয়াহাব বিন মুনাব্বিহ رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বলেন, একদা বনী ঈসরাইলের একজন বুযুর্গ কোথাও তাশরীফ নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে একটি স্থানে হঠাৎ পাথরের একটি বিশাল খন্ড উপরের দিক হতে মাথার নিকটে এসে পৌঁছল। তৎক্ষণাৎ তিনি আল্লাহ তাআলার যিকির আরম্ভ করে দিলেন। ফলে পাথরের খন্ডটি দূরে সরে গেল। অতঃপর ভয়ানক বাঘ ও হিংস্র জন্তু সমূহ প্রকাশ হতে লাগল।কিন্তু বুযুর্গ ব্যক্তিটি رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ ভীত না হয়ে আল্লাহ তা’আলার যিকিরে রত রইলেন। যখন ঐ বুযুর্গ নামাযে মশগুল হয়ে গেলেন তখন একটি সাপ এসে পায়ের সাথে জড়িয়ে গেল। এমনকি সাপটি পায়ের দিক হতে পেচাতে পেচাতে মাথা পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছল। যখন ঐ বুযুর্গ رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ সিজদা করার ইচ্ছা করতেন তখন ঐ সাপ চেহারার সাথে পেচিয়ে যেত। সিজদার জন্য মাথা ঝুঁকাতেই সে সাপ সিজদার জায়গায় (ঐ বুযুর্গকে) ভক্ষণ করার জন্য মুখ খুলে দিত। কিন্তু এতদসত্ত্বেও ঐ বুযুর্গ সে সাপকে সরিয়ে দিয়ে সিজদা করতে সফল হয়ে যেতেন। যখন নামায শেষ হল শয়তান প্রকাশ্যভাবে সামনে এসে উপস্থিত হল এবং বলতে লাগল, এই সমস্ত কাজগুলো আমিই করেছিলাম। আপনি খুবই সাহসী। আমি আপনার আচরণে খুবই প্রভাবিত হয়েছি। সুতরাং আমি এটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আপনাকে আর কখনো ধোঁকা দেব না। দয়া করে আপনি আমার সাথে বন্ধুত্ব করে নিন। ঐ বনী ইসরাঈলী বুযুর্গ শয়তানের এ আক্রমনকেও প্রতিহত করলেন এবং বললেন, তুই আমাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছিলি কিন্তু اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ عَزَّوَجَلّ আমি ভয় পায়নি। আর আমি কখনো তোর সাথে বন্ধুত্ব করবো না। শয়তান বলল, ঠিক আছে। অন্তত আপনি এটা জেনে নিন, আপনার ইন্তিকালের পর আপনার পরিবার বর্গের অবস্থা কেমন হবে? ঐ বুযুর্গ رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বললেন: তোর থেকে জানার আমার কোনো প্রয়োজন নেই, শয়তান বলল, তাহলে এটা জেনে নিন, আমি লোকদের কিভাবে ধোকা দিয়ে থাকি। তিনি বললেন, হ্যাঁ এটা বলে দাও। শয়তান বলল,আমার তিন ধরনের ফাঁদ আছে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২০

সাহ্‌রী ও ইফতারের সময়সূচি-২০২০

ইসলামী জীবন টিম কর্তৃক ডিজাইনকৃত সাহ্‌রী ও ইফতারের সময়সূচি-২০২০ প্রকাশ করা হয়েছে যা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকাশকৃত সময়সূচির আদলে বানানো।
বিভাগীয় শহরের সময়সূচি সরাসরি পাচ্ছেন এছাড়াও কিছু বড় শহরের সময়ও এখানে দেয়া আছে। অন্যান্য জেলার মুসলিমগণ যোগ বা বিয়োগ করে হিসাব করে নিতে পারবেন অথবা এই অ্যাপটি ডাউনলোড করেও নিজ নিজ জেলার সময় জানতে পারবেন। অ্যাপে সাহ্‌রীর সময়ের জন্য আজানের ৬ মিনিট পূর্বে আহার শেষ করতে হবে, আর ইফতারের জন্য আজানের সময় থেকে ২-৩ মিনিট পর  রোজা ভঙ্গ করতে হবে।
এই পোষ্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না।

পবিত্র মাহে রমযান ১৪৪১ হিজরী/ ২০২০ ইং এর সাহরী ইফতারের সময়সূচি।  সাহ্‌রির সময়, ইফতারের সময়, সাহ্‌রি ইফতারের সময়, ঢাকার সাহ্‌রির সময়, চট্টগ্রামের সাহ্‌রির সময়, ইফতারের সময়, সাহ্‌রি ইফতারের সময় সূচি ২০২০, Time of Sahri Ifter 2020, Time of Sahri Ifter for Bangladesh. বাংলাদেশের সাহ্‌রি ইফতারির সময় ২০২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সাহ্‌রি ইফতারির সময় ২০২০  নামাযের সময়, ইফতারির সময়, সাহরির সময়, সেহরীর সময়, সেহরির সময়, ইফতারীর সময়
ঢাকা জেলার জন্য প্রযোজ্য
পবিত্র মাহে রমযান ১৪৪১ হিজরী/ ২০২০ ইং এর সাহরী ইফতারের সময়সূচি।  সাহ্‌রির সময়, ইফতারের সময়, সাহ্‌রি ইফতারের সময়, ঢাকার সাহ্‌রির সময়, চট্টগ্রামের সাহ্‌রির সময়, ইফতারের সময়, সাহ্‌রি ইফতারের সময় সূচি ২০২০, Time of Sahri Ifter 2020, Time of Sahri Ifter for Bangladesh. বাংলাদেশের সাহ্‌রি ইফতারির সময় ২০২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সাহ্‌রি ইফতারির সময় ২০২০  নামাযের সময়, ইফতারির সময়, সাহরির সময়, সেহরীর সময়, সেহরির সময়, ইফতারীর সময়
চট্টগ্রাম জেলার জন্য প্রযোজ্য
পবিত্র মাহে রমযান ১৪৪১ হিজরী/ ২০২০ ইং এর সাহরী ইফতারের সময়সূচি।  সাহ্‌রির সময়, ইফতারের সময়, সাহ্‌রি ইফতারের সময়, ঢাকার সাহ্‌রির সময়, চট্টগ্রামের সাহ্‌রির সময়, ইফতারের সময়, সাহ্‌রি ইফতারের সময় সূচি ২০২০, Time of Sahri Ifter 2020, Time of Sahri Ifter for Bangladesh. বাংলাদেশের সাহ্‌রি ইফতারির সময় ২০২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সাহ্‌রি ইফতারির সময় ২০২০  নামাযের সময়, ইফতারির সময়, সাহরির সময়, সেহরীর সময়, সেহরির সময়, ইফতারীর সময়
নারায়ণগঞ্জ জেলার জন্য প্রযোজ্য

শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

প্রশ্নোত্তর (বয়ান করা, ওয়াজ নসীহত করা ও মহিলাদের ব্যক্তিগত বিষয়ে)

আলেম নন এমন কারো পক্ষে বয়ান করা হারাম

প্রশ্ন: কোন ইসলামী বোন যদি আলিমা না হয়ে থাকেন, তিনি কি ইসলামী বোনদের সুন্নাতে ভরা ইজতিমায় বয়ান করতে পারবেন?
উত্তর: যিনি যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন না, তিনি যেন দ্বীনি বয়ান না দেন। কেননা, আমার আক্বা আ’লা হযরত رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ ফতোওয়ায়ে রযবীয়ার ২৩তম খন্ডের ৩৭৮ পৃষ্ঠায় লিখেছেন: ওয়াজ বলুন আর যে কোন ধরনের কথাবার্তাই বলুন- এতে সব চেয়ে প্রথম কথা হল আল্লাহ্ তাআলা ও তাঁর রাসুল صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم وَ عَزَّوَجَلّ এর অনুমতি। যে ব্যক্তি যথেষ্ট জ্ঞানের মালিক নন, তার পক্ষে ওয়াজ করা হারাম। সেই ব্যক্তির ওয়াজ শোনাও জায়েয নেই। কেউ যদি مَعَاذَ الله عَزَّوَجَل বদ-মাযহাবী হয়ে থাকে, তাহলে সে তো শয়তানেরই প্রতিনিধি। তার কথা শোনা তো জঘন্য ধরনের হারাম। (মসজিদে বয়ান দেবার ক্ষেত্রে তাকে বাধাঁ প্রদান করতে হবে)। আবার কারো বয়ান দ্বারা যদি ফিতনা সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাহলে তাকেও ইমাম সাহেব সহ মসজিদের উপস্থিত লোকজন বাধাঁ দেবার হক রাখেন। আর যদি বিশুদ্ধ আকীদাসম্পন্ন পরিপূর্ণ সুন্নী আলেমে দ্বীন ওয়াজ করে থাকেন, তাহলে তাঁকে বাধাঁ দেবার অধিকার কেউ রাখে না। যেমন: মহান আল্লাহ তাআলা দ্বিতীয় পারার সূরা বাকারায় ১১৪ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেছেন:

وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّن مَّنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَن يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُہٗ

কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: কোন্ ব্যক্তি তার চেয়ে অধিক অত্যাচারী যে আল্লাহর মসজিদ সমূহে তাঁর নাম নেওয়ায় বাধাঁ প্রদান করে। (পারা: ২, সূরা: আল বাকারা, আয়াত: ১১৪) (ফতোওয়ায়ে রজবীয়া, ২৩তম খন্ড, ৩৭৮ পৃষ্ঠা)

বৃহস্পতিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

কাপড় পরিধান বিষয়ক সুন্নাত ও আদব

প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আল্লাহর দরবারে লক্ষ কোটি কৃতজ্ঞতা যে, তিনি আমাদেরকে কাপড় পরিধানের যোগ্যতা দান করেছেন, পক্ষান্তরে অন্যান্য জীব জন্তুর নিকট কাপড় পরিধানের যোগ্যতা নেই।পোষাক পরিচ্ছদ দ্বারা আমরা লজ্জাস্থান ঢাকতে পারি, ঠান্ডা ও গরম থেকে বাঁচতে পারি। আর কাপড় চোপড় আমাদের মান মর্যাদা সৌন্দর্য কে বহুগুনে বাড়িয়ে তোলে। তবে নানা সম্প্রদায়ের নানা ধরণের পোষাক হয়ে থাকে কিন্তু সর্বাপেক্ষা বৈশিষ্ট্যমন্ডিত, সম্মানিত ও স্বতন্ত্র হচ্ছে মুসলমানের পোষাক। নিম্নে পোষাকের ব্যাপারে কতিপয় সুন্নাত ও আদাব পেশ করা হলো-

۞ সাদা রংয়ের পোষাক সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ও উত্তম। এ রংয়ের পোষাক ছিল নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর অত্যন্ত পছন্দনীয় ও প্রিয়তর। হযরত সায়্যিদুনা সুমরা رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন: নবীয়ে পাক, সাহেবে লাওলাক, হুযুর পুর নূর صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন, “তোমরা সাদা পোষাক পরিধান করো, কেননা তা অত্যন্ত পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন এবং তা দ্বারা তোমরা মৃতদের কাফন পরিধান করাবে।”(সুনানে তিরমিযী শরীফ, হাদিস নং-২৮১৯, খন্ড-৪র্থ, পৃষ্ঠা-৩৭০)

বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

কালো বিচ্ছু (দাঁড়ি রাখার বিধান সম্বলিত)

কথিত আছে, একবার কোয়েটার নিকটবর্তী এক গ্রামে ‘ক্লিন শেভ’করা এক বেওয়ারিশ যুবকের লাশ পাওয়া যায়। প্রয়োজনীয় কাজকর্ম শেষে লোকজন মিলে লাশটি দাফন করে দিল। ইত্যবসরে মৃতের ওয়ারিশগণ খোঁজ খবর নিয়ে সেখানে এসে পৌঁছল। তারা লোকজনের সামনে তাদের ইচ্ছা প্রকাশ করল যে, তাদের এই প্রিয়জনের লাশটি তাদের গ্রামে নিয়ে গিয়ে সেখানে দাফন করতে চায়। অতএব, কবরের মাটি সরিয়ে ফেলা হল। লাশটির মুখের দিক হতে যখন পাথরের খন্ডটি সরিয়ে ফেলা হল তখন মৃতের অবস্থা দেখে লোকদের মুখ থেকে ভয়ঙ্কর চিৎকার বেরিয়ে আসল। কারণ, এইমাত্র যে যুবকটির লাশ দাফন করা হয়েছে, তার মুখ কাল দাঁড়িতে ছেয়ে গেছে, আর সে দাঁড়ি কালো চুলের নয় বরং তা ছিল কালো কালো বিচ্ছুরই। ভয়ঙ্কর, লোমহর্ষক এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত লোকজন ইস্তেগফার পড়তে থাকে এবং তাড়াতাড়ি কবরটি ঢেকে দিয়ে ভয়ে সকলে পালিয়ে গেল। 

ইস্তিখারা কি ও ইস্তিখারার নামাযের পদ্ধতি

ইস্তেখারার শিক্ষা দিতেন

মদীনার তাজেদার, হুযুরে আনওয়ার صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم লোকদেরকে গণনার পরিবর্তে ইস্তেখারার শিক্ষা দিয়েছেন। সুতরাং হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ থেকে বণির্ত , রাসূলে আকরম, নূরে মুজাসসাম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কোরআনের সূরা শিক্ষা দেওয়ার ন্যায় আমাদেরকে যে কোন বিষয়ে ইস্তেখারা করার শিক্ষা দিতেন। (বুখারী, কিতাবুত তাহাজ্জুদ, বাবু মা’জা ফিত তাতউয়ি মাছনা মাছনা, ১/ ৩৯৩, হাদীস- ১১৬২)

প্রসিদ্ধ মুফাসসির, হাকীমুল উম্মত হযরত মুফতী আহমদ ইয়ার খান رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ হাদীস শরীফটির আলোকে লিখেন: ইস্তেখারা মানে হলো মঙ্গল কামনা করা বা কারো নিকট হতে ভাল পরামর্শ গ্রহণ করা। যেহেতু ইস্তেখারার নামাযে এবং দোয়ায় বান্দা যেনো স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার নিকট পরামর্শ চায় যে, অমুক কাজটি করবো কি করবো না! তাই একে ইস্তেখারা বলা হয়। (মিরাতুল মানাজীহ, ২/ ৩০১)

শনিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

মুহাররম ও আশুরার রোযার ফযীলত

আশুরায় সংঘঠিত ৯টি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা

﴾১﴿ আশুরার দিন (অর্থাৎ ১০ মুহাররামুল হারাম) হযরত সায়্যিদুনা নুহ عَلٰی نَبِیِّنَاوَعَلَیْہِ الصَّلوٰۃُ وَالسَّلام এর নৌকা জুদী পাহাড়ে ভিড়ে।
﴾২﴿ এই দিনেই হযরত সায়্যিদুনা আদম সফিয়্যুল্লাহ عَلٰی نَبِیِّنَاوَعَلَیْہِ الصَّلوٰۃُ وَالسَّلام এর অনিচ্ছাকৃত ভূলের তাওবা কবুল করা হয়েছে। 
﴾৩﴿ এই দিনেই হযরত ইউনুস عَلٰی نَبِیِّنَاوَعَلَیْہِ الصَّلوٰۃُ وَالسَّلام এর সম্প্রদায়ের তাওবা কবুল করা হয়। 
﴾৪﴿ এই দিনেই হযরত সায়্যিদুনা ইব্রাহীম খলীলুল্লাহ عَلٰی نَبِیِّنَاوَعَلَیْہِ الصَّلوٰۃُ وَالسَّلام  জন্ম গ্রহণ করেন। 
﴾৫﴿ এই দিনেই হযরত সায়্যিদুনা ঈসা রুহুল্লাহ عَلٰی نَبِیِّنَاوَعَلَیْہِ الصَّلوٰۃُ وَالسَّلام কে সৃষ্টি করা হয়।(আল ফিরদাউস, ১ম খন্ড, ২২৩ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ৮৫৬।) 
﴾৬﴿ এই দিনেই হযরত সায়্যিদুনা মূসা কলিমুল্লাহ عَلٰی نَبِیِّنَاوَعَلَیْہِ الصَّلوٰۃُ وَالسَّلام ও তারঁ সম্প্রদায়ের মুক্তি অর্জিত হয় এবং ফিরআউন নিজ গোত্রসহ ডুবে যায়।(বুখারী, ২য় খন্ড, ৪৩৮ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ৩৩৯৭-৩৩৯৮।) 
﴾৭﴿ এই দিন সায়্যিদুনা ইউছুফ عَلٰی نَبِیِّنَاوَعَلَیْہِ الصَّلوٰۃُ وَالسَّلام এর কয়েদখানা থেকে মুক্তি অর্জিত হয়। 
﴾৮﴿ এই দিনেই হযরত সায়্যিদুনা ইউনুস عَلٰی نَبِیِّنَاوَعَلَیْہِ الصَّلوٰۃُ وَالسَّلام কে মাছের পেট থেকে বের করা হয়।(ফয়যুল কদীর, ৫ম খন্ড, ২৮৮ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ৭০৭৫।) 
﴾৯﴿ সায়্যিদুনা ইমাম হুসাইন رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ কে তাঁর শাহজাদা ও সঙ্গী সাথী সহ তিনদিন ক্ষুধার্ত তৃষ্ণার্ত রাখার পর এই আশুরার দিনেই কারবালার বুকে অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতার মাধ্যমে শহীদ করা হয়।

বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

অশুভ প্রথা বা কুসংস্কারে বিশ্বাস (৩)

রাশির ভাল-মন্দ প্রভাবের উপর বিশ্বাস করা কেমন?

নিজেকে জ্ঞানী বলে মনে করা অনেকে রাশির প্রভাবের উপর এমন ভাবে বিশ্বাস করে যে, বিয়ে ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ন্যায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও তারা নক্ষত্রের পরিভ্রমণ কিংবা অবস্থান অনুযায়ী করে থাকে। এ ধরনের লোক সহজেই জ্যোতিষী দাবীদারদের শিকারে পরিণত হয়, এদেরকে তারা বোকা বানিয়ে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। অনেক ক্ষেত্রে এমন হয় যে, ছেলে ও মেয়ের বিয়ের কথাবার্তা পাকাপোক্ত হয়ে গেছে, প্রয়োজনীয় দেখা-সাক্ষাৎ এবং পরস্পর তথ্য-উপাত্তের কাজও শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু এক পক্ষ এই বলে সম্পর্ক ছিন্ন করে দিল যে, আমি খোঁজ নিলাম যে, ছেলে আর মেয়ে পরস্পর রাশিতে মিলছে না, তাই এই বিয়ে হতে পারে না। আমার আক্বা আ’লা হযরত ইমামে আহলে সুন্নাত, মুজাদ্দিদে দ্বীন ও মিলাø ত, মাওলানা শাহ ইমাম আহমদ রযা খান رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ এর নিকট জিজ্ঞাসা করা হলো: আকাশের নক্ষত্ররাজির প্রভাব এবং সেগুলোর শুভ অশুভ প্রভাবে বিশ্বাস করা কেমন? আ’লা হযরত رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ উত্তর দিলেন: একজন আনুগত্যশীল মুসলমানের জন্য কোন বস্তুই অলক্ষুণে বা অশুভ নয়। অপরপক্ষে একজন কাফিরের জন্য কোন বস্তুই শুভ নয় এবং একজন গুনাহগার মুসলমানের জন্য তার ইসলামই শুভ, ইবাদত কেবল কবুল হওয়ার শর্তেই শুভ। গুনাহ করা বস্তুতই দুর্ভাগ্য। যদি রহমত এবং শাফায়াত তাকে সেই দুর্ভাগ্য থেকে বাঁচিয়ে নেয়, বরং দুর্ভাগ্যকে সৌভাগ্যে পরিণত করে দেয়, فَاُولٰئِكَ يُبَدِّلُ اللهُ سَيِّاٰتِهِمْ حَسَنٰتٍ  (কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: এমন লোকদের মন্দ কাজগুলোকে আল্লাহ সৎকর্মসমূহে পরিবর্তিত করে দেবেন;) (১৯তম পারা, আল ফুরকান, আয়াত ৭০) বরং কোন কোন সময় গুনাহ এভাবে সৌভাগ্য হয়ে যায় যে, বান্দা সেই গুনাহের কারণে ভীত ও সন্ত্রস্ত থাকে, তাওবা করে এবং নেক আমলের চেষ্টায় থাকে। তবে সেই গুনাহ দূরীভূত হয়ে গেছে এবং অনেক নেকী পেয়ে গেছে, বাকি রইল নক্ষত্রের বিষয়, সেগুলোতে শুভ অশুভ বলতে কিছুই নাই বরং কেউ যদি নক্ষত্রকে নিজস্ব গুণে প্রভাবশালী বলে মনে করে, তবে তা শিরক এবং সেগুলো থেকে সাহায্য চাওয়া হারাম, অন্যথায় সেগুলোর প্রতি মনোনিবেশ করা অবশ্যই তাওয়াক্কুলের বিপরীত। (ফতোয়ায়ে রযবীয়া, ২১/২২৩)

صَلُّوا عَلَى الحَبِيب ! صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد

অশুভ প্রথা বা কুসংস্কারে বিশ্বাস (২)

কুসংস্কারের কোন বাস্তবতা নেই

বুখারী শরীফে হযরত সায়্যিদুনা আবু হুরায়রা رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ থেকে বণির্ত , মদীনার তাজেদার, রাসূলদের সর্দার صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: সংক্রমণ বলতে কিছু নাই, না আছে কোন অশুভ ফাল তথা অশুভ ইঙ্গিত, আর নাই পেঁচা-ও, না শূন্য (খালি) ও কুষ্ঠ থেকে পালাবে, যেমনিভাবে বাঘ দেখে পালাও। (বুখারী, কিতাবুত তিব্ব, ৪/২৪, হাদীস- ৫৭০৭ ও ওমদাতুল কারী, কিতাবুত তিব্ব, ১৪/৬৯২, হাদীস- ৫৭০৭)
বুখারী শরীফের ব্যাখ্যাকারী মুফতী মুহাম্মদ শরীফুল হক আমজাদী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِহাদীস শরীফটির ব্যাখ্যায় বলেন: এই হাদীস শরীফটি থেকে প্রাপ্ত কিছু মাদানী ফুল উপস্থাপন করা হলো,

۞ জাহেলীয়তের যুগে মানুষের বিশ্বাস ছিলো যে, এমন কতগুলো রোগ রয়েছে যা অন্যের প্রতি সংক্রমিত হয়। যেমন: কুষ্ঠ, খোস পাঁচড়া, প্লেগ ইত্যাদি। হুযুরে পাক صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সেই বিশ্বাসকে নিশ্চিহ্ন করে দিলেন এবং নিষেধ করে দিলেন। একজন গ্রাম্য লোক এসে উপস্থিত হলো, সে বললো : আমার উটগুলো পরিস্কার- পরিচ্ছন্ন ও উন্নত     হয়ে থাকে। তা থেকে একটি খোস-পাচঁড়া বিশিষ্ট উট এসে সবাইকে খোস-পাচঁড়া বিশিষ্ট করে দিচ্ছে। হুযুর صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করলেন: প্রথমটিকে খোস-পাঁচড়া কে বানিয়েছিলো? সে বললো: আল্লাহ তায়ালা। ইরশাদ করলেন: এভাবে বাকিগুলোকেও আল্লাহ তায়ালাই খোস-পাঁচড়া বিশিষ্ট বানিয়েছেন।

পোস্ট শ্রেণি

অযু-গোসল-পবিত্রতা (12) আপডেট চলমান (25) আমাদের কথা ও অন্যান্য বিষয়াবলী (6) আমাদের প্রিয় নবী ﷺ (4) আরবি মাস ও ফযীলত (11) ইসলামী ইতিহাস ও শিক্ষনীয় ঘটনা (4) ইসলামী জীবন ও সুন্দর চরিত্র (4) ঈদ-কাযা-জানাযা-তারাবী-নফল ও অন্যান্য নামায (5) উত্তম আমল ও সাওয়াবের কাজ (4) কুরআন-তাফসীর ও হাদিস (16) কুরবানী (6) চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য কথন (14) জিকির-দোআ-দুরূদ ও ফযীলত (8) নবী-সাহাবী ও আওলিয়াদের জীবনী (8) নামায (17) পর্দা ও লজ্জাশীলতা (16) ফয়যানে জুমা (3) বদ আমল ও গুনাহের কাজ (2) মওত-কবর-হাশর ও আযাব (12) মাসআলা-মাসাইল ও প্রশ্নোত্তর (4) মাসাইল (30) যাকাত-ফিতরা ও সদক্বাহ'র বিধান (1) রোযা/রমযানের বিধান ও ফযীলত (9) সুন্নাত ও আদব/ মাদানী ফুল (38) হজ্ব-ওমরাহ ও যিয়ারতে মদিনা (27)

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন