আপডেট
স্বাগতম! ইসলামী জীবন ব্লগে নিয়মিত ভিজিট করুন আর শিখুন ইসলামীক জ্ঞান। শেয়ার করুন আপনার সোস্যাল সাইটে। প্রয়োজনে লাইভ চ্যাটের সহায়তা নিন। হোয়াটসঅ্যাপে ইসলামীক পোষ্ট পেতে +880 1946 13 28 62 নাম্বারে Post লিখে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দিন। ধন্যবাদ!
বাংলা ভাষায়, অলাভজনক, বৃহত্তম ইসলামীক ওয়েবসাইট বানানোর প্রত্যয়ে “ইসলামী জীবন“ কাজ করে যাচ্ছে। www.islamijibon.net
Showing posts with label মদিনা. Show all posts
Showing posts with label মদিনা. Show all posts

Monday, August 7, 2017

হজ্বের মাসাইল: পর্ব ১- আপনার “মদীনার সফর” মোবারক হোক

اَلۡحَمۡدُ  لِلہِ رَبِّ  الۡعٰلَمِیۡنَ وَالصَّلٰوۃُ وَالسَّلَامُ عَلٰی  سَیِّدِ الۡمُرۡسَلِیۡنَ اَمَّا  بَعۡدُ فَاَعُوۡذُ  بِا  للہِ  مِنَ   الشَّیۡطٰنِ  الرَّجِیۡمِ  ؕ  بِسۡمِ اللہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ ؕ

নবী  করীম,  রউফুর রহীম,  রাসুলে আমীন صَلَّی  اللہُ  تَعَالٰی   عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ      وَسَلَّم  ইরশাদ   করেছেন: “ইলমে   দ্বীন অর্জন  করা   প্রত্যেক  মুসলমানের উপর  ফরয।”  (ইবনে  মাযাহ,  ১ম  খন্ড,  ১৪৬  পৃষ্ঠা,   হাদীস   নং: ২২৪)      এর ব্যাখ্যায়    এটা রয়েছে যে, হজ্ব আদায়কারীর উপর ফরয হচ্ছে হজ্বের  প্রয়োজনীয়  মাসআলা জানা। সাধারণত  হাজী সাহেবগণকে  তাওয়াফ  ও সাঈ ইত্যাদির  সময়ে   যে  সমস্ত   দোআ পাঠ করা হয়   ঐ সমস্ত  আরবী        দোআ        খুব        মনোযোগ        সহকারে  আনন্দচিত্তে পড়তে দেখা যায়। যদিও এটা খুব ভালো।  বিশুদ্ধভাবে  পাঠ  করতে  হবে।   আবার  যদি কেউ এই দোআগুলো নাও পড়ে তবুও সে গুনাহগার হবে না। কিন্তু হজ্বের জরুরী মাসআলা সমূহ        না     জানলে     গুনাহ     হবে।       “রফীকুল হারামাঈন”   اِنۡ   شَآءَ   اللہ      عَزَّوَجَلّ   আপনাকে  অনেক     গুনাহ    থেকে     বাঁচাবে,    হজ্বের     সময়  “ফ্রি”তে দেওয়া হজ্বের অনেক কিতাবের মধ্যে দেখা   যায়    শরীয়াতের  মাসআলার  ক্ষেত্রে   খুব বেশী অসতর্কতার সাথে কাজ করানো হয়েছে। এতে খুবই দুশ্চিন্তা হয় যে, এই সমস্ত কিতাবের দিক নির্দেশনা গ্রহণকারী   হাজীদের  কি অবস্থা  হবে! اَلْحَمْدُ  لِلّٰہِ عَزَّوَجَلَّ  “রফিকুল  হারামাঈন”  অনেক   বছর ধরে   লক্ষ     লক্ষ    কপি   ছাপানো হচ্ছে। এতে অধিকাংশ  মাসআলা ফতোওয়ায়ে রযবীয়া    শরীফ      ও বাহারে    শরীয়াতের     মত সনদযুক্ত    কিতাবে    বর্ণিত    মাসআলাকে    খুবই  সহজ করে লিখার চেষ্টা  করা হয়েছে। বর্তমানে এতে   আরো    অধিক   সংশোধন    ও   বৃদ্ধি   করা  হয়েছে,   আর   দা’ওয়াতে     ইসলামীর মজলিস  “আল মদীনাতুল ইলমিয়্যাহ” এর এবং “দারুল ইফতা  আহ্‌লে    সুন্নাত”  শুরু  থেকে  শেষ পর্যন্ত এর     একেকটি     মাসআলা     দেখে       খুব     বেশী উপকার করেছেন। اَلْحَمْدُ لِلّٰہِ عَزَّوَجَلَّ খুব বেশী ভাল ভাল         নিয়্যত          সহকারে        “রফিকুল হারামাঈন”      এর       প্রকাশনার        ব্যবস্থা       করা হয়েছে।              আল্লাহর   শপথ!              “রফিকুল হারামাঈন”এর   মাধ্যমে  মদীনার   মুসাফিরদের সুপথ প্রদর্শন করে শুধু আল্লাহ  তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন   করা মূল  উদ্দেশ্য  নিজের  আয়ের  কোন চিন্তা নেই।

Thursday, June 8, 2017

সবুজ গম্বুজের ইতিহাস

সবুজ গম্বুজ, যার দীদারের জন্য প্রতিটি আশিকের হৃদয় ব্যতিব্যস্ত হয়ে থাকে, আর চক্ষু অশ্রুসজল হয়ে যায়, এটাও বিদআতে হাসানা। কেননা হযরত মুহাম্মদ   এর প্রকাশ্য বেসাল শরীফের অনেক বছর পর তা নির্মিত হয়েছে। এ সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছুটা জেনে নিন।
সবুজ গম্বুজের ইতিহাস
মাদিনার তাজেদার, উভয় জগতের সরদার, হযরত মুহাম্মদ ﷺ এর রওযা ই আনওয়ারের উপর সর্ব প্রথম গম্বুজ শরীফ নির্মিত হয় ৬৭৮ হিজরী / ১২৬৯ খৃষ্টাব্দে এবং সেটার উপর হলদে রং লাগানো হয়। আর তা তখন হলদে গম্বুজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলো। তারপর যুগ পরিবর্তন হতে লাগলো ৮৮৮ হিজরী / ১৪৮৩ খৃষ্টাব্দে কালো পাথর দিয়ে নতুন গম্বুজ তৈরি করা হলো। আর সেটার উপর সাদা রং লাগানো হলো। আশেকগণ সেটাকে ‘আলকুব্বাতুল বায়দ্বা’ অথবা ‘গুম্বাদে বায়দ্বা’ অর্থাৎ ‘সাদা গম্বুজ’ বলতে লাগলো। ৯৮০ হিজরী / ১৫৭২ খৃষ্টাব্দে চূড়ান্ত সুন্দর গম্বুজ নির্মাণ করা হলো। আর সেটাকে রংবেরং এর পাথর দিয়ে সাজানো হলো। তখন সেটার এক রং রইলনা। সম্ভবতঃ স্থাপত্য শিল্পের চিত্তাকর্ষক ও দৃষ্টি কেড়ে নেয়ার মতো দৃশ্যের কারণে সেটা রংবেরংয়ের গম্বুজ হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করলো। ১২৩৩ হিজরী / ১৮১৮ খৃষ্টাব্দে সম্পূর্ণ নতুনভাবে সেটা নির্মাণ করা হলো। এরপর এ পর্যন্ত কেউ তাতে পরিবর্তন করেনি। অবশ্য, সবুজ রং এ সৌভাগ্য পেতে লাগলো যে, তা রংকর্মীদের হাতের মাধ্যমে সেটার গায়ে লেগে যাচ্ছে।
‘গুম্বদে খাদ্বরা’ (সবুজ গুম্বুজ) যা নিঃসন্দেহে বিদ’আতে হাসানা’ তা আজ সারা দুনিয়ার মুসলমানদের প্রত্যাবর্তনের বরকতময় স্থান, চোখের জ্যোতি এবং হৃদয়ের প্রশান্তি। اِنْ شَاءَ الله عَزَّوَجَلّ  সেটাকে দুনিয়ার কোন শক্তি বিলীন করতে পারবেনা। যে সেটাকে বিরোধীতার কারণে নিশ্চিহ্ন করতে চাইবে, আল্লাহর পানাহ! সে নিজেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
এগুলোর মতো সমস্ত নতুন আবিস্কৃত নেক কাজের বুনিয়াদ ওই হাদিসে পাক যা মুসলিম শারীফের বর্ণনায় ইতোপূর্বে উলে−খ করা হয়েছে, যাতে এরশাদ হয়েছে, যে কেউ ইসলামে ভালো পদ্ধতি চালু করে, সে তার সাওয়াব পাবে এবং তাদের সাওয়াবও যারা এর পর তদনুযায়ী আমল করবে।*
(*) মুফতী আহমদ ইয়ার খান নঈমী  رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عليه এর প্রসিদ্ধ কিতাব ‘জাআল হক্ব’ বিদআত ও বিদআতের প্রকারভেদ ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। বিস্তারিত জানার জন্য সেটা পর্যালোচনা করা যেতে পারে।
--------
লিখাটি আমীরে আহলে সুন্নাত হযরত মাওলানা ইলয়াস আত্তার কাদেরী রযভী কর্তৃক লিখিত রযমান মাসের বিস্তারিত মাসাইল সম্পর্কিত “রমযানের ফযিলত” নামক কিতাবের ১৯৫-১৯৬ নং পৃষ্ঠা হতে সংগৃহীত। কিতাবটি নিজে কিনুন, অন্যকে উপহার দিন।
যারা মোবাইলে (পিডিএফ) কিতাবটি পড়তে চান তারা ফ্রি ডাউনলোড করুন

দাওয়াতে ইসলামীর সকল বাংলা ইসলামীক বইয়ের লিংক এক সাথে পেতে এখানে ক্লিক করুন

মাদানী চ্যানেল দেখতে থাকুন

পোস্ট শ্রেণি

অন্যান্য (15) অযু-গোসল-পবিত্রতা (14) আকিকা (1) আমাদের কথা (1) আযান (3) আযাব (4) ইতিকাফ (1) ইফতারী (1) ইবাদত (14) ইসলামী ইতিহাস (8) ঈদের নামায (1) ওমরা (27) কবর যিয়ারত (8) কাযা নামায (3) কারবালা (7) কালিমা (1) কুরবানী (6) কুসংস্কার (3) খেজুর (1) চিকিৎসা (12) জানাযা নামায (3) তওবা (4) তারাবীহ (3) দিদারে ‍মুস্তফা (1) দুরূদ শরীফের ফযিলত (8) নামায (24) নিয়ত (2) পর্দা ও পর্দার বিধান (15) পিতা-মাতা হক্ব (1) প্রতিযোগিতা (2) প্রশ্নোত্তর (16) ফয়যানে জুমা (3) ফযিলত (11) বদ আমল (5) বিদআত (4) ভালবাসা (1) মওত-কবর-হাশর (7) মদিনা (2) মনীষীদের জীবনী (7) মা (1) মাদানী ফুল (28) মাসাইল (88) মিলাদুন্নবী (2) মিসওয়াক (1) মুহাররম (2) যাকাত-ফিতরা (1) রজব (3) রমযান (13) রুহানী ইলাজ (4) রোজা (17) লাইলাতুল ক্বদর (1) শাওয়াল (1) শাবান (3) শিক্ষনীয় ঘটনা (2) শিশু (3) সদক্বাহ (1) সাহরী (1) সিরাতুন্নবী (2) সুন্নাত ও আদব (26) স্বাস্থ্য কথন (10) হজ্ব (27) হাদিস (1)

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন