আপডেট
স্বাগতম! ইসলামী জীবন ব্লগে নিয়মিত ভিজিট করুন আর শিখুন ইসলামীক জ্ঞান। শেয়ার করুন আপনার সোস্যাল সাইটে। প্রয়োজনে লাইভ চ্যাটের সহায়তা নিন। হোয়াটসঅ্যাপে ইসলামীক পোষ্ট পেতে +880 1946 13 28 62 নাম্বারে Post লিখে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দিন। ধন্যবাদ!
বাংলা ভাষায়, অলাভজনক, বৃহত্তম ইসলামীক ওয়েবসাইট বানানোর প্রত্যয়ে “ইসলামী জীবন“ কাজ করে যাচ্ছে। www.islamijibon.net
Showing posts with label ঈদের নামায. Show all posts
Showing posts with label ঈদের নামায. Show all posts

Saturday, June 24, 2017

ঈদের নামাযের পদ্ধতি

অন্তর জীবিত থাকবে

মদীনার   তাজেদার,   রাসূলদের   সরদার,   হুযুর  পুরনূর  صَلَّی   اللّٰہُ  تَعَالٰی  عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ  وَسَلَّم  ইরশাদ  করেন:   “যে         ব্যক্তি    দুই ঈদের        রাতে (অর্থাৎ-ঈদুল    ফিতর    ও    ঈদুল    আযহার   রাত দু’টিতে) সাওয়াব লাভের উদ্দেশ্যে জেগে থেকে ইবাদত করেছে,  তার  অন্তর  ঐ  দিন  মরবেনা,  যেদিন   মানুষের    অন্তর    মরে   যাবে।”      (ইবনে মাজাহ, ২য় খন্ড, ৩৬৫ পৃষ্ঠা হাদীস নং-১৭৮২, দারুল মারেফা বৈরুত)

জান্নাত ওয়াজীব হয়ে যায়

অন্য   এক   জায়গায়   হযরত   সায়্যিদুনা   মু‘আয  বিন    জাবাল   رَضِیَ   اللّٰہُ  تَعَالٰی  عَنْہُ  বলেন:  “যে ব্যক্তি পাঁচটি    রাতে জেগে  থাকে (অর্থাৎ-জেগে সারা রাত ইবাদতে  কাটায়) তার জন্য   জান্নাত  ওয়াজীব     হয়ে    যায়।   (সে  রাতগুলো  হলো, ) যিলহজ্জ শরীফের ৮,  ৯  ও ১০ তারিখের রাত, (তিন   রাততো  এভাবে  হলো)   আর ৪র্থ রাতটি হলো   ঈদুল   ফিতরের রাত   এবং     ৫ম   রাতটি হলো  শাবানের   ১৫  তারিখ  রাত   (অর্থাৎ-শবে  বরাত)  ।  (আত্তারগীব  ওয়াত্তারহীব,  ২য়  খন্ড, ৯৮ পৃষ্ঠা, হাদীস নং-২)

ঈদের   নামাযের   উদ্দেশ্যে    যাওয়ার    পূর্বেকার  সুন্নাত

হযরত  সায়্যিদুনা  বুরাইদা  رَضِیَ  اللّٰہُ  تَعَالٰی  عَنْہُ  থেকে  বর্ণিত;   নবীয়ে  রহমত,   শফীয়ে    উম্মত, তাজেদারে রিসালাত, হুযুর صَلَّی  اللّٰہُ  تَعَالٰی  عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ    وَسَلَّم    ঈদুল    ফিতরের    দিন    কিছু    খেয়ে  নামাযের উদ্দেশ্যে তাশরীফ নিয়ে যেতেন। আর ঈদুল আযহার দিন  নামায শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু   খেতেন   না।   (তিরমিযী,    ২য়   খন্ড,    ৭০ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৫৪২, দারুল ফিকর বৈরুত) বুখারী শরীফের বর্ণনায় হযরত  সায়্যিদুনা আনাস رَضِیَ اللّٰہُ تَعَالٰی عَنْہُ থেকে বর্ণিত; হুযুর صَلَّی  اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ  وَسَلَّم  ঈদুল  ফিতরের  দিন  কয়েকটি  খেজুর  না খেয়ে  (নামাযের উদ্দেশ্যে) তাশরীফ  নিয়ে     যেতেন     না।      আর খেজুরের        সংখ্যা বিজোড় হতো। (বুখারী শরীফ, ১ম খন্ড, ৩২৮ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৯৫৩)

পোস্ট শ্রেণি

অন্যান্য (15) অযু-গোসল-পবিত্রতা (14) আকিকা (1) আমাদের কথা (1) আযান (3) আযাব (4) ইতিকাফ (1) ইফতারী (1) ইবাদত (14) ইসলামী ইতিহাস (8) ঈদের নামায (1) ওমরা (27) কবর যিয়ারত (8) কাযা নামায (3) কারবালা (7) কালিমা (1) কুরবানী (6) কুসংস্কার (3) খেজুর (1) চিকিৎসা (12) জানাযা নামায (3) তওবা (4) তারাবীহ (3) দিদারে ‍মুস্তফা (1) দুরূদ শরীফের ফযিলত (8) নামায (24) নিয়ত (2) পর্দা ও পর্দার বিধান (15) পিতা-মাতা হক্ব (1) প্রতিযোগিতা (2) প্রশ্নোত্তর (16) ফয়যানে জুমা (3) ফযিলত (11) বদ আমল (5) বিদআত (4) ভালবাসা (1) মওত-কবর-হাশর (7) মদিনা (2) মনীষীদের জীবনী (7) মা (1) মাদানী ফুল (28) মাসাইল (88) মিলাদুন্নবী (2) মিসওয়াক (1) মুহাররম (2) যাকাত-ফিতরা (1) রজব (3) রমযান (13) রুহানী ইলাজ (4) রোজা (17) লাইলাতুল ক্বদর (1) শাওয়াল (1) শাবান (3) শিক্ষনীয় ঘটনা (2) শিশু (3) সদক্বাহ (1) সাহরী (1) সিরাতুন্নবী (2) সুন্নাত ও আদব (26) স্বাস্থ্য কথন (10) হজ্ব (27) হাদিস (1)

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন