আপডেট
স্বাগতম! ইসলামিক সঠিক জ্ঞান নিয়ে ”ইসলামী জীবন” আপনার পাশে। নিয়মিত ভিজিট করুন, দেখুন বিষয়ভিত্তিক পোস্টগুলো আর শিখতে থাকুন... হোয়াটসেপ সার্ভিসে জয়েন হতে “Post” লিখে সেন্ড করুন এই “01511993330” হোয়াটসেপ নাম্বারে। আমাদের ওয়েবসাইট www.islamijibon.net । ধন্যবাদ!
বাংলা ভাষায় অলাভজনক বৃহত্তম ইসলামিক ওয়েবসাইট বানানোর প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে ইসলামী জীবন টিম। আসছে মোবাইল অ্যাপলিকেশন... সাইট www.islamijibon.net

বুধবার, ৩১ মে, ২০১৭

খেজুরের ২৫ টি মাদানী ফুল

১. চিকিৎসকদের চিকিৎসক আল্লাহর হাবীব হযরত মুহাম্মদ এর বিশুদ্ধ বাণী, “উন্নতমানের ‘আজওয়াহ’ (মদীনা মুনাওয়ারার সর্বাপেক্ষা মূল্যবান খেজুরের নাম) এর মধ্যে প্রতিটি রোগের আরোগ্য রয়েছে।” আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী হানাফী رضى الله عنه এর বর্ণনা অনুসারে, “সাতদিন যাবত প্রতিদিন সাতটি করে ‘আজওয়াহ’ খেজুর খেলে ‘কুষ্ঠরোগ’ (সাদারোগ) দূরীভূত হয়।” (ওমদাতুল কারী, খন্ড-১৪, পৃ-৪৪৬, হাদীস নং-৫৭৬৮)

খেজুর
২. প্রিয় আকা হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা  এর জান্নাত রূপী বাণী হচ্ছে, “আজওয়া খেজুর জান্নাত থেকে।” এটা বিষ-আক্রান্তকে আরোগ্য দান করে।”(তিরমিযী শরীফ, খন্ড-৪র্থ, পৃ-১৭, হাদীস নং-২০৭৩) বোখারী শরীফের বর্ণনানুসারে, যে ব্যক্তি সকালে ৭টা ‘আজওয়া’ খেজুর খেয়ে নেয়, ওই দিন যাদু এবং বিষ তাকে ক্ষতি করতে পারবে না।” (সহীহ বোখারী, খন্ড-৩য়, পৃ-৫৪০, হাদীস নং-৫৪৪৫)

সাহরী ও ইফতারী: ফযিলত ও বিধানাবলী

সাহারী খাওয়া সুন্নত

আল্লাহ তাআলার কোটি কোটি অনুগ্রহ যে, তিনি আমাদেরকে রোযার মতো মহান নে’মত দান করেছেন। আর সাথে সাথে শক্তি অর্জনের জন্য সাহারীর শুধু অনুমতি দেন নি, বরং এতে আমাদের জন্য সাওয়াব রেখে দিয়েছেন। আমাদের প্রিয় আকা, মাদানী ওয়ালে মোস্তফা হযরত মুহাম্মদ যদিও আমাদের মতো পানাহারের মুখাপেক্ষী নন, তবুও আমাদের প্রিয় আকা হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা আমরা গোলামদের খাতিরে সাহারী করতেন, যাতে প্রিয় গোলামগণ তাদের দয়ালু মুনিব, সৃষ্টিকুলের বাদশাহ হযরত মুহাম্মদ এর সুন্নত মনে করে সাহারী করে নেয়। অনুরূপভাবে তারা দিনের বেলায় রোযা পালনে শক্তির সাথে সাথে সুন্নতের উপর আমল করার সাওয়াবও পেয়ে যায়। কোন কোন ইসলামী ভাইকে দেখা যায় যে, কখনো কখনো তাঁরা সাহারী করেন না। তখন সকালে নানা ধরনের কথা রচনা করে আর এভাবে বলে বেড়াতে শোনা যায়, “আমরা তো সাহারী ছাড়াই রোযা রেখে ফেলেছি।” মক্কী-মাদানী আকা হযরত মুহাম্মদ এর আশিকরা! সাহারী ছাড়া রোযা রাখার মধ্যে গর্বের কিছুই নেই, যার উপর গর্ব করা হচ্ছে বরং সাহারীর সুন্নত হাতছাড়া হয়ে যাবার জন্য লজ্জিত হওয়া চাই। আফসোস করা চাই। কারণ, তাজদারে রিসালাত হযরত মুহাম্মদ এর এক মহা সুন্নত হাতছাড়া হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার, ৩০ মে, ২০১৭

আমাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রোযা (পর্ব ৩)

প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আজকাল তো মামলাই উল্টা নজরে পড়ছে বরং এখনতো বাস্তবিক অবস্থা এমন হয়ে গেছে যে, যখন কেউ কারো সাথে ঝগড়া করে বসে, তখন গর্জে ওঠে এমনি বলে ফেলে, “চুপ হয়ে যা! নতুবা মনে রাখিশ! আমি রোযাদার। আর এ রোযার ইফতার তোকে দিয়েই করবো।” অর্থাৎ তোকে খেয়ে ফেলবো। আল্লাহর পানাহ! তওবা!! তওবা!!! এ ধরণের কথা কখনো মুখ থেকে বের না হওয়া চাই; বরং বিনয়ই প্রকাশ করা চাই। এসব বিপদ থেকে আমরা শুধু তখনই বাঁচতে পারবো, যখন নিজের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে নিয়মিতভাবে রোযা পালনের চেষ্টা করাবো।
বাকী পর্ব পড়তে ক্লিক করুন- প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব
বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের রোযা

অঙ্গ প্রত্যঙ্গের রোযার সংজ্ঞা

সুতরাং এখন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রোযা অর্থাৎ দেহের সমস্ত অঙ্গকে গুনাহ্ থেকে রক্ষা করা’ এটা শুধু রোযার জন্য নির্দিষ্ট নয়, বরং গোটা জীবনই ওইসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে গুনাহ্ থেকে বিরত রাখা জরুরী। আর এটা তখনই সম্ভব, যখন আমাদের অন্তর গুলোতে আল্লাহর ভয় পাকাপোক্ত হয়ে যাবে। আহ! কিয়ামতের ওই বেহুঁশকারী দৃশ্য স্মরণ করুন, যখন চতুর্দিকে নফসী নফসী’ এর অবস্থা হবে, সূর্য-আগুন বর্ষণ করবে, জিহ্বাগুলো পিপাসার তীব্রতার কারণে মুখ থেকে বের হয়ে পড়বে, স্ত্রী স্বামী থেকে, মা তার কলিজার টুকরা সন্তান থেকে, পিতা আপন পুত্র, আপন চোখের মণি থেকে পালাবে, অপরাধী-পাপীদেরকে ধরে ধরে নিয়ে যাওয়া হবে, তাদের মুখের উপর মোহর চেপে দেয়া হবে এবং তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তাদের গুনাহসমুহের তালিকা শুনাতে থাকবে, যা কুরআন পাকের সূরা ‘ইয়াসীন’-এ এভাবে উল্লেখ করা হয়েছে-
الْيَوْمَ نَخْتِمُ عَلَىٰ أَفْوَاهِهِمْ وَتُكَلِّمُنَا أَيْدِيهِمْ وَتَشْهَدُ أَرْجُلُهُم بِمَا كَانُوا يَكْسِبُونَ
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ-
আজ আমি তাদের মুখগুলোর উপর মোহর করে দেবো। আর তাদের হাতগুলো আমার সাথে কথা বলবে এবং তাদের পাগুলো তাদের কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে। (পারা-২৩, ইয়াসিন, আয়াত-৬৫)

হায়! দূর্বল ও অক্ষম মানুষ! কিয়ামতের ওই কঠিন সময় সম্পর্কে নিজের হৃদয়কে সতর্ক করুন। সর্বদা নিজের শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে গুনাহের কাজ থেকে বিরত রাখার চেষ্টায় অব্যাহত রাখুন। এখন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রোযার বিস্তারিত বর্নণা পেশ করা হচ্ছে-

রবিবার, ২৮ মে, ২০১৭

মাহে রমযান: ফযিলত ও বিধানাবলী (পর্ব ২)

রোযা কার উপর ফরয?

বাকী পর্ব পড়তে ক্লিক করুন- প্রথম পর্ব তৃতীয় পর্ব
তাওহীদ ও রিসালাতকে বিশ্বাস করা ও দ্বীনের সব জরুরী বিষয়ের উপর ঈমান আনার পর যেভাবে প্রত্যেক মুসলমানের উপর নামায ফরয বলে সাব্যস্ত করা হয়েছে, অনুরূপভাবে রমযান শরীফের রোযাও প্রত্যেক মুসলমান (নর ও নারী) বিবেকসম্পন্ন ও প্রাপ্ত বয়স্কের উপর ফরয। ‘দুররে মুখতার’ এর মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, রোযা ২য় হিজরীর ১০ই শা’বানুল মুআয্যামে ফরয হয়েছে। (রদ্দুল মুহতার সম্বলিত দুররে মুখতার, খন্ড-৩য়, পৃ-৩৩০)

মাহে রমাদ্বান: ফযিলত ও বিধানাবলী

রোযা ফরয হবার কারণ

ইসলামে বেশিরভাগ কাজ কোন না কোন মহান ব্যক্তির ঘটনাকে জীবিত রাখার জন্য নির্ধারিত হয়েছে। যেমন, সাফা ও মারওয়ার মধ্যখানে হাজীদের ‘সাঈ’ হযরত সায়্যিদাতুনা হাজেরা رضى الله عنها এর স্মৃতিময়ী। তিনি رضى الله عنها তাঁর কলিজার টুকরা হযরত সায়্যিদুনা ইসমাঈল যবীহুল্লাহ عليه السلام এর জন্য পানি তালাশ করতে গিয়ে এ দুটি পাহাড়ের মাঝখানে সাতবার প্রদক্ষিণ করেছেন ও দৌঁড়িয়েছেন। আল্লাহর নিকট হযরত সায়্যিদাতুনা হাজেরা رضى الله عنها এর এ কাজটা অত্যন্ত পছন্দ হয়েছে। তাই এই ‘সুন্নতে হাজেরা’ رضى الله عنها কে আল্লাহ তাআলা স্থায়ীত্ব দানের জন্য হাজীগণ ও ওমরা পালনকারীদের জন্য ‘সাফা’ ও ‘মারওয়া’র সাঈকে (প্রদক্ষিণ করাকে) ওয়াজিব করে দিয়েছেন। অনুরূপভাবে, রমযানের দিনগুলোতে কিছুদিন, আমাদের প্রিয় আকা, মক্কা ও মদীনার তাজেদার হুযুর পুরনূর হযরত মুহাম্মদ হেরা পর্বতের গুহায় অতিবাহিত করেছিলেন। তখন হুযুর দিনের বেলায় পানাহার থেকে বিরত থাকতেন, আর রাতে আল্লাহ তাআলার যিকরে মশগুল থাকতেন। তাই আল্লাহ তাআলা ওই দিন গুলোর স্মরণকে তাজা করার জন্য রোযা ফরয করেছেন; যাতে তাঁর মাহবুব এর সুন্নতও স্থায়ী হয়ে যায়।

নামাযের শর্ত ও ফরয সমূহ

ইসলামী ভাই ও ইসলামী বোনদের নামাযের নিয়মাবলীতে কিছু কাজ হচ্ছে ফরয, যেগুলো ব্যতীত নামাযই হবে না, কতিপয় বিষয় ওয়াজীব, যেগুলো ইচ্ছাকৃত ভাবে বর্জন করা গুনাহ্ এবং এর জন্য তাওবা করে নামাযকে পুনরায় আদায় করে দেয়া ওয়াজীব। আর ভূলবশতঃ ছুটে গেলে “সিজদায়ে সাহু” দেওয়া ওয়াজীব। আর কিছু রয়েছে সুন্নাতে মুয়াক্কাদা, সেগুলো ছেড়ে দেয়ার অভ্যাস করলে গুনাহ্ হয়, আর কতিপয় মুস্তাহাব রয়েছে যেগুলো করলে সাওয়াব, না করলে গুনাহ্ নেই। (বাহারে শরীয়াত, ৩য় অংশ, ৬৬ পৃষ্ঠা)
(এখানে রয়েছে নামাযের শর্ত  ও নামাযের ফরজ সহ  এগুলোর বিস্তারিত আলোচনা-এডমিন)
নামাযের শর্ত ও ফরজ সমূহ

নামাযের ৬টি শর্ত

১. পবিত্রতা, ২. সতর ঢাকা, ৩. ক্বিবলামূখী হওয়া, ৪. সময়সীমা, ৫. নিয়্যত করা, ৬. তাকবীরে তাহরীমা।
এই ৬টির বিস্তারিত নিচে দেয়া হলো-
(১) পবিত্রতা: নামায আদায়কারীর শরীর, পোষাক ও যে স্থানে নামায আদায় করবে ঐ স্থান যে কোন ধরণের অপবিত্রতা থেকে পবিত্র হওয়া আবশ্যক। ( তাহতাবীর পাদটিকা সম্বলিত মারাকিউল ফালাহ, ২০৭ পৃষ্ঠা)

মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০১৭

নামাযের পদ্ধতি (হানাফী)

অযু করে কিবলামুখী হয়ে এভাবে দাঁড়ান যেন উভয় পায়ের পাঞ্জার মধ্যভাগে চার আঙ্গুল দূরত্ব থাকে। এখন উভয় হাতকে কান পর্যন্ত নিয়ে যান যেন বৃদ্ধাঙ্গুল কানের লতি স্পর্শ করে। এ অবস্থায় আঙ্গুলকে বেশি খোলাও রাখবেন না আবার বেশি মিলিয়েও ফেলবেন না বরং স্বাভাবিক অবস্থায় রাখবেন আর হাতের তালু কিবলার দিকে করে রাখবেন এবং দৃষ্টি সিজদার জায়গায় থাকবে। এবার যে নামায আদায় করবেন সেটার নিয়্যত করুন। অর্থাৎ অন্তরে দৃঢ় ইচ্ছা করুন, সাথে সাথে মুখেও উচ্চারণ করুন, কেননা এটা উত্তম। (যেমন- আমি আজকের যোহরের চার রাকাত ফরয নামাযের নিয়্যত করলাম, যদি জামাত সহকারে আদায় করেন তবে এটাও বলুন, এই ইমামের পিছনে) এবার তাকবীরে তাহরীমা অর্থাৎ “أَللهُ اَكْبَرْ” বলতে বলতে হাত নিচে নামিয়ে আনুন এরপর নাভীর নিচে উভয় হাত এভাবে বাঁধুন যেন ডান হাতের তালু বাম হাতের পিঠের উপর এবং ডান হাতের মাঝখানের তিন আঙ্গুল বাম হাতের কব্জির পিঠের উপর আর বৃদ্ধাঙ্গুল ও কনিষ্ঠা আঙ্গুল কব্জির উভয় পার্শ্বে থাকে। এখন এভাবে সানা পড়ুন:

سُبحَانَكَ اللهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالى جَدُّكَ وَلَآ اِلهَ غَيْرُكَ
অনুবাদ:- অনুবাদ: হে আল্লাহ্! তুমি পবিত্র! আর আমি তোমার প্রশংসা করছি। তোমার নাম বরকতময়। তোমার মর্যাদা অতীব মহান। তুমি ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই।


নামায পড়ার পদ্ধতি
অতঃপর, তাআউয পড়ুন:
اَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطن الرَّجِيْم
অনুবাদ: আমি বিতাড়িত শয়তান হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

অতঃপর তাসমিয়া পড়ুন:

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
অনুবাদ: আল্লাহর নামে আরম্ভ, যিনি পরম দয়ালু করুণাময়।

সোমবার, ১ মে, ২০১৭

রমযানের ফযিলত ও মাসআলা- পর্ব-১

স্বর্ণের দরজা বিশিষ্ট মহল

বাকী পর্ব পড়তে ক্লিক করুন- দ্বিতীয় পর্ব তৃতীয় পর্ব
সায়্যিদুনা আবূ সাঈদ খুদরী رضى الله عنه থেকে বর্ণিত, মক্কী মাদানী সুলতান, রহমতে আলামিয়ান হযরত মুহাম্মদ রহমতপূর্ণ বাণী হচ্ছে, “যখন রমযান মাসের প্রথম রাত আসে, তখন আসমানগুলো ও জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়। আর সেগুলো সর্বশেষ রাত পর্যন্ত বন্ধ হয় না। যে কোন বান্দা এ বরকতময় মাসের যে কোন রাতে নামায পড়ে, তবে আল্লাহ তাআলা তার প্রতিটি সিজদার পরিবর্তে (অর্থাৎ বিনিময় স্বরূপ) তার জন্য পনের শত নেকী লিপিবদ্ধ করেন। আর তার জন্য জান্নাতে লাল পদ্মরাগ পাথরের মহল তৈরী করেন, যার ষাট হাজার দরজা থাকবে, প্রতিটি দরজার কপাট স্বর্ণের তৈরী হবে, যাতে লাল বর্ণের পদ্মরাগের পাথর খচিত থাকবে। সুতরাং যে কেউ রমযানের প্রথম রোযা রাখে তার জন্য আল্লাহ তাআলা রমযানের শেষ দিন পর্যন্ত গুনাহ মাফ করে দেন এবং তার জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সত্তর হাজার ফিরিশতা মাগফিরাতের দু‘আ করতে থাকে। রাত ও দিনে যখনই সে সিজদা করে তার ওই প্রতিটি সিজদার বিনিময়ে তাকে (জান্নাতে) একেকটা এমন গাছ দান করা হবে, সেটার ছায়া অতিক্রম করতে ঘোড়ার আরোহীকে পাঁচশ বছর দৌঁড়াতে হবে।” (শু‘আবুল ঈমান, খন্ড-৩য়, পৃষ্ঠা-৩১৪, হাদিস-৩৬৩৫)

রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৭

কবর যিয়ারত করার নিয়মাবলী, সুন্নাত ও দোআ সমূহ

তাজেদারে রিসালত, শাহেনশাহে নবুয়ত, মুস্তফা জানে রহমত, শময়ে বজ্‌মে হিদায়ত, নওশায়ে বজ্‌মে জান্নাত, নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেছেন: “যে আমার সুন্নাতকে ভালবাসল, সে আমাকেই ভালবাসল। আর যে আমাকে ভালবাসল, সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে। (মিশকাতুল মাছাবীহ্, ১ম খন্ড, ৫৫ পৃষ্ঠা, হাদিস- ১৭৫)

সীনা তেরি সুন্নাতো মদীনা বনে আক্বা, 
জান্নাত মে পড়ূসী মুঝে তুম আপনা বনানা।
صَلُّوا عَلَى الحَبِيب صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد

কবরস্থানে হাজির হওয়ার ১১টি মাদানী ফুল
(১) নবী করীম, রউফুর রহীম ﷺ ইরশাদ করেছেন: “আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত করার জন্য নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা কবর যিয়ারত কর কেননা সেটা দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তির কারণ, আর আখেরাতকে স্মরণ করিয়ে দেয়।” (সুনানে ইবনে মাযাহ্, ২য় খন্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ১৫৭১, দারুল মারিফাহ, বৈরুত)

শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৭

শাবান মাস : প্রিয় নবীর মাস (ফযিলত ও আমল) (পর্ব ৩)

সগে মদীনা عُفِيَ عُنْهُ এর মাদানী অনুরোধ

اَلْحَمْدُ لِلهِ عَزَّوَجَلَّ! সগে মদীনা عُفِيَ عُنْهُ (লিখক) এর বছরের পর বছর ধরে উল্লেখিত নিয়মানুসারে শবে বরাতের ৬ রাকাত নফল নামায আদায় ও তিলাওয়াত প্রভৃতির অভ্যাস রয়েছে। মাগরিবের পর আদায়কৃত এ ইবাদত নফল হিসেবে গণ্য। ফরয কিংবা ওয়াজিব নয় আর মাগরিবের পর নফল নামায আদায় ও কুরআন তিলাওয়াতে ব্যাপারে শরীয়তের মধ্যে কোন নিষেধাজ্ঞাও নেই। হযরত আল্লামা ইবনে রাজাব হাম্বলী رحمة الله عليه লিখেন: শাম বাসীদের মধ্যে সুপ্রসিদ্ধ তাবেয়ীগণ যেমন: হযরত সায়্যিদুনা খালিদ বিন মা’দান, হযরত সায়্যিদুনা মাকহুল, হযরত সায়্যিদুনা লোকমান বিন আমীর رحمة الله عليهم  অন্যান্যরা শবে বরাতের অনেক সম্মান করতেন আর এ রাতে খুব বেশি ইবাদত করতেন। তাঁদের কাছ থেকে অন্যান্য মুসলমানেরা এই মোবারক রাতের সম্মান করা শিখেছেন। (লাতায়িফুল মা’আরিফ, ১ম খন্ড, ১৪৫ পৃষ্ঠা) হানাফী মাযহাবের গ্রহনযোগ্য কিতাব “দুররে মুখতার” এর মধ্যে রয়েছে শবে বরাতে রাত জেগে ইবাদত করা মুস্তাহাব, (শুধু সম্পূর্ণ রাত জেগে থাকাকে রাত জাগ্রত থাকা বলেনা) বরং রাতের অধিকাংশ সময় জেগে থাকাও হচ্ছে রাত জাগ্রত থাকা। (দুররে মুখতার, ২য় খন্ড, ৫৬৮ পৃষ্ঠা। বাহারে শরীয়ত, ১ম খন্ড, ৬৭৯ পৃষ্ঠা, মাকাতাবাতুল মদীনা, বাবুল মদীনা করাচী)

মাদানী অনুরোধ: সম্ভব হলে সকল ইসলামী ভাইয়েরা নিজ নিজ এলাকার মসজিদে মাগরিবের নামাজের পর ৬ রাকাআত নফল প্রভৃতির ব্যবস্থা করুন আর অগনিত সাওয়াব অর্জন করুন। ইসলামী বোনেরা নিজ নিজ ঘরে এই আমল করুন। 

শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৭

শাবান মাস : প্রিয় নবীর মাস (ফযিলত ও আমল) (পর্ব ২)

অসংখ্য গুনাহ্গারদের ক্ষমা হয়ে যায় কিন্তু...

হযরত সায়্যিদাতুনা আয়িশা সিদ্দিকা رضى الله عنها হতে বর্ণিত, প্রিয় নবী, রাসুলে আরবী, হুযুর পুরনূর ইরশাদ করেছেন: “আমার নিকট জিবরাঈল عليه السلام এসে বললেন; এটা শাবানের ১৫তম রাত, এ রাতে আল্লাহ তাআলা বনী কালব এর ছাগলের পশম পরিমাণ লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি প্রদান করেন। তবে কাফির ও শত্রুতা পোষনকারী, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী, টাখনুর নিচে কাপড় পরিধানকারী, মাতা-পিতার অবাধ্য এবং মদ পানে অভ্যস্তদের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন না।” (শুয়াইবুল ঈমান, ৩য় খন্ড, ৩৮৪ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ৩৮৩৭) 
(হাদীসে শরীফে: টাখনুর নিচে কাপড় পরিধানকারী দ্বারা যে বর্ণনা রয়েছে তা দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে অহংকারবশত টাখনুর নিচে লুঙ্গি বা পায়জামা ইত্যাদি ঝুলানো) 
কোটি কোটি হাম্বলী মতাবলম্বীদের মহান ইমাম হযরত সায়্যিদুনা ইমাম আহমদ বিন হাম্বল رحمة الله عليه হযরত সায়্যিদুনা আবদুল্লাহ ইবনে আমর رضى الله عنه হতে যে বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন, তাতে হত্যাকারীর কথাও উল্লেখ রয়েছে। (মুসনাদে ইমাম আহমদ, ২য় খন্ড, ৫৮৯ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ৬৬৫৩, দারুল ফিকর, বৈরুত)

শাবান মাস : প্রিয় নবীর মাস (ফযিলত ও আমল) (পর্ব ১)

প্রিয় নবীর মাস: শাবান

রাসুলে আকরাম, নূরে মুজাস্সম এর শাবানুল মুয়াযযাম সম্পর্কে সম্মানিত ফরমান হচ্ছে: “শাবান আমার মাস আর রমযান আল্লাহর মাস”।
(আল জামিউস্ সগীর, ৩০১ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ৪৮৮৯, দারুল কুতুবুল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত

শাবান মাসের ৫টি অক্ষরের বাহার

سُبحَان الله عَزَّوَجَل! শাবানুল মুয়াযযম মাসের মহত্বের উপর কুরবান হোন! এর ফযিলতের জন্য এতটুকু যথেষ্ট যে, আমাদের প্রিয় আক্বা, মক্কী মাদানী মুস্তফা  সেটাকে “আমার মাস” বলেছেন। সায়্যিদুনা গাওসে আযম, মাহবুবে সুবহানী, কিনদীলে নূরানী, শায়খ আবদুল কাদির জীলানী হাম্বলী رحمة الله عليه আরবী (শাবান) এর ৫টি অক্ষর ,ش ,ع ,ب ,ا ,ن সম্পর্কে নকল করেন। “ش” দ্বারা উদ্দেশ্য شَرف অর্থাৎ বুযুর্গী বা আভিজাত্য, “ ع” দ্বারা উদ্দেশ্য عُلو অর্থাৎ মর্যাদা বৃদ্ধি, “ ب” দ্বারা উদ্দেশ্য بِر অর্থাৎ অনুগ্রহ ও পূন্য, “ ا” দ্বারা উদ্দেশ্য أُلفَت অর্থাৎ ভালবাসা ও “ ن” দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে نُور অর্থাৎ আলো। সুতরাং এ সকল বস্তু গুলো আল্লাহ তা’আলা নিজের বান্দাগণকে এ মাসে প্রদান করে থাকেন। এটা ঐ মাস, যাতে নেকী সমূহের দরজা খুলে দেয়া হয়, বরকত সমূহ অবতীর্ণ হয়, গুনাহ সমূহ ক্ষমা করে দেয়া হয় এবং গুনাহ সমূহের কাফ্ফারা আদায় করা হয়।
আর নবী করীম  এর প্রতি দরূদে পাকের মাত্রা বৃদ্ধি করা হয়। এটা প্রিয় নবী  এর উপর দরূদ প্রেরণের মাস। (গুনইয়াতুত্ব ত্বালিবীন, ১ম খন্ড, ৩৪১-৩৪২ পৃষ্ঠা, দারুল কুতুবুল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত)

বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৭

দুরূদ শরীফের ফযিলত- পর্ব -১

❤❤ফযিলত-১❤❤   

(১) রহমতে        আলম,      নূরে      মুজাস্সাম,      রাসূলে আকরাম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন:
“যে (ব্যক্তি) আমার উপর এক বার দরূদ শরীফ পাঠ করে, আল্লাহ্ তাআলা তার উপর দশটি রহমত নাযিল করেন।” (মুসলিম, ২১৬ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৪০৮)
❤❤ফযিলত-২❤❤
(২) সুলতানে   দো-আলম,   নূরে   মুজাস্সাম,     শাহে বনী আদম,  রাসূলে  মুহ্তাশাম   صَلَّی  اللّٰہُ تَعَالٰی  عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ   وَسَلَّم  ইরশাদ করেন: “কিয়ামতের দিন আমার নিকটতম ব্যক্তি সেই হবে, যে দুনিয়ায় আমার উপর বেশি পরিমাণে দরূদ শরীফ পড়েছে।” (তিরমিযী, ২য় খন্ড, ২৭ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৪৮৪)

❤❤ফযিলত-৩❤❤
(৩) রহমতে        আলম,      নূরে      মুজাস্সাম,      রাসূলে আকরাম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন: “যে ব্যক্তি আমার উপর এক বার দরূদ শরীফ পড়ে, আল্লাহ্ তাআলা তার উপর দশটি রহমত নাযিল করেন এবং তার আমল নামায় দশটি নেকী লিখে দেন।” (তিরমিযী, ২য় খন্ড, ২৮ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৪৮৪)

মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৭

শয়ন ও জাগরনের ১৫টি মাদানী ফুল (নিয়মাবলী)

ইসলাম শাশ্বত ধর্ম। ইসলামে যত নিয়ম কানুন রয়েছে সবই বান্দার উপকারের জন্য। কিভাবে চললে বান্দার ভাল হবে তা স্রষ্টা-ই ভাল জানেন। তাই ইসলামী পদ্ধতি কখনোই বান্দার কষ্টের জন্য নয় বরং কষ্ট ও রোগ বালাই থেকে বাঁচানোর জন্যই ইসলামী পদ্ধতি গুলো। চলুন দেখে নিই ঘুমানো ও ঘুম থেকে উঠার বিষয়ে ইসলাম কি বলছে-
শয়ন ও জাগরনের ১৫টি মাদানী ফুল (নিয়মাবলী)
(১) শয়ন করার আগে বিছানাকে ভালভাবে ঝেড়ে নিন যাতে কোন ক্ষতিকর পোকা-মাকড় ইত্যাদি থাকলে বের হয়ে যায়, 

(২) শয়ন করার আগে এ দুআটি পড়ে নিন,

اَللهُمَّ بِاسمِكَ اَمُوتُ وَاَحى
অনুবাদ: হে আল্লাহ! আমি আপনার নামে মৃত্যুবরণ করছি এবং জীবিত হব। (অর্থাৎ শয়ন করি ও জাগ্রত হই)।
(বুখারী শরীফ, খন্ড-৪র্থ, পৃষ্ঠা-১৯৬, হাদীস নং-৬৩২৫), 

সুরমা লাগানোর ৪টি মাদানী ফুল (নিয়মাবলী)

কিভাবে সুরমা লাগাবেন?

(১) সুনানে ইবনে মাজাহ শরীফের রিওয়াতে রয়েছে যে, সব সুরমার চাইতে উত্তম সুরমা হচ্ছে ইসমাদ। কেননা এটা দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে এবং পালক গজায়। (সুনানে ইবনে মাজাহ, খন্ড-৪র্থ, পৃষ্ঠা-১১৫, হাদীস নং-৩৪৯৭)

(২) পাথুরী সুরমা ব্যবহার করাতে অসুবিধা নেই এবং কালো সুরমা কিংবা কাজল রূপচর্চার নিয়্যতে পুরুষের লাগানো মাকরূহ। আর যদি রূপচর্চা উদ্দেশ্যে না হয় তবে মাকরূহ নয়। (ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী, খন্ড-৫, পৃষ্ঠা-৩৫৯) 

(৩) শয়ন করার সময় সুরমা লাগানো সুন্নাত।(মিরআতুল মানাজিহ, খন্ড-৬, পৃষ্ঠা-১৮০)

(৪) সুরমা ব্যবহারের বর্ণিত তিনটি পদ্ধতির সারাংশ উপস্থাপন করছি: 

(ক) কখনো উভয় চোখে তিন তিন শলাই 

(খ) কখনো ডান চোখে তিন শলাই এবং বাম চোখে দুই শলাই,

ঘরে আসা যাওয়ার ১২টি মাদানী ফুল (নিয়মাবলী)

কিভাবে ঘরে আসব, কিভাবে বের হবো?

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। প্রত্যেকটি বিষয়ে আছে পূঙ্খানু পূঙ্খানু বর্ণনা। ঘরে আসা যাওয়ার বিষয়টিও বাদ নেই এর থেকে। চলুন দেখে নেয়া যাক-
(১) যখন ঘর থেকে বের হবেন তখন এই দুআ পড়ুন
بِسمِ اللهِ تَوَكَّلتُ عَلَى اللهِ لَا حَولَ وَلَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ
অনুবাদ : আল্লাহর নামে আরম্ভ, আমি আল্লাহর উপর ভরসা করছি। আল্লাহ প্রদত্ত ক্ষমতা ব্যতীত কোন সামর্থ্য ও শক্তি নেই। (আবু দাউদ, খন্ড-৪, পৃষ্ঠা-৪২০, হাদীস নং- ৫০৯৫) إنشاء الله عزوجل এ দুআ পড়ার বরকতে সঠিক পথে থাকবে বিপদ আপদ থেকে মুক্ত থাকবে। আল্লাহর সাহায্যের আওতায় থাকবে।

(২) ঘরে প্রবেশের দুআ
اَللهُمَّ اِنِّى اَسأَلُكَ خَيرَ المَولَجِ وَخَيرَ المَخرَجِ بِسمِ اللهِ وَلَجنَا وبِسمِ اللهِ خَرَجنَا وَعَلَى اللهِ رَبِّنَا تَوَكَّلنَا
অনুবাদ: হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট প্রবেশকালে এবং বের হওয়ার সময় মঙ্গল প্রার্থনা করছি আল্লাহর নামে আমি (ঘরে) প্রবেশ করছি এবং তারই নামে বের হই এবং আপন প্রভুর উপর আমরা ভরসা করছি) (আবু দাউদ, খন্ড-৪, পৃষ্ঠা-৪২০, হাদীস-৫০৯৬) এ দুআটি পড়ে ঘরের অধিবাসীদের সালাম করুন। অতঃপর নবী ﷺ এর দরবারে সালাম পেশ করুন এরপর সুরা ইখলাস পাঠ করুন إنشاء الله عزوجل ঘরে বরকত ও পারিবারিক কলহ থেকে মুক্ত থাকবে।

পোস্ট শ্রেণি

অযু-গোসল-পবিত্রতা (12) আপডেট চলমান (25) আমাদের কথা ও অন্যান্য বিষয়াবলী (6) আমাদের প্রিয় নবী ﷺ (4) আরবি মাস ও ফযীলত (11) ইসলামী ইতিহাস ও শিক্ষনীয় ঘটনা (4) ইসলামী জীবন ও সুন্দর চরিত্র (4) ঈদ-কাযা-জানাযা-তারাবী-নফল ও অন্যান্য নামায (5) উত্তম আমল ও সাওয়াবের কাজ (4) কুরআন-তাফসীর ও হাদিস (16) কুরবানী (6) চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য কথন (14) জিকির-দোআ-দুরূদ ও ফযীলত (8) নবী-সাহাবী ও আওলিয়াদের জীবনী (8) নামায (17) পর্দা ও লজ্জাশীলতা (16) ফয়যানে জুমা (3) বদ আমল ও গুনাহের কাজ (2) মওত-কবর-হাশর ও আযাব (12) মাসআলা-মাসাইল ও প্রশ্নোত্তর (4) মাসাইল (30) যাকাত-ফিতরা ও সদক্বাহ'র বিধান (1) রোযা/রমযানের বিধান ও ফযীলত (9) সুন্নাত ও আদব/ মাদানী ফুল (38) হজ্ব-ওমরাহ ও যিয়ারতে মদিনা (27)

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন