আপডেট
স্বাগতম! ইসলামী জীবন ব্লগে নিয়মিত ভিজিট করুন আর শিখুন ইসলামীক জ্ঞান। শেয়ার করুন আপনার সোস্যাল সাইটে। প্রয়োজনে লাইভ চ্যাটের সহায়তা নিন। হোয়াটসঅ্যাপে ইসলামীক পোষ্ট পেতে +880 1946 13 28 62 নাম্বারে Post লিখে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দিন। ধন্যবাদ!
বাংলা ভাষায়, অলাভজনক, বৃহত্তম ইসলামীক ওয়েবসাইট বানানোর প্রত্যয়ে “ইসলামী জীবন“ কাজ করে যাচ্ছে। www.islamijibon.net

Sunday, March 11, 2018

আশিকে আকবার (আবু বকর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ এর সংক্ষিপ্ত জীবনী)

শৈশবের আশ্চর্যজনক ঘটনা 

দা’ওয়াতে ইসলামীর প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মাকতাবাতুল মদীনা কর্তৃক প্রকাশিত ৫৬১ পৃষ্ঠা সম্বলিত কিতাব ‘মালফূজাতে আলা হযরত’ ৪র্থ খন্ডের ৬০ থেকে ৬১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ কখনও মূর্তিকে সিজদা করেননি। অল্প বয়সে তাঁর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ পিতা তাঁকে মূর্তিঘরে নিয়ে যান আর বলেন, এটা হচ্ছে তোমার উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ প্রভু, তাকে সিজদা কর। যখন তিনি رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ মূর্তির সামনে গেলেন, তখন আবু বকর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ বললেন: আমি ক্ষুর্ধাত, আমাকে খাবার দাও? আমি বিবস্ত্র, আমাকে পরিধানের বস্ত্র দাও? আমি পাথর ছুঁড়ে মারছি, তুমি যদি সত্যিকার প্রভু হয়ে থাক, তা হলে নিজেকে বাঁচাও। মূর্তি কী জবাব দেবে! তিনি رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ একটি পাথর ছুঁড়ে মারলেন, পাথরটি লাগতেই মূর্তিটি মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। পিতা এই অবস্থা দেখে রাগান্বিত হয়ে গেল, পুত্রের চেহারায় একটি থাপ্পর মারল, সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ কে তাঁর মায়ের কাছে নিয়ে এল, সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করল: মা বললেন, আমার ছেলেকে তাঁর অবস্থায় ছেড়ে দিন, যখন সে ভূমিষ্ঠ হল, তখন অদৃশ্য হতে আওয়াজ এসেছিল... 

يَا اَمَةَ اللهِ عَلَى التَّحْقِيْقِ اَبْشِرِىْ بِالْوَلَدِ الْعَتِيْقِ اِسْمُہٗ فِى السَّمَاءِ الصِّدِّيْقُ لِمُحَمَّدٍ صَاحِبٌ وَّ رفِيْقٌ 

অনুবাদঃ “হে আল্লাহ পাকের সত্যিকার বাঁদী! তোমাকে সুসংবাদ দেওয়া হচ্ছে এ শিশুটি ‘আতীক’ বা মুক্ত, আসমানে এর নাম হচ্ছে ‘সিদ্দীক’। আর মুহাম্মদ صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সফরসঙ্গী এবং তাঁর সাথী।” 


রাসুল পাক صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর পবিত্র মজলিসে সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ এই ঘটনাটি বর্ণনা করেন। যখন ঘটনা শেষ করলেন,  জিব্রাঈল আমিন عَلَيْهِ السَّلَام তথায় উপস্থিত হলেন আর আরজ করলেন: صَدَقَ اَبُوْ بَكْرٍوَّهُوَ الصِّدِّيْقُ অর্থাৎ ‘আবু বকর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ সত্য বলেছেন, আর তিনি হচ্ছেন সিদ্দীক (সত্যবাদী)।’ 

হাদীসটি ইমাম আহমদ কাস্তুলানী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ শরহে  সহীহ বোখারীতে উল্লেখ করেন। 

(এরশাদুস সারী শরহে সহীহ বোখারী, খন্ড : ৮, পৃষ্ঠা : ৩৭০। মালফূজাতে আলা হযরত, পৃষ্ঠা : ৬০, ৬১)


সায়্যিদুনা সিদ্দীকে আকবরের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

প্রথম খলিফা, আমীরুল মুমিনীন, সায়্যিদুনা হযরত সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ এর পবিত্র নাম ‘আবদুল্লাহ’। উপনাম ‘আবু বকর’। উপাধি ‘সিদ্দীক’ ও ‘আতীক’। سُبْحٰنَ اللهِ عَزَّوَجَل! ‘সিদ্দীক’ অর্থ হল অত্যাধিক সত্যবাদী। তিনি অন্ধকার যুগে এই উপাধিতে ভূষিত হন। কারণ, তিনি সর্বদাই সত্য বলতেন। ‘আতীক’ অর্থ হল মুক্ত বা স্বাধীন। ছরকারে কায়েনাত , নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাঁকে সুসংবাদ দান করে বলেছিলেন, أَنْتَ عَتِيْقٌ مِّنَ النَّارঅর্থাৎ “তুমি জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত।” এ কারণেই এটা তাঁর উপাধি হয়। (তারীখুল খুলাফা, পৃষ্ঠা :২৯)

তিনি কোরাইশ বংশীয় আর রাসুলুল্লাহ صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর বংশের সাথে সপ্তম পুরুষে গিয়ে তাঁর বংশ মিলিত হয়। তিনি رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ যে বছর আবরাহা বাদশা হস্তীবাহিনী নিয়ে কাবা শরীফ ধ্বংস করার জন্যে এসেছিল সে ঘটনার প্রায় আড়াই বছর পর মক্কা শরীফে জন্মগ্রহণ করেন। আমীরুল মুমিনীন সায়্যিদুনা হযরত সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ হলেন সেই সাহাবী, যিনি তাজেদারে রিসালাত, শাহানশাহে নবুয়ত, হুযুর পুরনুর, নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর রিসালতের সর্বপ্রথম সত্যতা স্বীকারকারী। তিনি হলেন ‘জামিউল কামালাত’ বা সকল পূর্ণতার ধারক-বাহক এবং ‘মাজমাউল ফাজায়েল’ বা সমস্ত ফযীলতের সমন্বয়কারী। কারণ, আম্বিয়ায়ে কিরাম عَلَيْهِمُ الصَّلوٰۃُ وَالسَّلام এর পর আগের ও পরের সকল মানুষের মধ্যে তিনিই সব চেয়ে উত্তম ও মর্যাদাশীল। স্বাধীন পুরুষদের মধ্যে তিনিই সর্বপ্রথম ইসলাম কবুল করেন। প্রত্যেক জিহাদেই তিনি সর্বোৎকৃষ্ঠ যোদ্ধার সাজে শরীক ছিলেন। সন্ধি বা যুদ্ধের যে কোন চুক্তি ও ফয়সালায় তিনি মাহবুবে রহমান, হুযুর পুর নুর صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর পরামর্শদাতা হয়ে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে সঙ্গ দিয়ে নিজের জীবন বিসর্জনসহ পরম বিশ্বস্ততার হক আদায় করেন। ২ বৎসর ৭ মাস খেলাফতের মসনদে সমাসীন থেকে ২২ জমাদিউস সানী ১৩ হিজরী সোমবার দিন অতিবাহিত করার পর ইনতিকাল করেন। আমীরুল মুমিনীন সায়্যিদুনা হযরত ওমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ তাঁর জানাযার নামায পড়ান, রওজায়ে রাসূল, হুজুরে আকদাস صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর পবিত্র ডান পাশে সমাহিত হন। (আল ইকমালু ফি আসমায়ির রিজাল, পৃষ্ঠা : ৩৮৭। তারিখুল খুলাফা, পৃষ্ঠা : ২৭-৬২, বাবুল মদীনা করাচী)

সায়্যিদুনা সিদ্দীকে আকবরের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

প্রথম খলিফা, আমীরুল মুমিনীন, সায়্যিদুনা হযরত সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ এর পবিত্র নাম ‘আবদুল্লাহ’। উপনাম ‘আবু বকর’। উপাধি ‘সিদ্দীক’ ও ‘আতীক’। سُبْحٰنَ اللهِ عَزَّوَجَل! ‘সিদ্দীক’ অর্থ হল অত্যাধিক সত্যবাদী। তিনি অন্ধকার যুগে এই উপাধিতে ভূষিত হন। কারণ, তিনি সর্বদাই সত্য বলতেন। ‘আতীক’ অর্থ হল মুক্ত বা স্বাধীন। ছরকারে কায়েনাত , নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাঁকে সুসংবাদ দান করে বলেছিলেন, أَنْتَ عَتِيْقٌ مِّنَ النَّارঅর্থাৎ “তুমি জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত।” এ কারণেই এটা তাঁর উপাধি হয়। (তারীখুল খুলাফা, পৃষ্ঠা :২৯)

তিনি কোরাইশ বংশীয় আর রাসুলুল্লাহ صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর বংশের সাথে সপ্তম পুরুষে গিয়ে তাঁর বংশ মিলিত হয়। তিনি رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ যে বছর আবরাহা বাদশা হস্তীবাহিনী নিয়ে কাবা শরীফ ধ্বংস করার জন্যে এসেছিল সে ঘটনার প্রায় আড়াই বছর পর মক্কা শরীফে জন্মগ্রহণ করেন। আমীরুল মুমিনীন সায়্যিদুনা হযরত সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ হলেন সেই সাহাবী, যিনি তাজেদারে রিসালাত, শাহানশাহে নবুয়ত, হুযুর পুরনুর, নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর রিসালতের সর্বপ্রথম সত্যতা স্বীকারকারী। তিনি হলেন ‘জামিউল কামালাত’ বা সকল পূর্ণতার ধারক-বাহক এবং ‘মাজমাউল ফাজায়েল’ বা সমস্ত ফযীলতের সমন্বয়কারী। কারণ, আম্বিয়ায়ে কিরাম عَلَيْهِمُ الصَّلوٰۃُ وَالسَّلام এর পর আগের ও পরের সকল মানুষের মধ্যে তিনিই সব চেয়ে উত্তম ও মর্যাদাশীল। স্বাধীন পুরুষদের মধ্যে তিনিই সর্বপ্রথম ইসলাম কবুল করেন। প্রত্যেক জিহাদেই তিনি সর্বোৎকৃষ্ঠ যোদ্ধার সাজে শরীক ছিলেন। সন্ধি বা যুদ্ধের যে কোন চুক্তি ও ফয়সালায় তিনি মাহবুবে রহমান, হুযুর পুর নুর صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর পরামর্শদাতা হয়ে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে সঙ্গ দিয়ে নিজের জীবন বিসর্জনসহ পরম বিশ্বস্ততার হক আদায় করেন। ২ বৎসর ৭ মাস খেলাফতের মসনদে সমাসীন থেকে ২২ জমাদিউস সানী ১৩ হিজরী সোমবার দিন অতিবাহিত করার পর ইনতিকাল করেন। আমীরুল মুমিনীন সায়্যিদুনা হযরত ওমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ তাঁর জানাযার নামায পড়ান, রওজায়ে রাসূল, হুজুরে আকদাস صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর পবিত্র ডান পাশে সমাহিত হন। (আল ইকমালু ফি আসমায়ির রিজাল, পৃষ্ঠা : ৩৮৭। তারিখুল খুলাফা, পৃষ্ঠা : ২৭-৬২, বাবুল মদীনা করাচী)

সর্বপ্রথম কে ঈমান আনে?

দা’ওয়াতে ইসলামীর প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মাকতাবাতুল মদীনা কর্তৃক প্রকাশিত ৯২ পৃষ্ঠা সম্বলিত কিতাব ‘সাওয়ানেহে কারবালা’ এর ৩৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে: যদিও সাহাবায়ে কিরামসহ তাবেঈনের বেশিরভাগই এই কথার উপর জোর দিযেছেন যে, সর্বপ্রথম মুমিন হলেন সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ কিন্তু কোন কোন মনীষী বলেছেন যে, সর্বপ্রথম মুমিন হলেন হযরত আলী رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ । আবার কেউ কেউ বলেছেন, হযরত খাদীজাতুল কুবরা رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا সর্বপ্রথম ঈমান এনেছেন। ইমামুল আয়িম্মা, সিরাজুল উম্মাহ, হযরত ইমাম আযম আবু হানীফা رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ এ মন্তব্য গুলোকে এভাবে সাজিয়েছেন যে, পুরুষদের মধ্যে সর্বপ্রথম মুমিন হলেন হযরত আবু বকর সিদ্দীক رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ । মহিলাদের মধ্যে প্রথম মুমিন হলেন উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদীজাতুল কুবরা رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا আর শিশু বয়সে ঈমান আনয়নকারীদের মধ্যে সর্বপ্রথম মুমিন হলেন হযরত আলী رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ । (তারিখুল খুলাফা লিস সুয়ূতী, পৃষ্ঠা : ২৬)

সর্বশ্রেষ্ঠ কে?

দা’ওয়াতে ইসলামীর প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মাকতাবাতুল মদীনা কর্তৃক প্রকাশিত ৯২ পৃষ্ঠা সম্বলিত কিতাব ‘সাওয়ানেহে কারবালা’ এর ৩৮ ও ৩৯ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে: ‘এই বিষয়ে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত একমত যে, নবীগণের পর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হলেন হযরত আবু বকর সিদ্দীক رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ , তারপর হযরত ওমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ , এরপর হযরত ওসমান رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ , অত:পর হযরত আলী رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ , তাঁদের পরে শ্রেষ্ঠ হলেন আশারায়ে মুবাশ্শারাগণ, এরপর বদর-যোদ্ধাগণ, অত:পর উহুদ-যোদ্ধাগণ, এরপর বাইয়াতে রিদ্বওয়ানে অংশগ্রহণকারীগণ, অত:পর শ্রেষ্ঠ হলেন সমস্ত সাহাবায়ে কিরাম عَلَيْهِمُ الرِّضْوَان ।‘ এই ঐকমত্যের বর্ণনা আবু মনসুর বাগদাদী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বলেন: ইবনে আসাকির رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ হযরত ইবনে ওমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ‘রাসুলে পাক صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আমাদের মাঝে উপস্থিত থাকা অবস্থায়ও আমরা আবু বকর, ওমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ , ওসমান ও আলীকে শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা দিতাম।’ (ইবনে আসাকির, খন্ড : ৩০, পৃষ্ঠা : ৩৪৬)

ইমাম আহমদ رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বর্ণনা করেন, হযরত আলী رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ মুরতাদ্বা رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ বলেন: নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর পরে এই উম্মতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হচ্ছে হযরত আবু বকর ও হযরত ওমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُمَا (ইবনে আসাকির, খন্ড : ৩০, পৃষ্ঠা : ৩৫১)

যাহবী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বলেন, এ বর্ণনাটি হযরত আলী رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ থেকে মুতাওয়াতির রেওয়ায়ত। (তারিখুল খুলাফা লিস সুয়ূতী, পৃষ্ঠা : ৩৪)

আমি অপবাদ দেওয়ার শাস্তি দেব

ইবনে আসাকির رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ , আবদুর রহমান ইবনে আবু লায়লা رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ থেকে বণর্না করেন যে, হযরত আলী মুরতাদ্বা رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ বলেন: ‘যে ব্যক্তি আমাকে হযরত আবু বকর ও হযরত ওমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ হতে শ্রেষ্ঠ বলবে, আমি তাকে অপবাদ দেওয়ার সাজা দেব।’ (তারিখে দামেশক লিইবনে আসাকির, খন্ড : ৩০, পৃষ্ঠা : ৩৮৩, দারুল ফিকর বৈরুত)

কালামে হাসান

আলা হযরতের ভাইজান, যুগের প্রসিদ্ধ ওস্তাদ, হযরত মাওলানা হাসান রযা খান رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ লিখিত কিতাব ‘যওকে নাত’ এ ‘নবীগণের পর শ্রেষ্ঠ মানুষ’ আল্লাহর মাহবুবের প্রিয়পাত্র, সত্যনিষ্ঠা ও পবিত্রতার ধারক- বাহক হযরত সায়্যিদুনা আবু বকর সিদ্দীক ইবনে আবু কুহাফা رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ এর শানে লিখেছেন:

বয়াঁ হো কিস জবাঁ সে মর্তবায়ে সিদ্দীকে আকবর কা
হে এয়ারে গারে মাহবুবে খোদা সিদ্দীকে আকবর কা 
ইয়া ইলাহী রহম ফরমা, খাদেমে সিদ্দীকে আকবর হোঁ
তেরি রহমত কে সদকে ওয়াসেতা সিদ্দীকে আকবর কা
রুসুল অওর আম্বিয়া কে বাদ জূ আফজল হো আলম সে
ইয়ে আলম মেঁ হে কিস কা মর্তবা, সিদ্দীকে আকবর কা
গাদা সিদ্দীকে আকবর কা খোদা সে ফজল পাতা হে
খোদা কে ফজল সে হোঁ মাঁই গাদা, সিদ্দীকে আকবর কা
দ্বঈফী মেঁ ইয়ে কুওয়ত হে দ্বঈফোঁ কো কভী কর দেঁ 
সাহারা লেঁ দ্বঈফ ও আক্বভিয়া, সিদ্দীকে আকবর কা 
হুয়ে ফারূক ও ওসমান ও আলী জব দাখেলে বাইআত 
বনা ফখরে সালাসেল সিলসিলা সিদ্দীকে আকবর কা 
মকামে খাবে রাহাত চায়ন সে আরাম করনে কো
বনা পেহ্লোয়ে মাহবুবে খোদা সিদ্দীকে আকবর কা 
আলী হেঁ উস কে দুশমন অওর উও দুশমন আলী কা হে 
জু দুশমন আক্বল কা দুশমন হুয়া সিদ্দীকে আকবর কা 
লুটায়া রাহে হক মেঁ ঘর কঈ বার ইস মহব্বত মেঁ
কে লুট লুট কর হাসান ঘর বন গয়া সিদ্দীকে আকবর কা।

সম্পদ ও প্রাণ রাসূলুল্লাহর উপর কুরবান

অসংখ্য হাদিসের বর্ণনাকারী, সায়্যিদুনা হযরত আবু হুরায়রা رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ থেকে বর্নিত, মক্কী-মাদানী সুলতান, আল্লাহ তা’আলার প্রিয় মাহবুব, নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন:

مَا نَفَعَنِىْ مَالٌ قَطُّ مَا نَفَعَنِىْ مَالُ اَبِى بَكْر

অর্থাৎ : “আমাকে আবু বকরের সম্পদ যে উপকার দিয়েছে, অন্য কারো সম্পদ সে উপকার দেয়নি।” নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর এই সুসংবাদ শুনে সায়্যিদুনা হযরত আবু বকর সিদ্দীক رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ কান্না আরম্ভ করে দিলেন, আরজ করলেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ্ صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ! আমার এবংআমার সমস্ত সম্পদের মালিক তো আপনি। (সুনানে ইবনে মাজাহ,খন্ড : ১, পৃষ্ঠা : ৭২, হাদিস নং: ৯৪, দারুল মারিফাত বৈরুত)

ওয়হি আঁখ উন কা জূ মুঁহ্ তকে, ওয়হি লব কেহ্ মাহভ্ হো নাত কে
ওয়হি সর জূ উনকে লিয়ে ঝুকে, ওয়হি দিল জূ উন পে নেছার হে।
(হাদায়েকে বখশিশ)

صَلُّوا عَلَى الحَبِيب ! صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد

প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! উক্ত রেওয়ায়াত থেকে বুঝা গেল, হযরত সায়্যিদুনা সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ এর আক্বীদা এরূপ ছিল যে, আমরা সবাই মাহবুবে রাব্বুল আনাম, নবীয়ে করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর গোলাম আর গোলামদের সমস্ত সম্পদের মালিক তাদের মুনিব হয়ে থাকে, আমরা গোলামদের নিজস্ব বলতে আছেই বা কী?

কিয়া পেশ করে জানাঁ কিয়া চীজ হামারি হে 
ইয়ে দিল ভি তোমারা হে ইয়ে জাঁ ভি তোমারি হে।

আপনার নামে জান কুরবান

ইসলামের প্রাথমিক যুগে যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করতেন, তিনি যতদূর সম্ভব সে কথা গোপন রাখতেন কারণ, নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم পক্ষ থেকে এই নির্দেশ ছিল। এতে করে কাফেরদের পক্ষ হতে আসা অত্যাচার ও নিপীড়ন থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। মুসলমান পুরুষদের সংখ্যা যখন ৩৮ এ উপনীত হয়, তখন সায়্যিদুনা হযরত আবু বকর সিদ্দীক رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ রাসুলে আনওয়ার صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর দরবারে আরজ করলেন: ‘হে আল্লাহর রাসুল صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ! এবার আপনি প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচারের অনুমতি দিন।’ দো জাহানের মালিক ও মুখতার, রোজ হাশরের সুপারিশকারী, নবীয়ে আকরাম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم প্রথমে প্রস্তাবটি নাকচ করে দেন, কিন্তু বার বার অনুরোধ করাতে অনুমতি দিলেন। তিনি সমস্ত মুসলমানদের সাথে নিয়ে মসজিদে হেরেম শরীফে গমন করেন আর খতীবে আউয়াল সায়্যিদুনা হযরত সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ বয়ান শুরু করেন।
খোৎবা আরম্ভ করতেই কাফের মুশরিকেরা চতুর্দিক হতে মুসলমানদের উপর আক্রমণ করল। পবিত্র মক্কা নগরীতে তাঁর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ আভিজাত্য ও মহত্ব সর্বজন স্বীকৃত ছিল, এতদসত্ত্বেও অসভ্য কাফেরগণ তাঁকে এমনভাবে আঘাত করল যে, তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়ে গেল। এমনকি তিনি رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ বেহুশ হয়ে গেলেন। যখন তাঁর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ গোত্রের লোকেরা জানতে পারল, তারা তাঁকে সেখান থেকে নিয়ে আসল। সবাই মনে করল, হযরত সায়্যিদুনা সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ আর বাঁচবেন না। সন্ধ্যার দিকে তাঁর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ যখন হুশ ফিরে আসল, সর্বপ্রথম তাঁর মুখ থেকে উচ্চারিত হল, আল্লাহ্ তা’আলার প্রিয় হাবীব صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কেমন আছেন? এ কথা শুনে লোকেরা তাঁকে অনেক তিরষ্কার করল, তাঁর সাথে থাকার কারণে এই বিপদ আসল, তা সত্ত্বেও তাঁর নাম নিচ্ছ!
সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ সম্মানিত আম্মাজান উম্মুল খায়ের খাবার নিয়ে এলেন। কিন্তু তাঁর একই কথা, হুযুর পাক صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর কী অবস্থা? তাঁর মা বলল: আমি জানিনা। তখন সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ বললেন: (হযরত সায়্যিদুনা ওমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ এর বোন) উম্মে জামীল رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا থেকে জেনে আসুন। তাঁর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ দরদী মা নিজের কলিজার টুকরার এমন কঠিন অবস্থায় ব্যাকুল হয়ে আবেদন পূরণ করার জন্য হযরত সায়্যিদুনা উম্মে জামীলের رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا এর নিকট গেলেন। আর সরওয়ারে মাসূম, হুযুর صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর অবস্থার কথা জানতে চাইলেন। তিনিও অসহায় অবস্থার কারণে নিজের ইসলাম গ্রহণের কথা গোপন রেখেছিলেন, যেহেতু উম্মুল খায়ের তখনও মুসলমান হননি, তাই তিনি না জানার ভান করে বললেন, আমি কী জানি, কে মুহাম্মদ (صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ) আর কে আবু বকর (رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ)। অবশ্য আপনার পুত্রের কথা শুনে আমি অত্যন্ত ব্যথিত ও মর্মাহত হলাম। আপনি যদি বলেন, তবে আপনার সাথে গিয়ে তার অবস্থা দেখে আসতে পারি। উম্মুল খায়ের তাঁকে ঘরে নিয়ে এলেন। তিনি হযরত আবু বকর সিদ্দীকের এই অবস্থা দেখে কান্না করতে লাগলেন। সায়্যিদুনা সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ জিজ্ঞাসা করলেন, আমার আক্বা صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সংবাদ দিন। সায়্যিদুনা হযরত উম্মে জামীল رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا তাঁর সম্মানিত মায়ের দিকে ইঙ্গিত করে দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন। তিনি বললেন: তাঁকে ভয় করার প্রয়োজন নেই। এবার উম্মে জামীল বললেন: নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আল্লাহ তা’আলার রহমতে সুস্থ ও ভাল আছেন, তিনি বর্তমানে “দারে আরকাম” অর্থাৎ সায়্যিদুনা হযরত আরকাম رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ গৃহে অবস্থান করছেন। সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ বললেন: আল্লাহর কসম! আমি ততক্ষন পর্যন্ত কোন কিছু পানাহার করব না, যতক্ষণ না শাহানশাহে নবুয়ত, হুযুর পুর নুর صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর জিয়ারতের সৌভাগ্য অর্জন করব না। অত:পর তাঁর আম্মাজান তাঁকে নিয়ে রাতের শেষ ভাগে রাসুলে পাক صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর খেদমতে দারুল আরকামে গিয়ে উপস্থিত হলেন।
আশিকে আকবর সায়্যিদুনা হযরত সিদ্দীকে আকবর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ হুজুর আনওয়ার صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে জড়িয়ে ধরে অঝোর নয়নে কান্নায় ঢলে পড়লেন। হুযুর পাক صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সহ সেখানে উপস্থিত সকলে কান্না করতে লাগলেন, কারণ; সায়্যিদুনা সিদ্দীকে আকবরের এই করুণ অবস্থা অবলোকন করা সম্ভব হচ্ছিল না। অত:পর তিনি رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ আল্লাহর রাসুল صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর দরবারে আবেদন করলেন, ইনি আমার আম্মাজান। আপনি তাঁর হিদায়তের জন্য দোয়া করুন আর তাঁকে ইসলামের দাওয়াত দিন। শাহে খাইরুল আনাম, নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাঁকে ইসলামের দাওয়াত দিলেন। اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ عَزَّوَجَلّ ! তিনি সাথে সাথে মুসলমান হয়ে গেলেন। (আল বিদায়তু ওয়ান নিহায়া, খন্ড : ২, পৃষ্ঠা : ৩৬৯, ৩৭০, দারুল ফিকর বৈরুত)

জিসে মিল গেয়া গমে মুস্তাফা, উসে জিন্দেগী কা মজা মিলা 
কভি সায়লে আশকে রওয়াঁ হুয়া, কভি ‘আহ্’ দিল মেঁ দবি রহি।
(ওয়াসায়েলে বখশিশ)

صَلُّوا عَلَى الحَبِيب ! صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد




পোস্ট শ্রেণি

অন্যান্য (15) অযু-গোসল-পবিত্রতা (14) আকিকা (1) আমাদের কথা (1) আযান (3) আযাব (4) ইতিকাফ (1) ইফতারী (1) ইবাদত (14) ইসলামী ইতিহাস (8) ঈদের নামায (1) ওমরা (27) কবর যিয়ারত (8) কাযা নামায (3) কারবালা (7) কালিমা (1) কুরবানী (6) কুসংস্কার (3) খেজুর (1) চিকিৎসা (12) জানাযা নামায (3) তওবা (4) তারাবীহ (3) দিদারে ‍মুস্তফা (1) দুরূদ শরীফের ফযিলত (8) নামায (24) নিয়ত (2) পর্দা ও পর্দার বিধান (15) পিতা-মাতা হক্ব (1) প্রতিযোগিতা (2) প্রশ্নোত্তর (16) ফয়যানে জুমা (3) ফযিলত (11) বদ আমল (5) বিদআত (4) ভালবাসা (1) মওত-কবর-হাশর (7) মদিনা (2) মনীষীদের জীবনী (7) মা (1) মাদানী ফুল (28) মাসাইল (88) মিলাদুন্নবী (2) মিসওয়াক (1) মুহাররম (2) যাকাত-ফিতরা (1) রজব (3) রমযান (13) রুহানী ইলাজ (4) রোজা (17) লাইলাতুল ক্বদর (1) শাওয়াল (1) শাবান (3) শিক্ষনীয় ঘটনা (2) শিশু (3) সদক্বাহ (1) সাহরী (1) সিরাতুন্নবী (2) সুন্নাত ও আদব (26) স্বাস্থ্য কথন (10) হজ্ব (27) হাদিস (1)

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন