আপডেট
স্বাগতম! ইসলামী জীবন ব্লগে নিয়মিত ভিজিট করুন আর শিখুন ইসলামীক জ্ঞান। শেয়ার করুন আপনার সোস্যাল সাইটে। প্রয়োজনে লাইভ চ্যাটের সহায়তা নিন। হোয়াটসঅ্যাপে ইসলামীক পোষ্ট পেতে +880 1946 13 28 62 নাম্বারে Post লিখে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দিন। ধন্যবাদ!
বাংলা ভাষায়, অলাভজনক, বৃহত্তম ইসলামীক ওয়েবসাইট বানানোর প্রত্যয়ে “ইসলামী জীবন“ কাজ করে যাচ্ছে। www.islamijibon.net
Showing posts with label সুন্নাত ও আদব. Show all posts
Showing posts with label সুন্নাত ও আদব. Show all posts

Thursday, September 13, 2018

কাপড় পরিধান বিষয়ক সুন্নাত ও আদব

প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আল্লাহর দরবারে লক্ষ কোটি কৃতজ্ঞতা যে, তিনি আমাদেরকে কাপড় পরিধানের যোগ্যতা দান করেছেন, পক্ষান্তরে অন্যান্য জীব জন্তুর নিকট কাপড় পরিধানের যোগ্যতা নেই।পোষাক পরিচ্ছদ দ্বারা আমরা লজ্জাস্থান ঢাকতে পারি, ঠান্ডা ও গরম থেকে বাঁচতে পারি। আর কাপড় চোপড় আমাদের মান মর্যাদা সৌন্দর্য কে বহুগুনে বাড়িয়ে তোলে। তবে নানা সম্প্রদায়ের নানা ধরণের পোষাক হয়ে থাকে কিন্তু সর্বাপেক্ষা বৈশিষ্ট্যমন্ডিত, সম্মানিত ও স্বতন্ত্র হচ্ছে মুসলমানের পোষাক। নিম্নে পোষাকের ব্যাপারে কতিপয় সুন্নাত ও আদাব পেশ করা হলো-

۞ সাদা রংয়ের পোষাক সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ও উত্তম। এ রংয়ের পোষাক ছিল নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর অত্যন্ত পছন্দনীয় ও প্রিয়তর। হযরত সায়্যিদুনা সুমরা رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন: নবীয়ে পাক, সাহেবে লাওলাক, হুযুর পুর নূর صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন, “তোমরা সাদা পোষাক পরিধান করো, কেননা তা অত্যন্ত পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন এবং তা দ্বারা তোমরা মৃতদের কাফন পরিধান করাবে।”(সুনানে তিরমিযী শরীফ, হাদিস নং-২৮১৯, খন্ড-৪র্থ, পৃষ্ঠা-৩৭০)

Saturday, July 28, 2018

প্রতিবেশীর অধিকার সম্পর্কিত ১৫ টি মাদানী ফুল

৮টি হাদীস শরীফ 
(১) “আল্লাহ্ তা’আলা নেক মুসলমানের সদকায়/ খাতিরে তাঁর আশেপাশের ১০০টি ঘর থেকে বিপদাপদ দূরীভূত করে দেন। অতঃপর তিনি صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এই আয়াতে করীমা তিলাওয়াত করেন: 

وَلَوْلَا دَفْعُ اللهِ النَّاسَ بَعْضَهُم بِبَعْضٍ لَّفَسَدَتِ الْأَرْضُ 

কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: ”আর যদি আল্লাহ্ মানুষের মধ্য থেকে একজনকে অন্যের দ্বারা প্রতিহত না করেন, তবে অবশ্যই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে।” (৩য় পারা, সূরা বাক্বারা, আয়াত- ২৫১) (মাজমাউয যাওয়ায়িদ, ৮ম খন্ড, ২৯৯ পৃষ্ঠা, হাদীস- ১৩৫৩৩) 

(২) “আল্লাহ্ তা’আলার নিকট সর্বোত্তম প্রতিবেশী হল- যে আপন প্রতিবেশীর কল্যাণকামী হয়ে থাকে।” (তিরমিযী, ৩য় খন্ড, ৩৭৯ পৃষ্ঠা, হাদীস- ১৯৫১) 

(৩) “ঐ ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যার দুষ্টামী থেকে প্রতিবেশী নিরাপদ নয়।” (মুসলিম, ৪৩ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৪৬) 

(৪) “ঐ ব্যক্তি মুমীন নয়, যে নিজে পেট ভরে আহার করেছে, আর তার প্রতিবেশী অনাহারে রয়েছে।”(শুয়াবুল ঈমান, ৩য় খন্ড, ২২৫ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৩৩৮৯) অর্থাৎ- সে পূর্ণঙ্গ মুমীন নয়। 

Tuesday, April 10, 2018

কবর ও দাফনের মাদানী ফুল (নিয়মাবলী)

۞আল্লাহ্ তাআলার বাণী: 

أَلَمْ نَجْعَلِ الْأَرْضَ كِفَاتًا (25) أَحْيَاءً وَأَمْوَاتًا (26) 

কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: আমি কি জমিনকে একত্রকারী করিনি। তোমাদের জীবিত ও মৃতদের। (পারা- ২৯, সূরা- মুরসালাত, আয়াত- ২৫, ২৬) 

এ আয়াতে মোবারাকার ব্যাখ্যায় “নূরুল ইরফান” ৯২৭ পৃষ্ঠার বর্ণিত আছে; এভাবে যে, জীবিতরা যমীনের পৃষ্ঠের উপর আর মৃতরা যমীনের পেটে একত্রিত আছে। 

۞মৃতকে দাফন করা ফরযে কিফায়া (অথার্ৎ একজনও দাফন করে দেয় তবে সবাই দায়মুক্ত হয়ে যাবে, নতুবা যার কাছে সংবাদ পৌঁছেছিল আর দাফন করাইনি গুনাহগার হবে) মৃতকে যমীনে রেখে চারিদিক থেকে দেয়াল দিয়ে বন্ধ করে দেয়া জায়েয নেই। (বাহারে শরীয়তে, ১ম খন্ড, ৮৪২ পৃষ্ঠা) 

۞কবর সমুহ আল্লাহ্ তাআলার নেয়ামত। কেননা, এতে মৃতকে দাফন করে দেয়া হয়। যাতে পশু এবং অন্যান্য বস্তগুলো তার খেয়ানত না করে। 

Tuesday, March 27, 2018

জানাযার ১৫টি মাদানী ফুল

৪টি ফরমানে মুস্তফা صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم 

১। যে (ব্যক্তি)কোন মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে মৃতের পরিবারের নিকট গিয়ে সমবেদনা প্রকাশ করলো, তবে আল্লাহ্ তাআলা তার জন্য এক ক্বিরাত সাওয়াব লিখে দিবেন, অতঃপর যদি মৃতের সাথে যায় তবে আল্লাহ্ তাআলা দুই ক্বিরাত প্রতিদান লিখেন, অতঃপর যদি মৃতের জানাযার নামায আদায় করে, তবে তিন ক্বিরাত, অতঃপর যদি কাফন-দাফনে উপস্থিত থাকে তবে চার ক্বিরাত আর প্রতি ক্বিরাত উহুদ পাহাড়ের সমান। (সংশোধিত ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ৯ম খন্ড, ৪০১ পৃষ্ঠা। উম্দাতুল ক্বারী, ১ম খন্ড, ৪০০ পৃষ্ঠা, হাদীস: ৪৭) 

২। মুসলমানের প্রতি অপর মুসলমানের ছয়টি হক রয়েছে, (তার মধ্যে একটি হলো) যখন মৃত্যু হবে তখন তার জানাযায় অংশ নেয়া। (মুসলিম, ১১৯২ পৃষ্ঠা, হাদীস নং: ৫ (২১৬২), সংক্ষেপিত) 

৩। “যখন কোন জান্নাতী ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তখন আল্লাহ্ তাআলা ঐ সমস্ত লোকদের শাস্তি দিতে লজ্জাবোধ করেন যারা তার জানাযা নিয়ে চলে, যারা এর পেছনে চলে এবং যারা তার জানাযার নামায আদায় করে। (আল ফিরদাউস বিমাসুরিল খাত্তাব, ১০ম খন্ড, ২৮২ পৃষ্ঠা, হাদীস নং: ১১০৮) 

Monday, February 19, 2018

তেল লাগানো ও চিরুনী ব্যবহার সম্পর্কিত ১৯টি মাদানী ফুল

﴾১﴿ হযরত সায়্যিদুনা আনাস رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ বলেন: আল্লাহর মাহবুব, হুযুর পুরনূর, নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم প্রায়ই আপন মাথা মোবারকে তেল ব্যবহার করতেন, আর দাঁড়ি মোবারক চিরুনী দিয়ে আঁচড়াতেন। মাথা মোবারকে প্রায়ই কাপড় রাখতেন। এমনকি কাপড়টি তেলে ভিজা থাকত। [ আশ শামায়িলুল মোহাম্মদীয়া লিত তিরমিযী, ৪র্থ পৃষ্ঠা] বুঝা গেল, ‘সারবন্দ’ ব্যবহার করা সুন্নাত। ইসলামী ভাইদের উচিত, যখনই মাথায় তেল লাগাবে, ছোট একটি কাপড় মাথায় বেঁধে নেবে। এতে করে اِنْ شَاءَ الله عَزَّوَجَلّ টুপি ও পাগড়ী মাথার তেল থেকে রক্ষা পাবে। اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ عَزَّوَجَل সগে মদীনা عُفِىَ عَنْهُ (লিখক) অনেক বছর ধরে ‘সারবন্দ’ ব্যবহার করে আসছে।

﴾২﴿ নবী করীম, রউফুর রহীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْهِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: “যার চুল রয়েছে, সে যেন সেগুলোর সম্মান করে।” [সুনানে আবু দাঊদ, ৩ খন্ড, ১০৩ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৪১৬৩]। অর্থাৎ সেগুলো ধৌত করবে, তেল লাগাবে, আর চিরুনী দিয়ে আঁচড়াবে। [আশি‘আতুল লুমআত, ৩ খন্ড, ৬১৭ পৃষ্ঠা]

Sunday, February 18, 2018

বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাদানী ফুল

আল্লাহর অলীর আমন্ত্রণের কাহিনী 

কোন এক ধনবান ব্যক্তি একদা হযরত সায়্যিদুনা হাতেম আসাম رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ কে দাওয়াত দিল এবং আমন্ত্রণে যাওয়ার জন্য খুব জোর করল। তিনি বললেন: তুমি যদি আমার এ তিনটি শর্ত মেনে নাও, তাহলে আসব। ১. আমার যেখানে ইচ্ছা বসব। ২. আমার যা ইচ্ছা খাব। ৩. আমি যা বলব, তোমাদের তা করতে হবে। ধনবান লোকটি এই তিনটি শর্ত মেনে নিল। আল্লাহর অলীর সাক্ষাতের জন্য অসংখ্য লোকজন জমা হল। নির্দিষ্ট সময়ে হযরত সায়্যিদুনা হাতেম আসাম رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِএসে পৌঁছলেন। লোকজন যেখানে তাদের জুতো রেখেছিল তিনি এসেই সেখানে বসে গেলেন। খাওয়া-দাওয়া যখন শুরু হল, হযরত সায়্যিদুনা হাতেম আসাম رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ আপন থলের ভিতর থেকে একটি শুকনো রুটি বের করে তা খেয়ে নিলেন। খাওয়া-দাওয়া যখন শেষ হয়ে গেল, তিনি মেজবানকে উদ্দেশ্য করে বললেন: একটি চুলা নিয়ে আস আর তাতে একটি তাবা রাখ। যেই হুকুম সেই কাজ। আগুনের তাপে যখন তাবাটি কয়লার মত লাল হয়ে গেল, তিনি رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ তখন সেই তাবাটির উপর খালি পায়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। আর বললেন: আজকের খাবারে আমি শুকনো রুটি খেয়েছি। এই কথা বলে তিনি رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ তাবা থেকে নেমে গেলেন। এরপর উপস্থিত সকলকে উদ্দেশ্য করে বললেন: আপনারা প্রত্যেকেও এক এক করে এই তাবায় দাঁড়িয়ে আজকের দাওয়াতে যা যা খেয়েছেন তার হিসাব দিয়ে যান। এ কথা শুনে লোকদের মুখে চিৎকার শুরু হল। সকলে সমস্বরে বলল: হুজুর! এই ক্ষমতা তো আমাদের কারো নেই। (কোথায় গরম তাবা আর কোথায় আমাদের নরম পা। আমরা সবাই তো এমনিতেই গুনাহ্গার (দুনিয়াবাজ লোক)। তিনি رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বললেন: যেক্ষেত্রে আপনারা দুনিয়ার এই গরম তাবায় দাঁড়িয়ে আজকের মাত্র এক বেলা খাবারের মত নেয়ামতের হিসাব দিতে অপারগ রয়ে গেলেন, সেক্ষেত্রে কাল কিয়ামতের দিন এত দীর্ঘ জীবনের সকল নেয়ামতের হিসাবগুলো কীভাবে দিবেন? অতঃপর তিনি সূরা তাকাসুরের শেষের আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন:
 ثُمَّ لَتُسئَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ النَّعِيْمِ 

কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: অতঃপর অবশ্যই সেদিন তোমাদের সবাইকে নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। 

Wednesday, February 14, 2018

মেহমানদারীর ২০টি মাদানী ফুল

۞ছয়টি হাদীস শরীফ:
(১) “যে (ব্যক্তি) আল্লাহ্ এবং কিয়ামতের প্রতি বিশ্বাস রাখে তার উচিত মেহমানকে সম্মান করা।” (বুখারী, ৪র্থ খন্ড, ১০৫ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৬০১৮) প্রখ্যাত মুফাস্সীর হাকীমুল উম্মত হযরত মুফতী আহমদ ইয়ার খাঁন رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ এ হাদীস শরীফের ব্যাখ্যায় বলেন: মেহমানের সম্মান হলো; তার সাথে উৎফুল্লভাবে সাক্ষাৎ করবে, তার জন্য খাবার এবং অন্যান্য খেদমতের ব্যবস্থা করবে, যথাসম্ভব নিজের হাতে তার সেবা করবে। (মিরআত, ৬ষ্ঠ খন্ড, ৫২ পৃষ্ঠা)
(২) “যখন কোন মেহমান কারো কাছে আসে তখন নিজের রিযিক (সাথে) নিয়ে আসে আর (যখন) তার কাছ থেকে চলে যায় তখন ঘরের মালিকের গুনাহ ক্ষমা হওয়ার মাধ্যম হয়ে থাকে।” (কানযুল উম্মাল, ৯ম খন্ড, ১০৭ পৃষ্ঠা, হাদীস- ২৫৮৩১)
(৩) “যে নামায কায়েম করলো, যাকাত আদায় করলো, হজ্ব সম্পাদন করলো, রমযানের রোযা রাখলো এবং মেহমানদারী করলো তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (আল মুজামুল কবীর, ১২তম খন্ড, ১০৬ পৃষ্ঠা, হাদীস- ১২৬৯২)
(৪) “যে ব্যক্তি (সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও) মেহমানদারী করে না, তার মধ্যে কোন কল্যাণ নেই।” (মুসনদে ইমাম আহমদ বিন হাম্বল, ৬ষ্ঠ খন্ড, ১৪২ পৃষ্ঠা, হাদীস- ১৭৪২৪)

Sunday, November 19, 2017

মসজিদ সুবাশিত রাখুন (মসজিদের আদব)

মসজিদে কফ দেখে হুযুর পুরনূর এর অসন্তুষ্টি

একবার নবীয়ে রহমত, শফিয়ে উম্মত, তাজেদারে রিসালাত صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم মসজিদে নববী শরীফের زَادَهَا اللهُ شَرَفًا وَّتَعْظِيْمًا কিবলার দিকে কফ পড়ে থাকতে দেখে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করলেন। তা দেখে এক আনসারী সাহাবীয়া رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا উঠলেন এবং তা পরিস্কার করে সেখানে সুগন্ধি লাগিয়ে দিলেন। অতঃপর হুযুর পুরনূর صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আনন্দচিত্তে ইরশাদ করলেন: مَا اَحْسَنَ هٰذا অর্থাৎ এই মহিলা কতইনা উত্তম কাজ করলো। (নাসাঈ, ১২৬ পৃষ্ঠা, হাদীস নং: ৭২৫)

ফারুকে আযম এবং মসজিদে সুগন্ধি

সায়্যিদুনা ফারুকে আযম رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ প্রতি জুমা মোবারকে মসজিদে নববী শরীফে زَادَهَا اللهُ شَرَفًا وَّتَعْظِيْمًا সুগন্ধির ধোঁয়া দিতেন। (মুসনদে আবি ইয়ালা, ১ম খন্ড, ১০৩ পৃষ্ঠা, হাদীস নং: ১৮৫)

صَلُّوا عَلَى الحَبِيب ! صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد 


মসজিদ সুবাসিত রাখুন!

উম্মুল মু’মিনীন হযরত সায়্যিদাতুনা আয়েশা সিদ্দীকা رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا বর্ণনা করেন: প্রিয় আক্বা, উভয় জাহানের দাতা, রাসূলুল্লাহ্ صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم মহল্লায় মহল্লায় মসজিদ নির্মাণের ও সেগুলো পরিস্কার এবং সুবাসিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। (সুনানে আবি দাউদ, ১ম খন্ড, ১৯৭ পৃষ্ঠা, হাদীস নং: ৪৫৫)

Wednesday, October 11, 2017

চলাফেরা করার ১৫টি সুন্নাত ও আদব

(১) পারা ১৫ সূরা বনী ইসরাঈল আয়াত নং ৩৭ এর মধ্যে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,

وَلَا تَمْشِ فِي الْأَرْضِ مَرَحًا ۖ إِنَّكَ لَن تَخْرِقَ الْأَرْضَ وَلَن تَبْلُغَ الْجِبَالَ طُولًا (৩৭)

কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: এবং ভূ পৃষ্ঠে অহংকার করে চলাফেরা করো না নিশ্চয় কখনো তুমি ভূ-পৃষ্ঠকে বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং কখনো উচ্চতার মধ্যে পাহাড় সমান হতে পারবে না।

(২) দাওয়াতে ইসলামীর প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মাকতাবাতুল মাদীনা কর্তৃক প্রকাশিত ৩১২ পৃষ্ঠা সম্বলিত কিতাব বাহারে শরীয়ত এর ১৬ অংশের, ৭৮ পৃষ্টার মধ্যে ফরমানে মুস্তফা صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم বর্ণিত রয়েছে, এক ব্যক্তি দুইটি চাদর পরিহিত অবস্থায় অহংকার করে চলছিল তাকে ভূ-পৃষ্ঠে দাবিয়ে দেয়া হল। সে কিয়ামত পর্যন্ত দাবতেই থাকবে। (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৫৪৬৫)

(৩) মাদীনার তাজেদার, উভয় জগতের সরদার صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কখনো কখনো পথ চলতে চলতে কোন সাহাবীর হাত আপন হাত মুবারকে নিয়ে নিতেন। (আল মুজামুল কাবীর লিত তাবরানী, খন্ড-৭, পৃ-১৬২)

আমরাদ অর্থাৎ সুশ্রী বালকদের হাত ধরবেন না, কামভাব নিয়ে যে কোন ইসলামী ভাইয়ের হাত ধরা কিংবা মুসাফাহা করা (অর্থাৎ হাত মিলানো) অথবা কুলাকুলি করা হারাম ও জাহান্নামে নিক্ষেপকারী কাজ।

Tuesday, August 29, 2017

নামাযের প্রায় ৯৬টি সুন্নাত

তাকবীরে তাহরীমার সুন্নাত সমূহ


(১) তাকবীরে তাহরীমার জন্য হাত উঠানো,
(২) এ  সময়  হাতের  আঙ্গুলগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় রাখা। (অর্থাৎ না একেবারে মিলিয়ে রাখবেন, না ফাক   রাখবেন)   
(৩)  উভয়   হাতের   তালু  ও আঙ্গুলগুলোর   পেট   কিবলামূখী   রাখা।   
(৪)  তাকবীরের সময় মাথা না ঝুঁকানো,
(৫) তাকবীর শুরু করার পূর্বেই উভয় হাতকে কান পর্যন্ত উঠিয়ে নেয়া,
(৬)  কুনূতের তাকবীর ও 
(৭) দুই  ঈদের তাকবীর  গুলোতেও   এগুলো   সুন্নাত।  (দুররে  মুখতার, রদ্দুল মুহতার,  ২য় খন্ড,    ২০৮ পৃষ্ঠা) ইমামের উচ্চস্বরে اَللهُ اَكْبَرُ বলা,
(৯) سَمِـعَ  اللهُ لِمَنْ حَمِدَه এবং 
(১০) সালাম বলা  (প্রয়োজনের অতিরিক্ত আওয়াজকে উঁচু করা মাকরূহ)  (রদ্দুল মুহতার, ২য় খন্ড,  ২০৮ পৃষ্ঠা)
(১১) তাকবীরের পরপরই হাত   বেঁধে  ফেলা  সুন্নাত। (অনেকেই তাকবীরে উলার  পর  হাত ঝুলিয়ে   দেয় অথবা কনুই  ঝুলিয়ে দেয় অথবা কনুই  দু’টি পিছনের   দিকে একবার ঝাঁকি  দিয়ে  তারপর হাত বাঁধে।  তাদের এ কাজ   সুন্নাতের  পরিপন্থী) ।   (দুররে মুখতার, রদ্দুল মুহতার, ২য় খন্ড, ২২৯ পৃষ্ঠা) 

Saturday, July 29, 2017

অযু ও বিজ্ঞান (পর্ব-৭)

অযুর রহস্য শুনার কারণে ইসলাম গ্রহণ

এক  ব্যক্তির  বর্ণনা:  “আমি  বেলজিয়ামে  কোন  এক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অমুসলিম শিক্ষার্থীকে ইসলামের     দাওয়াত দিলাম।       সে       জিজ্ঞাসা করলো:   “অযুর মধ্যে   কি কি বৈজ্ঞানিক রহস্য  আছে?” আমি নির্বাক হয়ে যাই। তাকে একজন আলিমের নিকট নিয়ে গেলাম কিন্তু তাঁর কাছেও এর  কোন জ্ঞান  ছিল  না।  অবশেষে  বিজ্ঞানের  জ্ঞান    রাখেন    এমন এক   ব্যক্তি    তাকে   অযুর যথেষ্ট সৌন্দর্য বর্ণনা করলো কিন্তু গর্দান মাসেহ করার     রহস্য   বর্ণনা   করতে    তিনিও অপারগ হলেন।  এরপর  সে  অমুসলীম  (বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী) চলে যায়। কিছু  দিন পর  এসে বলল, “আমাদের      প্রফেসর লেকচারের মাঝখানে  বলেছেন, “যদি  গর্দানের পৃষ্ঠদেশে  ও  দু’পার্শ্বে  দৈনিক কয়েক ফোটা  পানি  লাগিয়ে    দেয়া হয়  তাহলে    মেরুদন্ডের    হাড়  ও দূষিত     মজ্জার  সংক্রমণ  থেকে সৃষ্ট ব্যাধি সমূহ  থেকে  নিরাপদ থাকা যায়।”    এটা     শুনে অযুর    মধ্যে    গর্দান মাসেহ্   করার   রহস্য  আমার  বুঝে  এসে   যায়। অতএব  আমি মুসলমান  হতে  চাই    এবং  শেষ পর্যন্ত বাস্তবেই সে মুসলমান হয়ে গেলো।

صَلُّوْا عَلَی  الْحَبِیْب!          صَلَّی اللهُ  تَعَالٰی عَلٰی مُحَمَّد

পশ্চিম জার্মানীর সেমিনার

Friday, July 7, 2017

অপচয় থেকে বাঁচার ১৪টি মাদানী ফুল

(১)      আজ    পর্যন্ত    যতধরণের     অবৈধ     অপচয় করেছেন তা থেকে তাওবা করে ভবিষ্যতে আর কখনও কোন ধরণের অপচয় না করার প্রতিজ্ঞা করে নিন।
(২)  অযু   গোসলও যাতে সুন্নাত মোতাবেক হয় এবং পানিও  যাতে  কম খরচ হয় সেরূপ  নিয়ম  নীতি গড়ে   তোলার চিন্তাভাবনা    করুন   এবং কিয়ামতের   দিন   প্রতিটি     অণু   ও    বিন্দুরই   যে  হিসাব    নিকাশ হবে    তা    ভয়    করুন।    আল্লাহ্  তাআলা পারা ৩০  সূরা যিলযালের ৭  ও  ৮  নং আয়াতের মধ্যে ইরশাদ করেন:


فَمَنۡ یَّعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّۃٍ خَیۡرًا یَّرَہٗ  ؕ(7) وَ مَنۡ یَّعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّۃٍ شَرًّا یَّرَہٗ (8)

কানযুল   ঈমান থেকে অনুবাদ:  সুতরাং  যে অনু পরিমাণ  সৎকাজ  করবে  সে  তা  দেখতে  পাবে  এবং যে    অনু  পরিমাণ   মন্দ    কাজ  করবে,  সে তাও দেখতে পাবে।

Wednesday, June 14, 2017

মিসওয়াক বিষয়ক মাদানী ফুল

❁ দু’টি ফরমানে মুস্তফা صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم:
১। মিসওয়াক করে দুই রাকাত নামায আদায় করা মিসওয়াক  ছাড়া  ৭০  রাকাতের  চেয়ে  উত্তম।  (আত-তারগীব ওয়াত  তারহীব, ১মখন্ড, ১০২   পৃষ্ঠা, হাদীস-১৮)
২। মিসওয়াকের ব্যবহার নিজের জন্য    আবশ্যক    করে     নাও।     কেননা,     তাতে মুখের       পরিচ্ছন্নতা এবং      আল্লাহ্     তাআলার সন্তুষ্টির মাধ্যম রয়েছে। (মুসনাদে ইমাম আহমদ বিন    হাম্বল,    ২য়   খন্ড,    ৪৩৮    পৃষ্ঠা, হাদীস- ৫৮৬৯)
মিসওয়াক
❁ হযরত সায়্যিদুনা  ইবনে  আব্বাস  رَضِیَ اللہُ   تَعَالٰی   عَنۡہُ বলেন:  মিসওয়াকে দশটি  গুণাগুণ রয়েছে:    মুখ পরিষ্কার   করে,   মাড়ি    মজবুত করে,  দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়,  কফ দূর  করে, মুখের দূর্গন্ধ     দূর     করে, সুন্নাতের  অনুসরণ       হয়, ফিরিশতারা   খুশি   হয়,   আল্লাহ   তাআলা   সন্তুষ্ট  হন,   নেকী   বৃদ্ধি   করে, পাকস্থলী   ঠিক রাখে।  (জামউল    জাওয়ামি’    লিস   সুয়ুতী,    ৫ম   খন্ড,  ২৪৯      পৃষ্ঠা,      হাদীস-      ১৪৮৬৭)     
❁      হযরত  সায়্যিদুনা    ইমাম    শাফেয়ী    رَحْمَۃُ      اللّٰہِ    تَعَالٰی    عَلَیْہِ বলেন:  চারটি জিনিস জ্ঞান  বৃদ্ধি  করে: অনর্থক কথাবার্তা    থেকে    বিরত    থাকা,    মিস্ওয়াকের  ব্যবহার,     নেককার     লোকদের    সংস্পর্শ    এবং নিজের  জ্ঞানের  উপর   আমল   করা।   (হায়াতুল হায়ওয়ান   লিদ্দামীরী,   ২য়     খন্ড,  ১৬৬   পৃষ্ঠা) 

Sunday, June 11, 2017

অযু: অযু ভঙ্গ হওয়া ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন মাসাইল- (পর্ব ৪)

ক্ষত    ইত্যাদি   থেকে     রক্ত     বের   হওয়ার    ৫টি হুকুম



❁    রক্ত,  পুঁজ   বা  হলুদ    রঙের  পানি   শরীরের কোন স্থান থেকে বের হয়ে এমন স্থানে গড়িয়ে পড়ল বা গড়িয়ে পড়ার শক্তি ছিলো যা ধৌত করা অযু বা গোসলের মধ্যে ফরয। তাহলে অযু ভঙ্গ  হয়ে  যাবে। (বাহারে   শরীয়াত,   ১ম  খন্ড, ৩০৪ পৃষ্ঠা) 
❁  রক্ত যদি দেখা  যায় বা বের হয় কিন্তু গড়িয়ে পড়েনি,  যেমন- সূঁচের   মাথা   বা ছুরির     ধারালো     প্রান্ত  ইত্যাদি      বিদ্ধ    হওয়ার কারণে  রক্ত  বের  হয়  বা    দেখা গেলো    অথবা দাঁত খিলাল  করলো  বা   মিসওয়াক  করলো  বা আঙ্গুল   দ্বারা   দাঁত   মাজলো     অথবা   দাঁত দ্বারা কোন   জিনিস   যেমন-আপেল   ইত্যাদি কামড়  দিলো    এবং   এতে    রক্তের   চিহ্ন   দেখা   গেলো অথবা নাকের ছিদ্রে  আঙ্গুল প্রবেশ  করাল  এবং এতে রক্তের  লালচে   রং  দেখা গেলো  কিন্তু তা  প্রবাহিত হওয়ার মত ছিলো না তাহলে অযু ভঙ্গ হবে না।   (বাহারে   শরীয়াত,   ১ম  খন্ড, ৩০৪ পৃষ্ঠা)  
❁    যদি   রক্ত    বের   হয়ে প্রবাহিত হয় কিন্তু  প্রবাহিত  হয়ে এমন স্থানে না পৌঁছে  যা  ধৌত  করা  অযু  বা গোসলের  মধ্যে  ফরয, যেমন-চোখে   দানা  ছিলো তা ফেঁটে বের না হয়ে ভিতরেই রয়ে  গেলো।   অথবা  রক্ত  বা   পুঁজ বের না হয়ে কানের ভিতরেই   রয়ে গেলো অযু      ভঙ্গ    হবে     না।   (প্রাগুক্ত,   ২৭   পৃষ্ঠা)   
❁ ক্ষতস্থান খুবই বড়  এবং এতে  আর্দ্রতাও  দেখা যাচ্ছে, কিন্তু আর্দ্রতা যতক্ষণ পর্যন্ত প্রবাহিত হবে না   অযু   ভঙ্গ   হবে   না।  (বাহারে   শরীয়াত,   ১ম  খন্ড, ৩০৪ পৃষ্ঠা)

অযুর ফরয, সুন্নাত, মুস্তাহাব, মাকরূহ ও অন্যান্য- (পর্ব-৩)

অযুর ফরয ৪টি 

❁ মুখমন্ডল  ধৌত  করা।                                                        
❁  কনুই সহ দু’হাত ধৌত   করা।  
❁    মাথার   এক  চতুর্থাংশ  মাসেহ্ করা।    
 ❁    টাখনু সহ    দুই    পা    ধৌত    করা। (ফতোওয়ায়ে     আলমগিরী,  ১ম খন্ড, ৩, ৪, ৫ পৃষ্ঠা।   বাহারে  শরীয়াত,  ১ম খন্ড, ২৮৮ পৃষ্ঠা)
অযুর ফরয, সুন্নাত, মুস্তাহাব, মাকরূহ

ধৌত করার সংজ্ঞা


কোন অঙ্গকে ধৌত করার অর্থ হচ্ছে, ঐ অঙ্গের প্রতিটি অংশে কমপক্ষে  দু ফোঁটা পানি প্রবাহিত করা। শুধুমাত্র  ভিজে  যাওয়া, পানিকে    তেলের মত     মালিশ    করা     অথবা    এক    ফোঁটা     পানি প্রবাহিত করাকে “ধৌত করা”  বলা   যাবে    না, আর   না   এইভাবে   অযু   গোসল   আদায়   হবে।  (ফতোওয়ায়ে  রযবীয়া  (সংকলিত) ,  ১ম  খন্ড, ২১৮ পৃষ্ঠা। বাহারে শরীয়াত,    ১ম   খন্ড, ২৮৮ পৃষ্ঠা)

Saturday, June 10, 2017

অযু: ফযিলত, পদ্ধতি, দোআ ও মাদানী ফুল- (পর্ব-১)

হযরত    ওসমান      গণি    رَضِیَ    اللّٰہُ    تَعَالٰی    عَنْہُ     এর  নবী-প্রেম

একদা  হযরত  সায়্যিদুনা  ওসমান  গণি  رَضِیَ  اللّٰہُ  تَعَالٰی   عَنْہُ  এক জায়গায়  পৌঁছে অযুর জন্য    পানি চাইলেন       এবং     অযু করলেন     আর     আপনা আপনিই  মুচকি হাসলেন। তারপর  সঙ্গীদেরকে  বললেন:   “আপনারা   কি   জানেন!   আমি   কেন মুচকি হাসলাম?” অতঃপর তিনি নিজেই নিজের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বললেন: “একদা হুযুর পুরনূর صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیۡہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এই জায়গায় অযু  করেছিলেন এবং অযু  শেষ করে তিনি        মুচকি      হেসেছিলেন      এবং      সাহাবায়ে কিরামদের      عَلَیۡہِمُ     الرِّضۡوَان     উদ্দেশ্যে ইরশাদ  করেন:      “তোমরা      কি       জান,      আমি        কেন  হেসেছি?”     তদুত্তরে সাহাবায়ে    কেরাম    عَلَیۡہِمُ  الرِّضۡوَان   আরয     করলেন:   “আল্লাহ্   তাআলা   ও তাঁর রাসূল صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیۡہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ই এ বিষয়ে ভাল জানেন।”   প্রিয়  মুস্তফা  صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیۡہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم    ইরশাদ  করেন:  “যখন  মানুষ  অযু     করে তখন      হাত ধোয়ার     সময়        হাতের     গুনাহ্, মুখমন্ডল    ধোয়ার    সময়    মুখমন্ডলের    গুনাহ্,  মাথা মাসেহ্ করার সময় মাথার গুনাহ্, আর পা ধোয়ার   সময়   পায়ের  গুনাহ  সমূহ্   ঝরে  যায়।  (মুসনাদে ইমাম   আহমদ  বিন  হাম্বল, খন্ড ১ম, পৃষ্ঠা ১৩০, হাদীস নং-৪১৫)

صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ تَعَالٰی عَلٰی مُحَمَّد

Sunday, April 30, 2017

কবর যিয়ারত করার নিয়মাবলী, সুন্নাত ও দোআ সমূহ


তাজেদারে রিসালত, শাহেনশাহে নবুয়ত, মুস্তফা জানে রহমত, শময়ে বজ্‌মে হিদায়ত, নওশায়ে বজ্‌মে জান্নাত, নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেছেন: “যে আমার সুন্নাতকে ভালবাসল, সে আমাকেই ভালবাসল। আর যে আমাকে ভালবাসল, সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে। (মিশকাতুল মাছাবীহ্, ১ম খন্ড, ৫৫ পৃষ্ঠা, হাদিস- ১৭৫)

সীনা তেরি সুন্নাতো মদীনা বনে আক্বা, 
জান্নাত মে পড়ূসী মুঝে তুম আপনা বনানা।

صَلُّوا عَلَى الحَبِيب صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد

কবরস্থানে হাজির হওয়ার ১১টি মাদানী ফুল
(১) নবী করীম, রউফুর রহীম ﷺ ইরশাদ করেছেন: “আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত করার জন্য নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা কবর যিয়ারত কর কেননা সেটা দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তির কারণ, আর আখেরাতকে স্মরণ করিয়ে দেয়।” (সুনানে ইবনে মাযাহ্, ২য় খন্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ১৫৭১, দারুল মারিফাহ, বৈরুত)

(২) অলী আল্লাহর মাজার শরীফ বা কোন মুসলমানের কবর যিয়ারতের জন্য যেতে চাইলে মুস্তাহাব হচ্ছে, প্রথমে নিজের ঘরে (মাকরুহ ওয়াক্ত না হলে) দুই রাকাত নফল নামায পড়া, প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পরে একবার আয়াতুল কুরসী ও তিনবার সূরা ইখলাস পড়ে এ নামাযের সাওয়াব সাহিবে কবরকে পৌছিয়ে দিন। আল্লাহ তাআলা সেই মৃত ব্যক্তির কবরে নূর সৃষ্টি করবে আর এ (সাওয়াব প্রেরণকারী) ব্যক্তিকে অনেক বেশী সাওয়াব দান করা হবে। (ফতোওয়ায়ে আলমগীরি, ৫ম খন্ড, ৩৫০ পৃষ্ঠা, দারুল ফিকর, বৈরুত)

৩) মাজার শরীফ বা কবর যিয়ারতের জন্য যাওয়ার সময় রাস্তায় অনর্থক কথায় মশগুল না হওয়া। (ফতোওয়ায়ে আলমগীরি, ৫ম খন্ড, ৩৫০ পৃষ্ঠা, দারুল ফিকর, বৈরুত)

(৪) কবরস্থানের মধ্যে ঐ সাধারণ রাস্তা দিয়ে যাবেন, যেখানে পূর্বে কখনও মুসলমানদের কবর ছিল না, যে রাস্তা নতুন তৈরী করেছে সেটার উপর দিয়ে যাবেন না। “রদ্দুল মুহতার” এ রয়েছে (কবরস্থানের মধ্যে কবর প্রশস্ত করে) যে নতুন রাস্তা বের করা হয়েছে সেটার উপর চলাফেরা করা হারাম। (রদ্দুল মুহতার, ১ম খন্ড, ৬১২ পৃষ্ঠা) বরং নতুন রাস্তায় কেবল নিশ্চিত ধারনা হলেও সেটার উপর চলা ফেরা নাজায়িয ও গুনাহ। (দুররে মুখতার, ৩য় খন্ড, ১৮৩ পৃষ্ঠা, দারুল মারিফা, বৈরুত)

(৫) কিছু অলীর মাজারে দেখা গিয়েছে যে, যিয়ারতকারীর সুবিধার জন্য মুসলমানদের কবরকে ভেঙ্গে প্রশস্ত করে দেওয়া হয়, এই রকম জায়গায় ঘুমানো, হাটা-চলা, দাঁড়ানো, তিলাওয়াত ও যিকির করার জন্য বসা হারাম, দূর থেকেই ফাতিহা পড়ে নিন।

(৬) কবর যিয়ারত মৃত ব্যক্তির চেহারার সামনে দাঁড়িয়ে করা, আর কবরবাসীর পায়ের দিক থেকে যাবেন কেননা তার দৃষ্টি সামনে থাকে, শিয়রের দিক থেকে আসবেন না, কারণ তাকে মাথা তুলে দেখতে হবে। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ৯ খন্ড, ৫৩২ পৃষ্ঠা, রযা ফাউন্ডেশন, মারকাযুল আউলিয়া লাহোর)

(৭) কবরস্থানে এভাবে দাঁড়ান ক্বিবলার দিকে পিঠ এবং কবরবাসীর চেহারার দিকে মূখমন্ডল হয়, এরপর বলুন:

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا اَهْلَ الْقُبُرِ يَغْفِرُ اللهُ لَنَا وَلَكُمْ وَاَنْتُمْ لَنَا سَلَفٌ وَّنَحْنُ بِالْاَثَر

অনুবাদ: হে কবরবাসী তোমার উপর রহমত বর্ষিত হোক, আল্লাহ তাআলা আমাদের ও তোমাদের ক্ষমা করুন, তুমি আমাদের পূর্বে চলে এসেছ, আর আমরা তোমাদের পরে আগমনকারী। (ফতোওয়ায়ে আলমগীরি, ৫ম খন্ড, ৩৫০ পৃষ্ঠা)

(৮) যে কবরস্থানে প্রবেশ করে এটা বলবে:

اَللهُمَّ رَبَّ الْاجْسَادِ الْبَالِيَةِ وَالْعِظَامِ النَّخِرَةِ الَّتِىْ خَرَجَتْ مِنَ الدُّنْيَا وَهِىَ بِكَ مُؤْمِنَةٌ اَدْخِلْ عَلَيْهَا رَوْحََا مِّنْ عِنْدِكَ وَسَلَامََا مِّنِّىْ

অনুবাদ: “হে আল্লাহ! (হে) গলে যাওয়া শরীর ও পচনযুক্ত হাঁড়ের রব! যে দুনিয়া থেকে ঈমান সহকারে বিদায় হয়েছে তুমি তার উপর আপন রহমত এবং আমার সালাম পৌছিয়ে দিন।

এতে হযরত সায়্যিদুনা আদম عَلَيْهِ السَلَام থেকে নিয়ে ঐ সময় পর্যন্ত যত মু’মিন মারা গিয়েছে সবাই তার (অর্থাৎ দোআ পাঠকারীর) ক্ষমা লাভের জন্য দোআ করবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, ১০ম খন্ড, ১৫ পৃষ্ঠা, দারুল ফিক্‌র, বৈরুত)

(৯) নবীয়ে রহমত, শফিয়ে উম্মত, মালিকে জান্নাত, কাসিমে নেয়ামত, হুযুর পুরনূর ﷺ ইরশাদ করেছেন: “যে ব্যক্তি কবরস্থানে প্রবেশ করল অতঃপর সে সূরা ফাতিহা, সূরা ইখলাস এবং সূরা তাকাসূর পড়ল তারপর এ দোআ করল; “হে আল্লাহ! আমি যা কিছু কুরআন পড়েছি তার সাওয়াব এ কবরস্থানের মু’মিন নর-নারীকে পৌছিয়ে দিন।”
তবে- সে সমস্ত মু’মিন কিয়ামতের দিন তার (অর্থাৎ ইছালে সাওয়াবকারীর) জন্য সুপারিশকারী হবে।” (শরহুস সুদুর, ৩১১ পৃষ্ঠা, মারকাজে আহলে সুন্নাত বরকত রযা, হিন্দ) হাদীস শরীফে রয়েছে: যে এগার বার সূরা ইখলাস পড়ে এর সাওয়াব মৃত ব্যক্তিকে পৌছাবে, তবে মৃত ব্যক্তির সমসংখ্যক পরিমান সাওয়াব সে (অর্থাৎ ইছালে সাওয়াব কারী) পাবে। (দুররে মুখতার, ৩য় খন্ড, ১৮৩ পৃষ্ঠা)

(১০) কবরের উপর আগর বাতি জ্বালানো যাবে না। কেননা এটা বে-আদবী ও মন্দ কাজ (এবং এতে মৃত ব্যক্তির কষ্ট হয়) হ্যাঁ! যদি (উপস্থিতদেরকে) সুগন্ধ (পৌছানোর) জন্য (জ্বালাতে চাই তবে) কবরের পাশে খালি জায়গা থাকলে সেখানে জ্বালাবে, কেননা সুগন্ধি পৌছানো পছন্দনীয়। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া থেকে সংক্ষেপিত, ৯ খন্ড, ৪৮২, ৫২৫ পৃষ্ঠা)
আ’লা হযরত رحمة الله عليه অন্য জায়গায় বলেন: “সহীহ মুসলিম শরীফ”এ হযরত আমর বিন আস رضى الله عنه থেকে বর্ণিত; তিনি ওফাতের সময় নিজের সন্তান কে বলেছেন: যখন আমি মারা যাব তখন আমার সাথে না কোন বিলাপ কারী যাবে, না আগুন যাবে। (সহীহ মুসলিম, ৭৫ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ১৯২, দারু ইবনে হুজম, বৈরুত)

(১১) কবরের উপর চেরাগ বা মোম বাতি প্রভৃতি রাখবেন না। কারণ এটা আগুন, আর কবরের উপর আগুন রাখলে মৃত ব্যক্তির কষ্ট হয়, হ্যাঁ রাতে পথচারীর জন্য বাতি জ্বালানো উদ্দেশ্য হয়, তবে কবরের এক পার্শ্বে খালি জমিনের উপর মোমবাতি বা চেরাগ রখতে পারেন।

হাজারো সুন্নাত শিখার জন্য মাকতাবাতুল মদীনা থেকে প্রকাশিত কিতাব সমূহ
(১) ৩১২ পৃষ্ঠা সম্বলিত কিতাব “বাহারে শরীয়ত” ১৬তম খন্ড এবং
(২) ১২০ পৃষ্ঠা সম্বলিত কিতাব “সুন্নাতে অওর আদাব” হাদিয়া সহকারে সংগ্রহ করুন এবং পড়ুন । সুন্নাত প্রশিক্ষণের এক সর্বোত্তম মাধ্যম দা’ওয়াতে ইসলামীর মাদানী কাফেলাতে আশিকানে রাসুলদের সাথে সুন্নাতে ভরা সফর করা।

صَلُّوا عَلَى الحَبِيب صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد
---------
লিখাটি আমীরে আহলে সুন্নাত হযরত মাওলানা ইলয়াস আত্তার কাদেরী রযভী কর্তৃক লিখিত শাবান মাসের ফযিলত সম্পর্কিত “প্রিয় নবীর মাস” নামক রিসালার ২৮-৩১ নং পৃষ্ঠা হতে সংগৃহীত। রিসালাটি নিজে কিনুন, অন্যকে উপহার দিন।
যারা মোবাইলে (পিডিএফ) রিসালাটি পড়তে চান তারা ফ্রি ডাউনলোড দিন
বাংলা ইসলামীক বইয়ের লিংক এক সাথে পেতে এখানে ক্লিক করুন

মাদানী চ্যানেল দেখতে থাকুন

Tuesday, April 25, 2017

শয়ন ও জাগরনের ১৫টি মাদানী ফুল (নিয়মাবলী)

ইসলাম শাশ্বত ধর্ম। ইসলামে যত নিয়ম কানুন রয়েছে সবই বান্দার উপকারের জন্য। কিভাবে চললে বান্দার ভাল হবে তা স্রষ্টা-ই ভাল জানেন। তাই ইসলামী পদ্ধতি কখনোই বান্দার কষ্টের জন্য নয় বরং কষ্ট ও রোগ বালাই থেকে বাঁচানোর জন্যই ইসলামী পদ্ধতি গুলো। চলুন দেখে নিই ঘুমানো ও ঘুম থেকে উঠার বিষয়ে ইসলাম কি বলছে-
শয়ন ও জাগরনের ১৫টি মাদানী ফুল (নিয়মাবলী)
(১) শয়ন করার আগে বিছানাকে ভালভাবে ঝেড়ে নিন যাতে কোন ক্ষতিকর পোকা-মাকড় ইত্যাদি থাকলে বের হয়ে যায়, 

(২) শয়ন করার আগে এ দুআটি পড়ে নিন,

اَللهُمَّ بِاسمِكَ اَمُوتُ وَاَحى
অনুবাদ: হে আল্লাহ! আমি আপনার নামে মৃত্যুবরণ করছি এবং জীবিত হব। (অর্থাৎ শয়ন করি ও জাগ্রত হই)।
(বুখারী শরীফ, খন্ড-৪র্থ, পৃষ্ঠা-১৯৬, হাদীস নং-৬৩২৫), 

সুরমা লাগানোর ৪টি মাদানী ফুল (নিয়মাবলী)

কিভাবে সুরমা লাগাবেন?

(১) সুনানে ইবনে মাজাহ শরীফের রিওয়াতে রয়েছে যে, সব সুরমার চাইতে উত্তম সুরমা হচ্ছে ইসমাদ। কেননা এটা দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে এবং পালক গজায়। (সুনানে ইবনে মাজাহ, খন্ড-৪র্থ, পৃষ্ঠা-১১৫, হাদীস নং-৩৪৯৭)

(২) পাথুরী সুরমা ব্যবহার করাতে অসুবিধা নেই এবং কালো সুরমা কিংবা কাজল রূপচর্চার নিয়্যতে পুরুষের লাগানো মাকরূহ। আর যদি রূপচর্চা উদ্দেশ্যে না হয় তবে মাকরূহ নয়। (ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী, খন্ড-৫, পৃষ্ঠা-৩৫৯) 

(৩) শয়ন করার সময় সুরমা লাগানো সুন্নাত।(মিরআতুল মানাজিহ, খন্ড-৬, পৃষ্ঠা-১৮০)

(৪) সুরমা ব্যবহারের বর্ণিত তিনটি পদ্ধতির সারাংশ উপস্থাপন করছি: 

(ক) কখনো উভয় চোখে তিন তিন শলাই 

(খ) কখনো ডান চোখে তিন শলাই এবং বাম চোখে দুই শলাই,

ঘরে আসা যাওয়ার ১২টি মাদানী ফুল (নিয়মাবলী)

কিভাবে ঘরে আসব, কিভাবে বের হবো?

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। প্রত্যেকটি বিষয়ে আছে পূঙ্খানু পূঙ্খানু বর্ণনা। ঘরে আসা যাওয়ার বিষয়টিও বাদ নেই এর থেকে। চলুন দেখে নেয়া যাক-
(১) যখন ঘর থেকে বের হবেন তখন এই দুআ পড়ুন
بِسمِ اللهِ تَوَكَّلتُ عَلَى اللهِ لَا حَولَ وَلَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ
অনুবাদ : আল্লাহর নামে আরম্ভ, আমি আল্লাহর উপর ভরসা করছি। আল্লাহ প্রদত্ত ক্ষমতা ব্যতীত কোন সামর্থ্য ও শক্তি নেই। (আবু দাউদ, খন্ড-৪, পৃষ্ঠা-৪২০, হাদীস নং- ৫০৯৫) إنشاء الله عزوجل এ দুআ পড়ার বরকতে সঠিক পথে থাকবে বিপদ আপদ থেকে মুক্ত থাকবে। আল্লাহর সাহায্যের আওতায় থাকবে।

(২) ঘরে প্রবেশের দুআ
اَللهُمَّ اِنِّى اَسأَلُكَ خَيرَ المَولَجِ وَخَيرَ المَخرَجِ بِسمِ اللهِ وَلَجنَا وبِسمِ اللهِ خَرَجنَا وَعَلَى اللهِ رَبِّنَا تَوَكَّلنَا
অনুবাদ: হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট প্রবেশকালে এবং বের হওয়ার সময় মঙ্গল প্রার্থনা করছি আল্লাহর নামে আমি (ঘরে) প্রবেশ করছি এবং তারই নামে বের হই এবং আপন প্রভুর উপর আমরা ভরসা করছি) (আবু দাউদ, খন্ড-৪, পৃষ্ঠা-৪২০, হাদীস-৫০৯৬) এ দুআটি পড়ে ঘরের অধিবাসীদের সালাম করুন। অতঃপর নবী ﷺ এর দরবারে সালাম পেশ করুন এরপর সুরা ইখলাস পাঠ করুন إنشاء الله عزوجل ঘরে বরকত ও পারিবারিক কলহ থেকে মুক্ত থাকবে।

পোস্ট শ্রেণি

অন্যান্য (15) অযু-গোসল-পবিত্রতা (14) আকিকা (1) আমাদের কথা (1) আযান (3) আযাব (4) ইতিকাফ (1) ইফতারী (1) ইবাদত (14) ইসলামী ইতিহাস (8) ঈদের নামায (1) ওমরা (27) কবর যিয়ারত (8) কাযা নামায (3) কারবালা (7) কালিমা (1) কুরবানী (6) কুসংস্কার (3) খেজুর (1) চিকিৎসা (12) জানাযা নামায (3) তওবা (4) তারাবীহ (3) দিদারে ‍মুস্তফা (1) দুরূদ শরীফের ফযিলত (8) নামায (24) নিয়ত (2) পর্দা ও পর্দার বিধান (15) পিতা-মাতা হক্ব (1) প্রতিযোগিতা (2) প্রশ্নোত্তর (16) ফয়যানে জুমা (3) ফযিলত (11) বদ আমল (5) বিদআত (4) ভালবাসা (1) মওত-কবর-হাশর (7) মদিনা (2) মনীষীদের জীবনী (7) মা (1) মাদানী ফুল (28) মাসাইল (88) মিলাদুন্নবী (2) মিসওয়াক (1) মুহাররম (2) যাকাত-ফিতরা (1) রজব (3) রমযান (13) রুহানী ইলাজ (4) রোজা (17) লাইলাতুল ক্বদর (1) শাওয়াল (1) শাবান (3) শিক্ষনীয় ঘটনা (2) শিশু (3) সদক্বাহ (1) সাহরী (1) সিরাতুন্নবী (2) সুন্নাত ও আদব (26) স্বাস্থ্য কথন (10) হজ্ব (27) হাদিস (1)

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন