আপডেট
স্বাগতম! ইসলামী জীবন ব্লগে নিয়মিত ভিজিট করুন আর শিখুন ইসলামীক জ্ঞান। শেয়ার করুন আপনার সোস্যাল সাইটে। প্রয়োজনে লাইভ চ্যাটের সহায়তা নিন। হোয়াটসঅ্যাপে ইসলামীক পোষ্ট পেতে +880 1946 13 28 62 নাম্বারে Post লিখে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দিন। ধন্যবাদ!
বাংলা ভাষায়, অলাভজনক, বৃহত্তম ইসলামীক ওয়েবসাইট বানানোর প্রত্যয়ে “ইসলামী জীবন“ কাজ করে যাচ্ছে। www.islamijibon.net

Friday, June 7, 2019

কদম বুসি বা পা চুম্বনের বিধান

রচনায়: মুহাম্মদ আবু নাছের জিলানী

আবহমান কাল থেকে মুসলমানদের নিকট এই রীতি চালু রয়েছে যে, সম্মানিত ব্যক্তিবর্গদের কদম বুসি করা। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, এই কদম বুসি (পায়ে হাত দিয়ে সালাম করা/ পদচুম্বন) করলে অনেকেই লাফিয়ে উঠে শিরকের ফতোয়া তোলে আর বলে- বাবা তুমি আমাকেও গুনাহগার বানাইওনা, নিজেকেও গুনাহগার বানাইওনা। হায়! আফসোস, তিনি নিজেও সুন্নাত আমল করল না, অন্য মুসলমান ভাইকেও সুন্নাত আমল করতে বাধা দিল। মূলতঃ এর বিরোধিতা ঐ সব ব্যক্তিরা করে থাকে, যাদের কাছে কুরআন, হাদিস ও ফেকাহ-ফতোয়ার জ্ঞান নাই অথবা থাকলেও বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করে থাকে।

ইজ্জতদার ও সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের আলাদা ইজ্জত ও সম্মানের মানদন্ড হল- কদম বুসি ও হাত বুসি। মহান রাব্বুল আলামীনের আলীশান ঘোষণা- وَلِلّهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُوْلِهِ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ “ইজ্জ্বত আল্লাহর জন্য তাঁর রাসুলের জন্য এবং মুমিনদের জন্য।” তাই মুসলিম সমাজে যারা অজ্ঞতার হেতু সে সুন্নাত পরিত্যাগ করে অগণিত সওয়াব ও নেকী হতে বঞ্চিত হচ্ছে তাদেরকে সঠিক দিক নির্দেশনার জন্য সংক্ষিপ্ত পরিসরে হাদিস শরীফের মূল এবারত সুত্রসহ বর্ণনা করার চেষ্টা করছি। 


حَدَّثَنَا اَبُوْ كُرَيْبٍ نا عَبْدُ اللهِ بْنِ ادريس وَ اَبُوْ اُسَامَة عَنْ شُعْبَة عَنْ عَمَرو بِنْ مُرَّة عَنْ عَبْد اللهِ بن سَلَمَةَ عَنْ صَفْوَان عَنْ عَسَّالٍ قَالَ قَالَ يَهُوْدِىُّ لِصَاحِبَهِ اِذْهَبْ بِنَا اِلَى هَذَا النَّبِىِّ فَقَالَ صَاحِبُهُ لَا تَقُلْ نَبِىٌّ اَنَّهُ لَوْ سَمِعَكَ كَانَ لَهُ اَرْبَعَةُ اَعْيُنٍ فَاَتيَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَسالَاه عَنْ تِسْعِ اَيَاتٍ بَيِّنَاتٍ فَقَالَ لَهُمْ لَا تُشْرِكُوْا بِاللهِ شَيْأً وَلَا تَسْرِقُوْا وَ لَا تَزِنُوْا وَ لَا تَقْتُلُوْا النَّفْسَ الَّتِىْ حَرَّمَ اللهُ الا بِالْحَقِّ وَلَا تَمْشُوْا بِبِرِىٍّ اِلَى ذِىْ سُلْطَانٍ لَيَقْتُلَهُ وَ لا تَسْحَرُوْا وَ لا تَأْكُلُوْا الرِّبَوا وَ لا تَفْقَذُوْا مُحْصَنَةً وَ لا تَوَلُّوْا الْفِرَارَ يَوْمَ الزَّحْفِ وَ عَلَيْكُمْ خَاصَّةً الْيَهُوْدَ اَنْ لا تَعْتَدُوْا فِى السَّبْتِ قَالَ فَقَبَّلُوْا يَدَيْهِ وَ رِجْلَيْهِ وَ قَالُوْا نَشْهَدُوْا اَنَّكَ نَبِيٌّ قَالَ فَمَا يَمْنَعكُمْ اَنْ تَتَّبَعُوْنِى قَالَ قَالُوْا اِنَّ دَاؤُدَ دَعَا رَبَّهُ اَنَّ لَا يَزَالُ مِنْ ذُرِّيَتِهِ نَبِىَّ وَ اِنَّا نَخَافُ اَنْ تَبِعْنَاكَ اَنْ تَقْتُلْنَا اليَهُوْدُ

হযরত সাফওয়ান বিন আসসাল (رَضِىَ الله عَنْهُ) বর্ণনা করেন। একজন ইহুদি তার সাথিকে বললেন, আমাকে এ নবীর নিকট নিয়ে চল। তদুত্তরে তার সাথি তাকে বললেন তুমি তাঁকে নবী বলোনা কারণ সে যদি শুনে তুমি তাঁকে নবী বলেছ তবে তিনি খুশি হয়ে যাবেন (যেহেতু উনাার চারটি চোখ বিদ্যমান)। অত:পর রাসূলে পাক (ﷺ) এর দরবারে আসলেন এবং ৯ টি নিদর্শন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তার উত্তরে রাসূল (صلى الله عليه وسلم) বললেন ১. তোমরা আল্লাহ তায়ালার সাথে কাউকে শরীক করো না। ২. চুরি করো না। ৩. যেনা করো না। ৪. হত্যা করো না ঐ ব্যক্তিকে যাকে আল্লাহ পাক হারাম করেছেন ন্যায় বিচারের সহিত, নিরাপরাধ ব্যক্তিকে হত্যা করার জন্য কোন শাসকের কাছে নিয়ে যেও না। ৫. যাদু করো না। ৬. সুদ খেও না। ৭. সৎ নর-নারীকে যেনার অপবাদ দিও না। ৮. যুদ্ধের ময়দান হতে পলায়ন করো না। ৯. বিশেষ করে তোমরা ইহুদিরা শনিবার দিন সীমা অতিক্রম করো না। বর্ণনাকারী বলেন- হুজুর (صلى الله عليه وسلم) এর নিকট থেকে উত্তর শুনার পর উভয়েই রাসূল (صلى الله عليه وسلم) এর দুহাত ও দুপায়ে চুম্বন করলেন এবং বললেন-নিশ্চই আপনি নবী। হুজুর (صلى الله عليه وسلم) তখন তাদেরকে বললেন কি কারনে তোমরা আমাকে অনুসরন করো না। উত্তরে তারা বলল, হযরত দাউদ (عَلَيْهِ السَّلَام) তাঁর প্রভুর কাছে দোয়া করেছিলেন যাতে উনার বংশ হতে নবীর ধারা পরিসমাপ্তি না হয়। নিশ্চয় আমরা ভয় করি। আমরা আপনাকে মান্য করি, এ খবর আমাদের জাতি ইহুদিদের কাছে গেলে সাথে সাথে তারা আমাদেরকে হত্যা করবে। তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ১০২ পৃষ্ঠা مَا جَاءَ فِىْ قُبْلَةِ الْيَدِ وَالرِّجِل অধ্যায়। 

وَ فِىْ الْبَابِ عَنْ يَزِيْد بن الْاَسْوَاد وَ اِبْن عُمَرَ وَ كَعْبِ بن مَالِك وَ هَذَا حَدِيْثٌ حَسَنٌ صَحِيْحٌ 

ইমাম তিরমীযি (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْه) বলেন, হযরত সাফওয়ান ইবনে আসসাল এর মতো হযরত ইয়াজিদ ইবনে আসওয়াদ, ইবনে উমর এবং কাব বিন মালিক (رَضِىَ الله عَنْهُمَا) হতেও হাত পা চুম্বন করার হাদিস বর্ণিত হয়েছে, তিনি আরো বলেন, বর্ণিত হাদিসটি সনদের দিক দিয়ে হাসান, সহীহ অর্থাৎ হাদিসটির ২টি সনদ বিদ্যমান। একটি সনদে হাসান আর অন্য সনদে সহী। 

حَدَّثَنَا اَبُوْ بَكْر حَدَّثَنَا عَبْدُ الله بن ادريسَ وَ غُنْدَرَ وَ أَبُوْ سَلَمَةَ عَنْ شُعْبَةَ وَ عُمَرَوَ بن مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ الله بن سَلْمَةَ عَنْ صَفْوَانَ بن عَسَّال اَنَّ قَوْمًا مِنَ الْيَهُوْد قَبْلُوْا يَد النَّبِى صلى الله عليه وسلم وَرِجْلَيْه 

হযরত সাফওয়ান ইবনে আসসাল (رَضِىَ الله عَنْهُ) হতে বর্ণিত নিশ্চয় ইহুদিদের একটি দল রাসূল (ﷺ) এর হাত ও পা মোবারক চুম্বন করেছেন। ইবনে মাজা ২৬৩ পৃ: اَلرَّجُلُ تَقْبَلَ يَدَا الرِّجِلِ অধ্যায়। 

হাত ও পায়ে চুম্বন করা জায়েজ তা প্রমান হল। হ্যা, এক্ষেত্রে প্রশ্ন করা যায়- যারা চুম্বন করেছে তারা ইহুদি ছিল। মুসলমানেরা করে নাই। এর উত্তর দেখি হাদিস শরীফে আছে কি না?

حدثنا ابو بكر بن اَبِى شَيْبَةَ ثنا محمد بن فُضيلٍ ثنا يَزيدُ بن ابى زِيادٍ عن عبدِ الرحمان بن ابى لَيلَى عن ابن عُمرَ رضى الله عنهما قَالَ قَبـَّلْنا يَدَا النَّبِىَّ ﷺ

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (رَضِىَ الله عَنْهُمَا) হতে বর্ণিত-তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ) এর পবিত্র হাত মোবারক চুম্বন করলাম। ইবনে মাজা ২৬৩ পৃ: اَلرَّجُلُ تَقْبَلَ يَدَا الرِّجِلِ অধ্যায়। অপর আরেকটি হাদীস শরীফ লক্ষ্য করুন- 

حدثنا عبد الله بن ﷴ قال حدثنا ابن عيينه عن ابن جدعان قال ثابت لانس رضى الله تعالى عنه امسست النبى صلى الله عليه وسلم بيدك ؟ قال نعم فقبلها 

হযরত জদআন (رضى الله عنه) বলেন, হযরত সাবিত হযরত আনাস কে (رضى الله عنهم) বললেন, আপনি কি নবী করিম (ﷺ) কে হাত দ্বারা স্পর্শ করেছেন? উত্তরে তিনি বললেন হ্যা, তখন তিনি তাঁর হাতকে চুম্বন করলেন। ইমাম বুখারী (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْه) কর্তৃক প্রণিত আদাবুল মুফরাদ تَقْبِيْلُ الْيَد অধ্যায়।

আবু দাউদ শরীফের ৭০৯ পৃষ্ঠায় একটি অধ্যায় আছে তা হলো قِبْلَةُ الرِّجِل তথা পা চুম্বণের অধ্যায়। তথায় রয়েছে-

حدثنا ﷴ بن عيسى نا مطر بن عبد الرحمان الاعنق خدثنى ام ابان لما بنت الوازع عن زارع عن جدها زارع و كان فى وَفْدِ عبدِ القَيسِ قال قَدِمْنَا المَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادِرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ رَسُوْلِ اللهِ ﷺ وَ رِجْلَيْهِ الخ-

হযরত উম্মে আবান বিন ওয়াজে বিন জারে (رضى الله عنه) হতে বর্ণিত তার দাদা জারে বর্ণনা করেন তিনি আবদুল কায়স প্রতিনিধি দলের অন্তর্ভূক্ত ছিলেন (যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আশজ) যখন আমরা মদিনা শরীফে পৌঁছলাম তখন তাড়াহুড়া করে আমাদের বাহন হতে নেমে রাসূল (ﷺ) এর হাত ও পা মোবারক চুম্বন করলাম। 

এ হাদিসের ব্যাখ্যায় শায়খে মুহাক্কিক আবদুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْه) বলেন- وَفِىْ هَذَا الْحَدِيْثِ دَلِيْلُ عَلَى جَوَازِ تَقْبِيْلُ الْاَرْجُلِ অর্থ্যাৎ এ হাদিস হলো দলিল যা দ্বারা পা চুম্বন করা জায়েজ। 


ইমাম বুখারী (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْه) এর আরেক বিখ্যাত হাদিসের কিতাব হলো আল-আদাবুল মুফরাদ। এর একটি অধ্যায়ের নাম হলো تَقْبِيْلُ الرِّجِل অর্থ্যাৎ পা চুম্বনের অধ্যায়। তথায় আছে-

حدثنا مُوْسَى بن إسماعيل قال حدثنا مطر بن عبد الرحمان الاعنق قال حدثنى امراة من صباح عبد القيس يقال لها ام ابان ابنة الوازع عن جدها ان جدها الوازع بن عامر قَالَ قَدِمْنَا فَقِيْلَ ذَاكَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ فَاَخَذْنَا بِيَدَيْهِ وَ رِجْلَيْهِ نُقَبِّلُهَا

হযরত ওয়াজে ইবনে আমের (رضى الله عنه) হতে বর্ণিত তিনি বলেন-আমরা রাসূল (ﷺ) এর দরবারে আসলাম। কেউ একজন বলল ইনিই আল্লাহর রাসূল (ﷺ), তখন আমরা রাসূল (ﷺ) এর পবিত্র হাত ও পা ধরে চুম্বন করলাম। 

হয়তবা প্রশ্ন করা যেতে পারে রাসূল (ﷺ) কে শুধু চুম্বন দিয়েছে। তাই অন্যদের বেলায় নয়। এই দ্বন্দ্ব নিরসনে আরেকটি হাদিস আদাবুল মুফরাদ এর تَقْبِيْلُ الرِّجْل এ পাওয়া যায়। আর তা নিম্নরূপ- 

حدثنا عبد الرحمان بن المبارك قال حدثنا سفيان بن حبيب قال حدثنا شعبة قال حدثنا عمرو عن ذكوان عن صهيب قال رَاَيْتُ عَلِيًّا يُقَبِّلُ يَدًا الْعَبَّاسِ وَ رِجْلَيْهِ 

হযরত সোহাইব বলেন- আমি হযরত আলী কে হযরত আব্বাস (رَضِىَ الله عَنْهُم) এর হাত ও পা চুমু দিতে দেখেছি । সুতরাং বর্ণিত হাদিস শরীফ দ্বারা এই কথায় প্রমাণিত হয় সম্মানিত ব্যক্তিবর্গদের হাত পা চুম্বন করা শরিয়ত সম্মত। 

এবার ইমাম বুখারী (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْه) কে ইমাম মুসলিম (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْه) কিভাবে সম্মান জানিয়েছেন তা দেখি।

روى الحاكم ابو عبد الله فى تاريخ نيسابور باسناده عن احمد بن حمدون قَالَ جَاءَ مُسْلِمٌ اِبْنَ الْحُجَّاجْ اِلَى الْبُخَارِىِّ فَقَبَّلَ بَيْنَ عَيْنَيْهِ وَ قَالَ دَعْنِىْ اُقَبِّلُ رِجْلَيْكَ يَا اُسْتَاذَ الْاُسْتَاذِيْنَ وَسَيِّدَ الْمُحَدِّثِيْنَ وَطَبِيْبَ الْحَدِيْثِ فِىْ عَلَلِهِ

হযরত হাকেম আবু আবদুল্লাহ স্বীয় সনদে নিশাপুরের ইতিহাসে আহমেদ ইবনে হামদুন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন মুসলিম শরীফের গ্রন্থকার হাদিসের উজ্জল নক্ষত্র ইমাম মুসলিম (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْه) ইমামুল হাদিস ফিদ্দুনিয়া ইমাম বুখারী (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْه) এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে তাঁর কপালে চুম্বন দিয়ে বললেন হে শিক্ষা গুরুদের গুরু, হে মুহাদ্দিসগণের ইমাম, হে ইলমে হাদিসের রোগ নিরাময়কারী আপনি আমাকে ছাড়ুন (সুযোগ দিন), আমি আপনার পায়ে চুম্বন করি। (বুখারী শরীফের ভূমিকা, পৃঃ১ লাইন ২৩ ও ২৪)।

কদম বুসি তথা পায়ে ধরে সালাম বা চুম্বন দেয়াকে শিরকের ফতোয়া প্রদানকারী দেওবন্দী আলেমদের পেশওয়া রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী এর নিকট এভাবে প্রশ্ন করা হলো-

سوال- کسی شخص کی تعظیم کوکھڑا ہو جانا اور پاوں پکڑنا اور چومنا تعظیما درست ہے یا نھیئ . طج

جواب -تعظیم دیندار کو کھڑا ہونا درست ہے اور پاوں چومنا ایسے شخص کا بہی درست ہے حدیث سے ثابت ہےفقط

প্রশ্ন- কোন ব্যক্তির সম্মানে দাঁড়িয়ে যাওয়া, পা স্পর্শ করা ও তাজীম করে চুম্বন দেয়া জায়েজ কি না?
উত্তর- দীনদারদের সম্মানার্থে দাঁড়ানো জায়েজ এবং এমন ব্যক্তির পা চুম্বন করা ও জায়েজ। হাদিস শরীফ দ্বারা তা প্রমাণিত। ফতোয়ায়ে রশিদিয়া ৫৪৫ পৃঃ। 

বর্ণিত হাদিসে পাক, ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিম এবং বিরোধী পক্ষের ফতোয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হলো কদম বুসি করা সুন্নাত। আল্লাহ মাফ করুক। তা যদি শিরক হয় তবে আল্লাহ পাক- যে রাসুল (ﷺ) কে শিরক নিশ্চিহ্ন করতে পাঠালেন উল্টো তিনি কি করে এই শিরক কাজকে অনুমোদন দিলেন? বিবেচনা করুন...

আপনার শিরকের ফতোয়া কি রাসুল (ﷺ) এর শান-মানে আঘাত হানে নাই ?
ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهم) উভয় হযরাত কি শিরকের মাসআলা বুঝেন নাই ?
তদুপরি আপন দলের বুযুর্গ আপন ফতোয়া কোন পর্যায়ে গেল?

মোদ্দা কথা হলো- আপনার মন যদি না চায়, তবে করবেন না। কিন্তু অপর জনকে এই নেক আমল হতে বিরত রাখবেন না কিংবা রাখার চেষ্টা করবেন না।

আল্লাহ আমাদেরকে সম্মানিত ব্যক্তিদেরকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করার তাওফিক দান করুন। আমিন! ছুম্মা আমিন, বেহুরমতে সাইয়্যেদিল মুরসালিন।

পোস্ট শ্রেণি

অন্যান্য (15) অযু-গোসল-পবিত্রতা (14) আকিকা (1) আমাদের কথা (1) আযান (3) আযাব (4) ইতিকাফ (1) ইফতারী (1) ইবাদত (14) ইসলামী ইতিহাস (8) ঈদের নামায (1) ওমরা (27) কবর যিয়ারত (8) কাযা নামায (3) কারবালা (7) কালিমা (1) কুরবানী (6) কুসংস্কার (3) খেজুর (1) চিকিৎসা (12) জানাযা নামায (3) তওবা (4) তারাবীহ (3) দিদারে ‍মুস্তফা (1) দুরূদ শরীফের ফযিলত (8) নামায (24) নিয়ত (2) পর্দা ও পর্দার বিধান (15) পিতা-মাতা হক্ব (1) প্রতিযোগিতা (2) প্রশ্নোত্তর (16) ফয়যানে জুমা (3) ফযিলত (11) বদ আমল (5) বিদআত (4) ভালবাসা (1) মওত-কবর-হাশর (7) মদিনা (2) মনীষীদের জীবনী (7) মা (1) মাদানী ফুল (28) মাসাইল (88) মিলাদুন্নবী (2) মিসওয়াক (1) মুহাররম (2) যাকাত-ফিতরা (1) রজব (3) রমযান (13) রুহানী ইলাজ (4) রোজা (17) লাইলাতুল ক্বদর (1) শাওয়াল (1) শাবান (3) শিক্ষনীয় ঘটনা (2) শিশু (3) সদক্বাহ (1) সাহরী (1) সিরাতুন্নবী (2) সুন্নাত ও আদব (26) স্বাস্থ্য কথন (10) হজ্ব (27) হাদিস (1)

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন